সর্বশেষ আপডেট : ১৬ মিনিট ১৭ সেকেন্ড আগে
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬ খ্রীষ্টাব্দ | ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

সংকটে পাশে থাকার বার্তা: আইএমএফের আশ্বাসে আশাবাদী ঢাকা

ডেইলি সিলেট ডেস্ক ::

অর্থনীতি, মূল্যস্ফীতি, জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তার মতো তীব্র বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও বিশ্বব্যাংক। চলতি বছরের ডিসেম্বর থেকে ২০২৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ত্রৈমাসিক কিস্তিতে সাড়ে ৪ বিলিয়ন ডলার ঋণ পাওয়ার বিষয়ে আইএমএফের কাছ থেকে আশ্বাস পেয়েছে বাংলাদেশ।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক গ্রুপের বার্ষিক সভার ফাঁকে সংস্থা দুটির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং আইএমএফের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাইজেল ক্লার্কের মধ্যকার বৈঠকটিকে ‘ফলপ্রসূ’ উল্লেখ করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ঋণ পাওয়ার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন কর্মকর্তারা।

বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, আগামী দুই-তিন সপ্তাহের মধ্যে উভয় পক্ষের দলগুলো আবারও বৈঠকে বসবে এবং বিস্তারিত আলোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। তিনি বলেন, “বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ, জাইকা, এডিবি সবাই আমাদের সঙ্গে কাজ করতে চায় এবং বৈশ্বিক এই সংকটকালীন সময়ে উন্নয়ন সহযোগীরা আমাদের সমর্থন দেবে।”

এদিকে, আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের রাজস্ব বৃদ্ধি এবং ব্যাংক সংস্কারের পরামর্শের সঙ্গে বাংলাদেশ একমত পোষণ করেছে। প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর জানান, অতীতের পৃষ্ঠপোষকতার সংস্কৃতি, কর অব্যাহতি ও কর জালিয়াতি থেকে বেরিয়ে এসে রাজস্ব আয় বাড়াতে সরকার ইতোমধ্যে টাস্কফোর্স গঠন করেছে। এর ফলস্বরূপ, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে রাজস্ব আয়ে ১২-১৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

ব্যাংকিং খাতের সংস্কার প্রসঙ্গে তিতুমীর বলেন, অতীতে ব্যাংক থেকে অর্থ লুটপাটের কারণে সৃষ্ট সংকট মোকাবিলায় প্রায় ৪০ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হতে পারে। ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে এবং আমানতকারীদের স্বার্থ সুরক্ষায় রেজল্যুশন অ্যাক্টের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকসহ অন্যান্য ব্যাংকে আমানতকারীদের আস্থা ফিরতে শুরু করেছে।

সরকারের অর্থনৈতিক কৌশলের তিনটি প্রধান দিক উল্লেখ করে তিতুমীর বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে দারিদ্র্য কমানো, ব্যাংক খাতে আস্থা ফেরানো এবং ম্যানুফ্যাকচারিং হাব গড়ে তুলে কর্মসংস্থান বাড়ানোর উদ্যোগে সরকার অগ্রাধিকার দিচ্ছে। বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির এই কার্যকারিতা স্বীকার করেছে বলেও তিনি দাবি করেন। মধ্যপ্রাচ্যের সংকট ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব সাধারণ মানুষের ওপর যেন না পড়ে, সে বিষয়েও সরকার সতর্ক রয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম
নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
মোবাইল: ০১৭১২ ৮৮৬ ৫০৩
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: