![]()


ডেইলি সিলেট ডেস্ক ::
এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপ বাছাই পর্বে বাজে পারফরম্যান্স, মাঠের বাইরে বিতর্ক আর সমালোচনার পর দায়িত্ব হারান অনূর্ধ্ব-২০ দলের প্রধান কোচ জেরার্ড জোন্স। তবে বরখাস্তের চার দিন পর এবার বাংলাদেশ অধ্যায় নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য দিয়েছেন সাবেক এই কোচ। যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস সিটি থেকে বাংলাদেশ বয়সভিত্তিক জাতীয় ফুটবল দলের সদ্য সাবেক কোচ এক ফেসবুক পোস্টে অভিযোগ তুলেছেন, বাংলাদেশে কাজ করার সময় সাইবার বুলিং, ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস এবং মেরে ফেলার হুমকিও পেয়েছেন।
তিনি লেখেন, ‘ফুটবলের বাজে পারফরম্যান্স বা কৌশলের গঠনমূলক সমালোচনা একদম স্বাভাবিক এবং তা মেনে নিতে আমার কোনো আপত্তি নেই। কারণ এটিই পেশাদার ফুটবলের নিয়ম। কিন্তু আমাকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করা হয়েছে, আমার ব্যক্তিগত তথ্য অনলাইনে ফাঁস করা হয়েছে এবং এমনকি আমাকে মেরে ফেলার হুমকি পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে! প্রশ্ন হলো, কিসের জন্য? প্রতিটি ফুটবলার বা কোচের একটা ব্যক্তিগত জীবন আছে। দিনশেষে আমিও কারও স্বামী, কারও পিতা, কারও সন্তান।’
সাবেক এই কোচ কিছুটা ক্ষোভ ও কটাক্ষের সুরেই বলেন, ‘মানুষের মনে কতটা ঘৃণা আর নেতিবাচকতা থাকলে তারা একজন মানুষের পেছনে এভাবে লেগে থাকতে পারে! তবে আমি মানসিকভাবে ভেঙে পড়িনি, বরং প্রতিদিন হেসেছি এবং এখনো হাসছি।’
তিনি জানান, বাংলাদেশ দলের সঙ্গে কাজ করার জন্য তিনি সময় পেয়েছিলেন হাতে গোনা মাত্র ৯ সপ্তাহ। এর পরই দলকে সরাসরি নেমে পড়তে হয়েছে এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপের বাছাই পর্বের মতো কঠিন ও তীব্র প্রতিযোগিতাপূর্ণ মঞ্চে।
স্বল্পমেয়াদি চিন্তাভাবনাকে কাঠগড়ায় তুলে জোনস বলেন, প্রস্তুতির সময় ও সুযোগ-সুবিধার দিক থেকে বাংলাদেশ এমন সব দলের বিরুদ্ধে লড়াই করতে নেমেছিল, যাদের ফুটবলার তৈরির ভিত ও একাডেমি কাঠামো অনেক বেশি প্রতিষ্ঠিত।