সর্বশেষ আপডেট : ১ ঘন্টা আগে
সোমবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET
Fapperman.com DoEscorts

৭ লন্ডন প্রবাসী আ’ট’ক, সিলেট-লন্ডনে তোলপাড়

প্রবাসে থেকে নিজেদের ক’ষ্টার্জিত অর্থ বিনিয়োগ করে গড়ে তুলেছেন হোমল্যান্ড ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি। সে হিসেবে তারা এই প্রতিষ্ঠানের পরিচালক। প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন চেয়ারম্যান ও সিইও। তারাই সবকিছু দেখভাল করেন।

গত ২১শে সেপ্টেম্বর কোম্পানির বার্ষিক সম্মেলনে অংশ নিতে বৃটেন থেকে দেশে আসেন সাত প্রবাসী পরিচালক। অংশ নেন কোম্পানির এজিএম-এ। সেখান থেকেই আচ’মকা তাদের ধরে নিয়ে যায় মতিঝিল থা’না পু’লিশ। এরপর আ’দালতের মাধ্যমে পাঠানো হয় কারাগারে।

মাগুরায় দায়ের করা কথিত প্রতারণার মা’মলায় তাদের বি’রুদ্ধে পরোয়ানা তামিল করে গ্রে’প্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পু’লিশ। একসঙ্গে প্রবাসী এই ৭ উদ্যোক্তাকে গ্রে’প্তারে তোলপাড় চলছে দেশে-বিদেশে।

এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রবাসীরা। সরকার যেখানে প্রবাসীদের দেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে আসছে সেখানে এই বিনিয়োগকারীদের এভাবে গ্রে’প্তার কী’ বার্তা দিচ্ছে সেই প্রশ্ন অনেকের। ঘটনাটি স্রেফ মা’মলা এবং গ্রে’প্তার হিসেবে দেখছেন না অনেকে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ৯৬ সালে অনুমোদন পাওয়া প্রতিষ্ঠানটি দখল করে নিতেই এই কৌশল নিয়েছে কোনো একটি পক্ষ।

কোম্পানি সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি বর্তমান চেয়ারম্যান এবং এমডি এর নেপথ্যে রয়েছে। তা না হলে কোম্পানির লেনদেনের বিষয়ে কেউ মা’মলা করলে বর্তমান চেয়ারম্যান এবং এমডি’র বি’রুদ্ধে মা’মলা হওয়ার কথা। তা না করে প্রবাসে থাকেন এমন ৭ উদ্যোক্তার বি’রুদ্ধে মা’মলা করা হয়েছে। আর তার পরোয়ানাও হয়েছে। এসব বিষয়ে উদ্যোক্তাদের কোনো তথ্যই দেয়া হয়নি কোম্পানির পক্ষ থেকে। এছাড়া কোম্পানির আরও কয়েকজন পরিচালক থাকলেও তাদের মা’মলায় আ’সামি করা হয়নি। সূত্র জানিয়েছে, কোম্পানির একটি বড় অংশের শেয়ার প্রবাসী উদ্যোক্তাদের হাতে।

তাদের সরিয়ে দেয়ার জন্যই এই মা’মলার কৌশল নেয়া হয়েছে। যদিও আ’সামি পক্ষের আইনজীবী এডভোকেট শফিকুজ্জামান বাচ্চু মানবজমিনকে জানিয়েছেন, এই মা’মলার কোনো ভিত্তি নেই। প্রবাসী উদ্যোক্তাদের এভাবে গ্রে’প্তারও ঠিক হয়নি। কারণ মা’মলা হলে বর্তমান চেয়ারম্যান এবং এমডি’র বি’রুদ্ধে হওয়ার কথা। বিষয়টি আ’দালতকে জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার আ’দালত প্রবাসীদের জামিন মঞ্জুর করতে পারেন।

তিনি বলেন, এই মা’মলা টিকবে না। এটি খারিজ হয়ে যাবে। সিনিয়র এই আইনজীবী মনে করেন এই মা’মলার পেছনে অন্য কোনো কারণ থাকতে পারে। ওদিকে ওই ৭ প্রবাসীকে গ্রে’প্তারের পর থেকে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে বৃটেনে বসবাসরত প্রবাসীদের মধ্যে। তারা বলছেন, এভাবে প্রবাসী উদ্যোক্তাদের ডেকে নিয়ে দেশে গ্রে’প্তার করা কী’ বার্তা দিচ্ছে।

যেখানে সরকার বিনিয়োগের আহ্বান জানাচ্ছে সেখানে এই ঘটনা প্রবাসীদের জন্য নতুন এক বার্তা। কোম্পানির একাধিক সূত্রের দাবি সাবেক চেয়ারম্যান এনাম উদ্দিন আহমেদ এর মৃ’ত্যুর পর থেকেই প্রবাসী পরিচালকদের কোনো ধরনের আর্থিক হিসাব দেয়া হচ্ছে না। তারা হিসাব চাইলেও বর্তমান ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ নানা তালবাহানা করেন। সর্বশেষ ২১শে সেপ্টেম্বর হিসাব দেয়ার কথা বলে বার্ষিক সম্মেলনে ডেকে আনা হয় প্রবাসী পরিচালকদের।

ওইদিনই তাদের গ্রে’প্তার করে পু’লিশ। অ’ভিযোগ আছে, কোম্পানির নানা অনিয়ম, মেয়াদ শেষ হওয়ার পরেও গ্রাহকের টাকা পরিশোধ না করাসহ আরও বেশকিছু ইস্যুতে এই পরিচালকরা প্রবাসে থেকেও সোচ্চার ছিলেন। কোম্পানির ব্যবস্থাপনায় নানা অনিয়ম ছিল। শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্তি নিয়েও অনিয়মের অ’ভিযোগ আছে। অন্যদিকে শীর্ষ পদস্থরা কোম্পানির একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করছিলেন।

প্রবাসী পরিচালক হওয়াতে তাদের না জানিয়ে অনেক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়ে অনিয়ম করে যাচ্ছিলেন শীর্ষ কর্মক’র্তারা। এসব বিষয়ে ওই পরিচালকরা প্রতিবাদ করতেন। তাই কৌশলে পথের কাঁ’টা সরাতে গিয়ে পরিক’ল্পিতভাবে তাদের মা’মলার আ’সামি করে জে’লহাজতে পাঠানো হয়েছে।

সিলেটি ব্যবসায়ীরা গ্রে’প্তার হয়েছেন এমন খবরে তাদের সিলেট-সুনামগঞ্জের বাড়ি ও আশেপাশের এলাকায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া বৃটেনে থাকা প্রবাসী বাংলাদেশিরাও তাদের গ্রে’প্তারের খবর শুনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। অনেকেই বলেছেন ঘটনাটি পরিক’ল্পিত। মূলত হোমল্যান্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিটি দখল ও একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করার জন্য একটি চক্র এই পরিকল্পনা সাজিয়েছে। তাই বিলেত প্রবাসীরা এ ঘটনার সুষ্ঠু দাবি করেছেন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, যদি পরিক’ল্পিতভাবে ওই ব্যবসায়ী ও প্রবাসীদের সঙ্গে এ রকম কিছু করা হয় তবে দেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে অন্যান্য প্রবাসীরা নিরুৎসায়িত হবেন। গ্রে’প্তারকৃত ৭ ব্যবসায়ী হলেন- সিলেটের ওসমানীনগর উপজে’লার বাসিন্দা জামাল মিয়া ও তার ভাই কা’মাল মিয়া, বিশ্বনাথের আবদুল আহাদ ও তার ভাই আবদুল হাই, ছাতকের জামাল উদ্দিন ও শাহ্‌জালাল উপ-শহরের আবদুর রাজ্জাক এবং আব্দুর রব। তাদের মধ্যে জামাল মিয়া কোম্পানির ভাইস চেয়ারম্যান ও বাকি সবাই পরিচালক।

সম্প্রতি মাগুরা আ’দালতে গ্রে’প্তার ব্যবসায়ীসহ মোট ৮ জনের বি’রুদ্ধে পৃথক ৪টি মা’মলা করা হয়। সিআর মা’মলা নং-২২৭/২২,২২৮/২২,২২৯/২২,২৩০/২২। ধারা নং ৪০৬ ও ৪২০ দ’ণ্ডবিধি। মাগুরা জে’লার সদর উপজে’লার সৈয়দ মোফাক্কার আলী, একই উপজে’লার বুধইরপাড়ার মো. আজর আলী, ওই উপজে’লার ছয়চার গ্রামের মো. নায়েব আলী ও পার্শ্ববর্তী ঝিনাইদহ জে’লার কালিগঞ্জ উপজে’লার সড়াবাড়ীয়া গ্রামের মো. হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে এসব মা’মলা করেন। আ’দালত মা’মলাগুলো আমলে নিয়ে আ’সামিদের বি’রুদ্ধে গ্রে’প্তারি পরোয়ানা জারি করেন। পরোয়ানার কপি ঢাকা মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আ’দালতে পাঠানো হয়।

৪ মা’মলার এজাহারেই মাগুরা জে’লার শালিখা থা’নাধীন আড়পাড়া আঞ্চলিক কার্যালয়ের অধীন বীমা গ্রাহকদের পলিসির টাকা আত্মসাৎ করে প্রতারণামূলকভাবে বিশ্বা’স ভঙ্গের অ’ভিযোগ আনা হয়। মা’মলায় কোম্পানির চেয়ারম্যান, এমডি, জিএমসহ অন্য কোনো কর্মক’র্তার বি’রুদ্ধে অ’ভিযোগ আনা হয়নি। এমনকি মা’মলার বাদীরা র’হস্যজনকভাবে এসব কর্মক’র্তার স’ম্পর্কে কোনো কথা বলতে রাজি নন। এ বিষয়ে আ’সামি পক্ষের আইনজীবী শফিকুজ্জামান বাচ্চু বলেন, মা’মলা হলে শালিখা শাখার ব্যবস্থাপক প্রথম আ’সামি হওয়ার কথা। তা না করে প্রবাসীদের আ’সামি করা উদ্দেশ্যমূলক।

গ্রে’প্তার ৭ ব্যবসায়ীর বিষয়ে খোঁজ নেয়ার জন্য গতকাল হোমল্যান্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্সের মতিঝিলস্থ প্রধান কার্যালয়ে গেলে কেউ এ বিষয়ে কোনো কথা বলতে রাজি হননি। অনেকে আবার পরিচালকরা গ্রে’প্তার হয়েছেন সে বিষয়ে কিছু বলতে পারেননি। সবশেষে কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মক’র্তা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে দেখা করতে চাইলেও তিনি সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে দেখা করেননি। মতিঝিল থা’নার পরিদর্শক (ত’দন্ত) কাজী মো. নাসিরুল আমীন মানবজমিনকে বলেন, আ’দালত থেকে একটি গ্রে’প্তারি পরোয়ানা আমাদের কাছে এসেছিল।

আম’রা শুধু এজন্যই তাদের গ্রে’প্তার করেছি। আ’দালতের নির্দেশনা পালন করেছি। ওইদিন পরিচালকরা কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভায় যোগ দিতে এসেছিলেন। যাদেরকে গ্রে’প্তার করেছি তাদের নামে একাধিক গ্রে’প্তারি পরোয়ানা ছিল। তারমধ্যে ৬ পরিচালকের নামে নামে ৪টি করে এবং একজনের নামে ৩টি মা’মলায় গ্রে’প্তারি পরোয়ানা ছিল। তিনি বলেন, প্রতারণা মা’মলায় তাদের বি’রুদ্ধে মাগুরার একটি আ’দালতে মা’মলা’টি হয়েছিল। এর বেশি তথ্য আমাদের কাছে নাই। তবে তাদের বিষয়ে খোঁজ নিতে বৃটিশ অ্যাম্বাসির কর্মক’র্তা ফোন করেছিলেন। মতিঝিল থা’নার ভা’রপ্রাপ্ত কর্মক’র্তা ইয়াসির আরাফাত খান জানান, গ্রাহকের টাকা আত্মসাতের একটি মা’মলায় গ্রে’প্তার ব্যক্তিদের বি’রুদ্ধে পরোয়ানা জারি ছিল।

মা’মলা, পরোয়ানা স’ম্পর্কে জানতেন না ৭ প্রবাসী

মা’মলা, গ্রে’প্তারি পরোয়ানা স’ম্পর্কে জানতেন না হোমল্যান্ড লাইফ ইন্সুরেন্সের যু’ক্তরাজ্য প্রবাসী ৭ পরিচালক। তবে কোম্পানির নানা বিষয় নিয়ে দেশে থাকা পরিচালকদের সঙ্গে তাদের মতবিরোধ ছিল। এসব বিরোধের কারণে ৭ যু’ক্তরাজ্য প্রবাসী বিনিয়োগকারীর সিদ্ধান্ত এক ছিল। ঢাকায় হোমল্যান্ড লাইফ ইন্সুরেন্সের কার্যালয় থেকে গ্রে’প্তার হওয়া প্রবাসীর স্বজনরা মানবজমিনের কাছে এসব তথ্য জানিয়েছেন। তারা জানান- ইন্সুরেন্স কোম্পানির ৭ বিনিয়োগকারী গ্রে’প্তার হওয়ার আগের সপ্তাহে দেশে ফিরেন।

দেশে আসার মুখ্য উদ্দেশ্য ছিল কোম্পানির অ’তিরিক্ত সাধারণ সভায় যোগ দেয়া। ২১শে সেপ্টেম্বর ঢাকার মতিঝিলে হোমল্যান্ড লাইফ ইন্সুরেন্সের প্রধান কার্যালয়ে তারা সভায় যোগ দেন। সভা শেষ হওয়ার পর মতিঝিল থা’না পু’লিশের একটি দল গিয়ে গ্রে’প্তারি পরোয়ানা দেখিয়ে গ্রে’প্তার করে নিয়ে যায়। গ্রে’প্তারের পর ঢাকার কেরানীগঞ্জ কারাগারে গিয়ে সিলেটের স্বজনরা তাদের সঙ্গে দেখা করে এসেছেন। গতকালও তারা দেখা করেছেন। এই প্রবাসীরা সিলেটের জনসেবাসহ নানা কর্মকা’ণ্ডে জ’ড়িত। এদের মধ্যে বিশ্বনাথ ও বালাগঞ্জের দুই পরিবারের চার ভাই গত ১৮ ও ১৯ শে সেপ্টেম্বর দেশে আসেন। তখনো স্বজনদের সঙ্গে তাদের দেখা হয়নি।

দেশে ফিরেই তারা ঢাকায় চলে যান। বিশ্বনাথ এডুকেশন ট্রাস্টের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাই ও তার ভাই ব্যবসায়ী আব্দুল আহাদের স্বজন মাজেদ আহম’দ গতকাল বিকালে মানবজমিনকে জানিয়েছেন- ঢাকায় তারা গ্রে’প্তার হয়েছেন আম’রা জানতাম না। ২২শে সেপ্টেম্বর আম’রা জানতে পারি। এরপর ঢাকায় আসি। তিনি জানান- গ্রে’প্তার হওয়ার পর দুইদিন কারাগারে থাকা আব্দুল হাই ও আব্দুল আহাদের সঙ্গে দেখা হয়েছে। সর্বশেষ গতকাল তারা কারাগারে গিয়ে দেখা করে আসেন। প্রথম দিকে তারা মানসিকভাবে শক্ত থাকলেও প্রথম দফা জামিন আবেদন নামঞ্জুর হওয়ায় মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত আছেন। তিনি জানান- কারাগারের ভেতরে তাদের কোনো সমস্যা হচ্ছে না। কারা কর্তৃপক্ষ তাদের সুযোগ-সুবিধার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। কোম্পানি সংক্রান্ত কোনো বিষয়ে তার সঙ্গে এখনো কথা হয়নি বলে জানান মাজেদ। বালাগঞ্জের চান্দাইরপাড়া গ্রামে বাড়ি গ্রে’প্তার হওয়া যু’ক্তরাজ্য প্রবাসী জামাল মিয়া ও তার ভাই কা’মাল মিয়া। সিলেট নগরীর রায়নগর রাজবাড়ী এলাকার বাসিন্দা তারা। দেশেই তাদের কয়েক কোটি টাকার সম্পত্তি রয়েছে। দু’ভাই-ই দানশীল হিসেবে পরিচিত। তাদের স্বজন আফজল আহম’দ জানিয়েছেন- কোম্পানির বৈঠকে যোগ দিতে এবার তাদের দেশে আসা। বৈঠকের দু’দিন আগে তারা দেশে ফিরেন। এরপর ঢাকায় চলে আসেন।

গ্রে’প্তারের পর পরিবারের স্বজনরা বিষয়টি জানতে পারেন। তিনি জানান- আম’রাও মা’মলা স’ম্পর্কে কিছুই জানতাম না। কী’ কারণে তারা কারাগারে সে স’ম্পর্কেও অবগত ছিলাম না। পরে ঢাকায় এসে সব জানতে পারি। এদিকে- সিলেট ও লন্ডনের পরিচিত মুখ ওই ৭ প্রবাসী গ্রে’প্তারের খবর জানাজানি হওয়ার পর তোলপাড় শুরু হয়েছে। বিশেষ করে সিলেটের সব মহলে বিষয়টি আ’লোচিত হচ্ছে। কারণ- যে ৭ প্রবাসী গ্রে’প্তার হয়েছে তারা বিভিন্নভাবে সিলেটের সামাজিক বিভিন্ন কর্মকা’ণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত।

কমিউনিটি লিডার হিসেবে পরিচিত। বালাগঞ্জের বোয়ালজুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও বালাগঞ্জ উপজে’লা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনহার মিয়া ব্যক্তিগত ভাবে চিনেন জামাল মিয়া ও কা’মাল মিয়াকে। তারা সমাজের প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তি ও ব্যবসায়ী বলে দাবি করেন তিনি। জানান- তারা কখনোই কারও সঙ্গে বিরোধে জড়ান না। সিলেট শহরে বাসা হলেও গ্রামের বাড়ির মানুষের সুখে দুঃখে সব সময় পাশে থাকেন। বিশ্বনাথের প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্টের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাই।

সিলেট ও লন্ডনে তাদের অঢেল সম্পদ। দানশীল ও পরোপকারী পরিবার হিসেবে গ্রামের বাড়ি তাতীকোনাসহ গোটা বিশ্বনাথে পরিচিত। ছাতকের মণ্ডলপুর গ্রামের বাসিন্দা জামাল উদ্দিন মখদ্দুসও সিলেটের পরিচিত মুখ। নিজের এলাকায় প্রতিষ্ঠিত করেছেন একটি হাইস্কুল। এ ছাড়া সিলেটের এডভেঞ্চার ওয়ার্ল্ডের অন্যতম পরিচালক তিনি। সিলেটে তার প্রচুর বিনিয়োগ রয়েছে। আব্দুর রাজ্জাক নগরীর উপশহরের বাসিন্দা। তিনিও একজন বিনিয়োগকারী হিসেবে পরিচিত।সৌজন্যে: মানবজমিন

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: