সর্বশেষ আপডেট : ৩ ঘন্টা আগে
বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬ খ্রীষ্টাব্দ | ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

যমুনায় পানি বাড়ায় সিরাজগঞ্জে ভাঙন ও ফসলহানির শঙ্কা

ডেইলি সিলেট ডেস্ক ::

পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টিতে যমুনা নদীর পানি সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে বাড়তে শুরু করেছে। এতে চরাঞ্চলের জমির ফসল তলিয়ে যাচ্ছে। সেইসঙ্গে নদী তীরবর্তী এলাকা দেখা দিয়েছে ভাঙন।

২০ দিন আগ থেকে পানি বাড়তে শুরু করলেও ঈদের পর থেকে ভাঙন দেখা দেওয়ায় নদী তীরের বাসিন্দারা আতঙ্কে দিন পার করছেন। ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন তারা।

এর মধ্যে চৌহালী উপজেলার ভূতের মোড় এলাকার নদীতীর সংরক্ষণ বাঁধে ভাঙন দেখা দেওয়ায় সেখানে জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ফেলার কথা বলেছেন সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেছুর রহমান।

নদী তীরের বাসিন্দারা জানান, ঈদের পর থেকে যমুনা নদীর পূর্বপাড় চৌহালী উপজেলার বাগুটিয়া ইউনিয়নের চরসলিমাবাদ, ভূতের মোড়, চরবিনানুই, কাঠালিয়া ও হিজুলিয়া এবং ঘোরজান ইউনিয়নের মুরাদপুর ও ধীতপুর এলাকার প্রায় সাত থেকে আট কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ভাঙন দেখা দিয়েছে।

এর মধ্যে এসব এলাকার বেশ কিছু বসতবাড়ি ও গাছপালা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। নদীতীরে অবস্থিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাট-বাজার ও বসতবাড়ি এবং চরাঞ্চলের ফসলি জমির মালিকরা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।

নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় যমুনার পূর্বপাড়ে অবস্থিত কাজিপুর, সিরাজগঞ্জ সদর, বেলকুচি ও শাহজাদপুর উপজেলার মানুষজন চরাঞ্চলে নৌকা ছাড়া চলাচল করতে পারছে না। এসব এলাকার বিভিন্ন স্থানে নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে। মানুষজন চরাঞ্চলের আবাদি জমির ফসল তলিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় রয়েছেন।

১৪ মে থেকে যমুনা নদীতে পানি বাড়তে শুরু করলেও মঙ্গলবার থেকে পানি কমতে শুরু করেছে বলে জানান সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী জাকির হোসেন।

তিনি বলেন, ‘‘বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত যমুনা নদীর পানি কাজিপুর পয়েন্টে ২২ সেন্টিমিটার কমে বিপৎসীমার ৩৮০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।’’

একই সময় সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধ হার্ডপয়েন্টে নদীর পানি ২৭ সেন্টিমিটার কমে বিপৎসীমার ৩২০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে জানান জাকির হোসেন।

তিনি বলেন, “জুন, জুলাই ও অগাস্ট মূলত বর্ষা মৌসুম। তাই এ সময়ে নদীতে পানি বাড়বে এটাই স্বাভাবিক। তাই চরাঞ্চলগুলো ধীরে ধীরে তলিয়ে যাচ্ছে। তবে পানি দ্রুত বাড়লেও তা এখনো বিপৎসীমার অতিক্রম করেনি।”

ভাঙন রোধে নদীতে জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ফেলা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেছুর রহমান।

যমুনার খাসকাউলিয়াসহ দুটি স্থানের বাঁধে ভাঙন দেখা দেওয়ায় সেখানে সংস্কার কাজ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

প্রকৌশলী মোখলেছুর রহমান বলেন, “কিছু কিছু স্থানে বাঁধ নেই, কিন্তু নদীতীর ভাঙছে। এসব এলাকায় বাজেট স্বল্পতার কারণে এখনই সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।”

সংবাদটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম
নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
মোবাইল: ০১৭১২ ৮৮৬ ৫০৩
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: