সর্বশেষ আপডেট : ১ ঘন্টা আগে
বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET
Fapperman.com DoEscorts

অসহায় মালয়েশিয়া প্রবাসীদের সেবায় একজন জহির

প্রবাসে মানুষের ডাকে সাড়া দিয়ে মানবতার পাশে দাঁড়ান জহির। অসহায় প্রবাসীদের সেবাই যেন তার ধ্যানজ্ঞান। সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে ছুটে যাচ্ছেন প্রবাসীদের কাছে। ‘মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য’ এই বিখ্যাত উক্তিটি যেন মিলে যায় জহিরুল ইস’লাম জহিরের সঙ্গে।

বৈশ্বিক করো’না মহামা’রি সময় সৃষ্ট সমস্যা মোকাবিলায় প্রবাসী জনহিতৈষীদের পাশাপশি অসহায় মানুষের পাশে থেকে রাত-বিরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন জহির। দিয়েছেন খাদ্য সহায়তা। করো’না মহামা’রি সময়ে কেউ ঘর থেকে বের হতে পারেনি। কিন্তু জহির যেখানেই শুনেছেন প্রবাসী করো’নায় আ’ক্রান্ত হয়েছেন, (হাসপাতা’লে) সেখানেই ছুটে গেছেন।

যারা মৃ’ত্যুবরণ করেছেন, তাদের আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সেবক হয়ে হাসপাতাল ,দূতাবাস ও বিভিন্ন কবরস্থান পর্যন্ত ছোটাছুটি করেছেন। অ’সুস্থ রোগী, ম’রদেহ দাফন ও দেশে পাঠানোসহ প্রায় ৩০০ এর বেশি প্রবাসীকে সহযোগিতা করেছেন। এ মানবিক কাজে কুয়ালালামপুর হাসপাতালসহ একাধিক হাসপাতা’লের স্বেচ্ছাসেবিরা জহিরকে এক নামে চেনেন।

শরীয়তপুরের সখিপুর থা’নার চরভাগা ঢালী কান্দির মৃ’ত হারুন অর রশিদ বেপারীর ছে’লে মো. জহিরুল ইস’লাম জহির (৪২), ২০০৫ সালে স্টুডেন্ট ভিসায় পাড়ি জমান মালয়েশিয়ায়। লেখাপড়ার পাশাপাশি তখন ব্যবসায়ও জড়িয়ে পড়েন। ব্যস্ততার মধ্যেও ২০০৭ সাল থেকেই অসহায় প্রবাসীদের সহায়তায় এগিয়ে আসেন।

শনিবার (১১ জুন) কথা হলে জহির বলেন, ঢাকাতে থাকাকালীন যখন কলেজে ভর্তি হলাম তখন থেকেই বিভিন্নভাবে সামাজিক কাজে এগিয়ে যেতাম। ২০০৫ সালে যখন মালয়েশিয়া আসি তখন থেকে প্রবাসে সাধারণ লোকজনের অসহায়ত্ব দেখে যেভাবেই হোক তাদের পাশে দাঁড়াতাম।

তবে ২০০৭ সালের কলিং ভিসায় হাজার হাজার বাংলাদেশি কর্মী অনাহারে, অর্ধাহারে রাস্তায় শুয়ে থাকতো তখন থেকেই আরো বেশি মানবসেবায় এগিয়ে যাই। তখন আমি ছাত্রলীগ করতাম। বর্তমানে মালয়েশিয়া যুবলীগের কার্যনির্বাহী সদস্য।

জহির বলেন, বর্তমান সময়ে বেশিরভাগ মানুষ রাজনৈতিক নেতাদের বিভিন্নভাবে খা’রাপ মন্তব্য করে থাকেন। তার মতে রাজনীতি করতে হলে সত্যিকারের জনসেবা করতে হয়।

তবে রাজনৈতিক নেতাদের উচিত সাধারণ মানুষের ভালোবাসা পেতে হলে সততার দিক থেকে মানবতার কাজে এগিয়ে যাওয়ার কথা ব্যক্ত করে জহিরুল ইস’লাম জহির বলেন, সত্যি কথা বলতে গেলে সামাজিক কাজগুলো এখন আমা’র নে’শায় পরিণত হয়ে গেছে।

একজন অসহায় মানুষের উপকার করতে পারলে নিজের আত্মায় শান্তি লাগে। মানবিক কাজে নেমে অনেক ধরনের অ’ভিজ্ঞতা হয়েছে। মালয়েশিয়াতে থাকেন প্রবাসী বাংলাদেশের এমন কোনো জে’লায় নেই একজন লোকের পাশে আমি দাঁড়াইনি।

শত শত পরিবারের লোকজন বাংলাদেশ থেকে ফোন করে এক নজর আমাকে দেখতে চায় তখন মনে মনের আত্মতৃপ্তি পাই, এটাই আমা’র জীবনের স্বার্থকতা। যখন ফোন করে লোকজন বলেন, বাবা, ভাই আমি তাহাজ্জুদ ও ফজর নামাজ পড়ে তোমা’র ও তোমা’র পরিবারের জন্য দোয়া করেছেন তখন মনে হয় আল্লাহকে রাজি খুশি করার জন্য ভালো একটা কিছু করতে পেরেছি।

জহির বলেন, যেখানেই থাকি মৃ’ত্যুর আগ পর্যন্ত মানবতার কাজে যেন নিয়োজিত থাকতে পারি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: