সর্বশেষ আপডেট : ৩ ঘন্টা আগে
বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET
Fapperman.com DoEscorts

কিডনি বিকল হয়ে ইন্দোনেশিয়ায় ১৩৩ শিশুর মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ::

ইন্দোনেশিয়ায় গুরুতর কিডনি জটিলতায় ভুগে মৃত শিশুর সংখ্যা বেড়েছে। দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী বুদি গুনাদি সাদিকিন জানিয়েছেন, কিডনি বিকল হয়ে চলতি বছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত ইন্দোনেশিয়ার ২২টি প্রদেশে ১৩৩ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার (২১ অক্টোবর) রাজধানী জাকার্তায় এক সংবাদ সম্মেলনে সাদিকিন বলেন, ‘আমাদের কাছে থাকা তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত দেশের ২২ প্রদেশে গুরুতর কিডনি জটিলতায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ২৪১ জন এবং তাদের মধ্যে ১৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃত এই শিশুদের অধিকাংশেরই বয়স ৫ বছরের কম।

সম্প্রতি পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়াতেও কিডনি বিকল হয়ে ৭০ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, ভারতীয় ওষুধ প্রস্তুতকারী কোম্পানি মেইডেন ফার্মাসিটিক্যালসের তৈরি চারটি সর্দিকাশির সিরাপ দায়ী এসব মৃত্যুর জন্য।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) ওই তদন্তে আরও জানা গেছে, ওই চারটি কফ সিরাপে এথিলিন গ্লাইকল ও ডায়াথিলিন গ্লাইকল নামের দুটি রাসায়নিক উপাদানের বিপজ্জনক মাত্রার উপস্থিতি পাওয়া গেছে।

সাধারণত শিল্প ও কলকারখানায় এই দু’টি রাসায়নিক উপদান ব্যবহার করা হয়। দামে সস্তা হওয়ায় অনেক ওষুধ কোম্পানি সিরাপ তৈরিতে খাবার উপযোগী গ্লিসারিনের পরিবর্তে এই দুই উপাদান ব্যবহার করে। কোনো তরলে স্বল্পমাত্রায় এথিলিন গ্লাইকোল ও ডায়াথিলিন গ্লাইকোল ব্যবহার করা হলে মানবদেহে তেমন গুরুতর কোনো প্রভাব পড়ে না, কিন্তু সেই মাত্রা অতিক্রম করলে গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা থাকে।

শুক্রবারের সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বক্তব্য থেকে জানা গেছে, গাম্বিয়া ও ইন্দোনেশিয়ায় শিশুদের কিডনি বিকল হয়ে মৃত্যুর কারণ একই; অর্থাৎ ঠাণ্ডাসর্দি ও কাশির সিরাপে এথিলিন গ্লাইকোল, ডায়াথিলিন গ্লাইকলসহ ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থের উপস্থিতি।

তবে ইন্দোনেশিয়ায় যে সিরাপগুলোতে এসব উপাদানগুলো পাওয়া গেছে—সেগুলোর কোনোটিই বাইরে থেকে আমদানি করা হয়নি, স্থানীয় ও দেশীয় বিভিন্ন কোম্পানির প্রস্তুত করেছে এসব সিরাপ।

মন্ত্রী বলেন, আমাদের প্রাথমিক তদন্তে শিশুদের ঠাণ্ডাজ্বর ও সর্দিকাশির চিকিৎসার জন্য উপযোগী ৫টি সিরাপে বিপজ্জনক মাত্রায় এথিলিন গ্লাইকোল, ডায়াতিলিন গ্লাইকোল ও এথেলিন গ্লাইকোল বিউটাইল ইথারের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। (কিডনি জটিলতায়) মৃত ও আক্রান্ত শিশুদের প্রত্যেকেই এই ৫টি সিরাপের কোনো একটি সেবন করেছিল বলেও আমরা জানতে পেরেছি।

যে সিরাপগুলোতে ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদানের উপস্থিতি পাওয়া গেছে, ইতোমধ্যে সেসব সিরাপের সব ব্যাচ অভ্যন্তরীণ ওষুধের বাজার ও ফার্মেসিগুলো থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে বলেও নিশ্চিত করেছেন বুদি গুনাদি সাদিকিন। সূত্র: আলজাজিরা

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: