সর্বশেষ আপডেট : ৫৫ মিনিট ১১ সেকেন্ড আগে
শনিবার, ২ মে ২০২৬ খ্রীষ্টাব্দ | ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

ভাঙ্গায় ঈদের নামাজ পড়া শেষে ২ পক্ষের সংঘর্ষ

ডেইলি সিলেট ডেস্ক ::

ফরিদপুর ভাঙ্গায় মধ্যরাতে টর্চলাইট জ্বালিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষের এক দিন পরেই পুনরায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ৯টার দিকে ঈদের নামাজ পড়েই দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। দুই ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে দুই পক্ষের ১০-১২টি বাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) রাত ১২টার দিকে এ দুপক্ষ টর্চলাইট জ্বালিয়ে দুই ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছিল।
ওই দিনের সংঘর্ষে ১০ জন আহত হয়েছিলেন। এর পর থেকে ওই এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছিল। উত্তেজনাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটেছে ভাঙ্গা উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নের গোপীনাথপুর গ্রামে। পূর্বশত্রুতা ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, ভাঙ্গা উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নের গোপীনাথপুর গ্রামে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুটি পক্ষ রয়েছে। একপক্ষের নেতৃত্ব দেন গোপীনাথপুর গ্রামের ইসমাইল মুন্সী (৬৫) ও অপর পক্ষের নেতৃত্ব দেন একই গ্রামের কামরুল মিয়া (৪৫)।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) রাত নয়টার দিকে গ্রামের একটি চায়ের দোকানে কামরুল মিয়ার সঙ্গে ইসমাইল মুন্সীর ছেলে ফুয়াদ হোসেনের কথা-কাটাকাটি ও একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এরপরে গ্রামের দুই পক্ষই ঢাল, সড়কি, রামদা ও ইটপাটকেল নিয়ে বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। টর্চলাইট জ্বালিয়ে ঘণ্টাখানেক এ সংঘর্ষ চলে।

খবর পেয়ে ভাঙ্গা থানা পুলিশ ও এলাকার মাতুব্বরদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এ সংঘর্ষে দুই পক্ষের কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন। পুনরায় শনিবার দুই পক্ষের লোকজন ঢাল, সড়কি, রামদা, ইট,পাটকেল নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। দুই ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে ১০-১২টি বাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।

এ সময় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। দুই ঘণ্টাব্যাপী এ সংঘর্ষ পুলিশ নিয়ন্ত্রণ করে। হামিরদী ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘গোপীনাথপুর গ্রামের ইসমাইল মুন্সী ও কামরুল মিয়ার মধ্যে আগে থেকেই বিরোধ চলছে। পাশাপাশি তারা পরস্পর ঘনিষ্ঠ আত্মীয়। বৃহস্পতিবার প্রথমে দুই পক্ষের কথা-কাটাকাটি ও পরবর্তীতে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। শনিবার পুনরায় তারা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।’

ভাঙ্গা থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়। কয়েকটি বাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।’

সংবাদটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম
নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
মোবাইল: ০১৭১২ ৮৮৬ ৫০৩
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: