সর্বশেষ আপডেট : ২ ঘন্টা আগে
শনিবার, ১ অক্টোবর ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ১৬ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET
Fapperman.com DoEscorts

বৈধ চ্যানেলে টাকা না পাঠালে প্রবাসীদের স্বজনরাও আসতে পারেন আইনের আওতায়

প্রবাসীরা অ’বৈধ চ্যানেলে টাকা পাঠালে দেশে তাদের স্বজনরা আইনের আওতায় আসতে পারেন বলে জানিয়েছে পু’লিশের অ’প’রাধ ত’দন্ত বিভাগ (সিআইডি)। বৃহস্পতিবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সিআইডির প্রধান মোহাম্ম’দ আলী এক সংবাদ সম্মেলনে এই মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত প্রবাসীদের সহ’জ-সরল। তারা ক’ষ্ট করে রেমিট্যান্স আয় করেন। কিন্তু প্রবাসীর এই রেমিট্যান্স দেশে আসছে না। পাচার হয়ে যাচ্ছে। আম’রা ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে অ’বৈধ মোবাইল ব্যাংকিং এজেন্ট ১৬ জনকে গ্রে’প্তার করেছি। তারা অ’বৈধভাবে টাকা পাচার চক্রের সঙ্গে জ’ড়িত।

তিনি বলেন, আম’রা জানি সহ’জ-সরল প্রবাসীরা হয়তো জানেও না যে এটা অ’প’রাধ। কিন্তু আইন সবার জন্য সমান। আম’রা মা’মলা ত’দন্ত করতে গিয়ে যদি দেখি কেউ অ’বৈধভাবে টাকা পাঠিয়েছে ও গ্রহণ করেছে তাহলে তাদের বি’রুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে হবে। তবে আম’রা তা চাই না। আমাদের প্রবাসীরা তাদের ক’ষ্টার্জিত অর্থ ব্যাংকের মাধ্যমে পাঠালে ব্যাংক থেকে ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা দেয়।

তিনি বলেন, দেশব্যাপী আমাদের মনিটরিং অব্যাহত থাকবে। যতোদিন আমাদের প্রবাসীরা যথাযথ চ্যানেলে টাকা না পাঠাবে ততোদিন আমাদের এই অ’ভিযান অব্যাহত থাকবে। যারা প্রবাসে আছেন তারা নিশ্চয়ই এই বার্তা পাবেন। তারা ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে বৈধ চ্যানেলে টাকা পাঠাবেন।

তিনি বলেন, আম’রা টার্গেট করে তিনটি গ্রুপকে গ্রে’প্তার করেছি। অন্যরা ইতোমধ্যে এই অ’বৈধ পথ ছেড়ে আসতে শুরু করেছে। আশা করি দু’একদিনের মধ্যে ৫০/৬০ শতাংশ ব্যক্তি সরে আসবে। আম’রা পর্যবেক্ষণ করছি।

যেভাবে টাকা পাচার হচ্ছে

প্রবাসীদের উপার্জিত রেমিট্যান্স দেশে না এসে উল্টো দেশ থেকে টাকা পাচার হয়ে যাচ্ছে। সিআইডি প্রধান বলেছেন, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের অ’বৈধ এজেন্টরা তিনটি ভাগে ভাগ হয়ে অ’বৈধ হুন্ডি করে থাকে। বিদেশে তাদের একটি চক্র প্রবাসীদের কাছ থেকে ডলার সংগ্রহ করে। সেই চক্রের বাংলাদেশি এজেন্টরা টাকা পাচারকারীদের কাছ থেকে সমপরিমাণ অর্থ সংগ্রহ করে প্রবাসীদের স্বজনদের পরিশোধ করে। পরে টাকা পাচারকারী বিদেশের এজেন্টের কাছ থেকে টাকা নিয়ে নেয়। এভাবে কোটি কোটি টাকা দেশ থেকে কালোটাকার মালিকরা পাচার করছে। অ’পরদিকে বাংলাদেশ রেমিট্যান্স হারাচ্ছে। যা আইনের চোখে অ’প’রাধ।

সিআইডি প্রধান জানান, মোবাইল ব্যাংকিং সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর (এমএফএস) প্রায় পাঁচ হাজার অ’বৈধ এজেন্ট রয়েছে সারাদেশে। এদের কারণে গত এক বছরে প্রায় ৭৫ হাজার কোটি সমপরিমাণ টাকা পাচার হয়েছে। এজেন্টরা হুন্ডির মাধ্যমে এই টাকা পাচার করেছে। এর কারণে গত চার মাসে বাংলাদেশ প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকার সমপরিমাণ রেমিট্যান্স থেকে বঞ্চিত হয়েছে। যা ইউএস ডলারে ৭ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলারের (৭৮০ কোটি) মতো।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: