![]()


ডেইলি সিলেট ডেস্ক ::
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ থেকে সেনেগালের বিদায়ের পর দলটির চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন দেশটির ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি আব্দুলায়ে ফল। তিনি দাবি করেছেন, বিশ্বকাপে দলের প্রধান চিকিৎসকের দায়িত্বে থাকা ডা. ফেদিওর মূলত একজন স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ (গাইনোকোলজিস্ট), যা তিনি সম্প্রতি জানতে পেরেছেন। প্রতিবেদন ব্রাজিলিয়ান গণমাধ্যম গ্লোবো এস্পার্তের।
এক সাক্ষাৎকারে আব্দুলায়ে ফল বলেন, ‘খেলোয়াড়রা ওই চিকিৎসকের ওপর পুরোপুরি আস্থা রাখতে পারেননি। তাদের ধারণা ছিল, ক্রীড়া চিকিৎসা ও এলিট ফুটবলারদের চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় তার প্রয়োজনীয় অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার ঘাটতি রয়েছে।’
আব্দুলায়ে বলেন, ‘বাস্তবতা হলো, আমাদের প্রধান চিকিৎসকের এমন একাডেমিক প্রস্তুতি ছিল না, যা আমাদের খেলোয়াড়দের সর্বোচ্চ পর্যায়ে সহায়তা করতে পারে। ডা. ফেদিওর একজন গাইনোকোলজিস্ট; এ বিষয়টি আমি অনেক পরে জানতে পারি। খেলোয়াড়দের কাছ থেকে যে প্রতিক্রিয়া পেয়েছি, তাতে তারা তার তত্ত্বাবধানে পুরোপুরি স্বস্তি বা আস্থা অনুভব করত না।’
তিনি আরও জানান, মূল সমস্যা চিকিৎসকের বিশেষজ্ঞ পরিচয় নয়; বরং ক্রীড়া চিকিৎসা, অর্থোপেডিকস, স্পোর্টস ট্রমাটোলজি, ব্যায়াম শারীরবিদ্যা এবং এলিট অ্যাথলেটদের চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় তার পর্যাপ্ত দক্ষতার অভাব ছিল। এ কারণেই জাতীয় দলের ক্যাম্পে খেলোয়াড়দের মধ্যে তার চিকিৎসা নিয়ে অনাস্থা তৈরি হয়েছিল। উল্লেখ্য, ডা. ফেদিওর প্রায় ১০ বছর ধরে সেনেগাল জাতীয় দলের সঙ্গে কাজ করেছেন।
বিশ্বকাপে সেনেগাল গ্রুপ পর্বে নরওয়ে ও ফ্রান্সের কাছে হেরে গেলেও ইরাককে বড় ব্যবধানে হারিয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডে ওঠে। শেষ ষোলোতে বেলজিয়ামের বিপক্ষে দীর্ঘ সময় এগিয়ে থেকেও যোগ করা সময়ে দুটি গোল হজম করে ২-১ ব্যবধানে হেরে বিদায় নিতে হয় আফ্রিকার দলটিকে।
এদিকে, বিশ্বকাপ শেষে কোচ পাপে থিয়াওকে বরখাস্ত করার ঘোষণা দিয়েছে সেনেগাল ফুটবল ফেডারেশন। তার অধীনে দলটি ২০২৬ আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের ফাইনালে উঠেছিল এবং পরবর্তীতে বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলার যোগ্যতাও অর্জন করেছিল।