সর্বশেষ আপডেট : ৬ ঘন্টা আগে
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬ খ্রীষ্টাব্দ | ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

সেপটিক ট্যাংক থেকে শিশুর লাশ উদ্ধার, জুয়া বিরোধী দ্বন্দ্বে হত্যার অভিযোগ

ডেইলি সিলেট ডেস্ক ::

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলায় সেপটিক ট্যাংক থেকে এক শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে; যাকে অপহরণের পর হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় এক তরুণকে আটক করা হয়েছে।

শনিবার দুপুরে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের জমিনপুর গ্রাম থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় শিশুটির মৃতদেহ উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছেন মুক্তাগাছা থানার ওসি কামরুল ইসলাম।

অনলাইন জুয়া খেলতে নিষেধ করায় প্রতিবেশীর ছেলেকে অপহরণের পর হত্যা করে লাশ বস্তায় ভরে লুকিয়ে রাখা হয় বলে আটক তরুণ প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশকে জানিয়েছেন।

নিহত আন্দালিব সাদমান ওরফে রাফি (৯) ওই গ্রামের জহিরুল ইসলামের ছেলে। সে স্থানীয় রেসিডেন্সিয়াল মাদ্রাসার দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

আটক নূর মুহাম্মদ খোকন (২০) একই এলাকার বাসিন্দা ও কলেজ ছাত্র।

পুলিশ জানায়, শুক্রবার বেলা ১১টার পর থেকে রাফিকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। রাতে শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে মুক্তাগাছা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে শিশুটির বাবার সন্দেহের ভিত্তিতে সকালে খোকনকে আটক করে পুলিশ।

খোকনকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের বরাতে ওসি কামরুল ইসলাম বলেন, “খোকন অনলাইন জুয়ায় আসক্ত। এ নিয়ে বিভিন্ন সময় তাকে বাধা দিতেন রাফির বাবা জহিরুল। এক পর্যায়ে জুয়ার বিষয় নিয়ে খোকনের সঙ্গে জহিরুলের দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়। এ ক্ষোভ থেকে জহিরুলের ছেলেকে প্রথমে অপহরণ ও পরে হত্যা করে লাশ গুম করে রাখেন খোকন।”

তিনি বলেন, খোকনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাকে সঙ্গে নিয়ে দুপুরে অভিযানে যায় পুলিশ। পরে খোকনের বাড়ির টয়লেটের ট্যাংক থেকে শিশুটির লাশ উদ্ধার করা হয়।

ময়নাতদন্তের জন্য লাশ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে জানান ওসি কামরুল।

শিশুটির বাবা জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘খোকনকে বিভিন্ন সময় জুয়া খেলাতে নিষেধ করতেন তিনি। খোকন একজনের কাছে অনলাইন জুয়া খেলার এক লাখ টাকা পেতেন। তিনিসহ কয়েকজন মিলে কিছুদিন আগে সেই টাকা উদ্ধার করে দেন।

“খোকনের প্রতিশ্রুতি মত সেখান থেকে একটি অংশ তারা নিয়ে নেন। এসব নিয়ে খোকন ক্ষুব্ধ হন। খোকন আমার ছেলেকে মেরে ফেলেছে। তার শাস্তি দাবি করছি”, বলেন তিনি।

এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত আছে কি-না তা নিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানান ওসি কামরুল ইসলাম।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম
নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
মোবাইল: ০১৭১২ ৮৮৬ ৫০৩
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: