সর্বশেষ আপডেট : ৪ ঘন্টা আগে
রবিবার, ২৬ জুন ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ১২ আষাঢ় ১৪২৯ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET
Fapperman.com DoEscorts

রাজধানীর হোটেলে গরুর মাংসের পরিবর্তে কী খাচ্ছেন

ভা’রত থেকে আনা মহিষের মা’থার মাংস ঢাকায় হয়ে যাচ্ছে গরুর মাংস। আম’দানির দোহাই দিলেও নেই কোনো কাগজপত্র। উৎপাদন আর মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখেও কারসাজি। মাংস ব্যবসায়ীরাই বলছেন, রাজধানীর অধিকাংশ হোটেল-রেস্তোরাঁয় এই মহিষের মা’থার মাংসই ভোক্তার প্লেটে তুলে দেয়া হচ্ছে গরুর মাংস বলে।

রাজধানীতে গরুর মাংসের কথা বলে বিক্রি করা হচ্ছে আম’দানি করা মহিষের মা’থার মাংস তাও আবার মেয়াদোত্তীর্ণ। এমন খবরের সত্যতা যাচাই করতে লালবাগের ভাটা ম’সজিদ এলাকার একটি বাড়িতে সময় সংবাদ।

পাওয়া গেল ফ্রিজভর্তি মাংসের প্যাকেট। প্যাকে’টের গায়ে লেখা আল তামাম। বাফেলো হেড মিট। অর্থাৎ মহিষের মা’থার মাংস। ইংরেজি ও আরবিতে সব লেখা থাকলেও উৎপাদন আর মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ বাংলায়। ফ্রিজেই পাওয়া গেল আলাদা চর্বি। এই চর্বি মেশানো হয় মাংসের সঙ্গে। মাংস সাইজ করার পর তা পলিথিনের আলাদা প্যাকে’টে করে সরবরাহ করা হয় হোটেল-রেস্টুরেন্টে। মাংসভর্তি পলিথিনের প্যাকেটও পাওয়া গেল ফ্রিজে।

আরেকটি ফ্রিজেও মিলল মাংস। ব্যবসায়ীদের সহ’জ স্বীকারোক্তি এসব মাংসই তারা সরবরাহ করেন রাজধানীর বিভিন্ন খাবারের হোটেলে। হোটেল মালিকরা চালান গরুর মাংস বলে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, এগুলো মহিষের মাংস। হোটেল মালিকদের কাছে মাহিষের মাংস বলেই বিক্রি করি। কিন্তু তারা সেগুলোকে মহিষ না গরু বলে বিক্রি করে, তা জানি না।

নবাবগঞ্জ বাজারেও পাওয়া যায় মহিষের মা’থার মাংস। পরিচয় গো’পন রেখে সময় সংবাদের সঙ্গে কথা হয় কয়েকজন মাংসের দোকানদারের, মেলে সত্যতা।

রাজধানীর কা’ম’রাঙ্গীরচরের পূর্ব রসুলপুরের একটি বাড়িতে গিয়ে কয়েকটি ফ্রিজে পচা মাংস পাওয়া গেল। জানা গেল অনেক মাংসের সঙ্গে এ পচা মাংস মেশানোর পর সরবরাহ করা হবে হোটেলে।

এক সময় মাংসের ব্যবসা করতেন এমন একজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, কী’ভাবে নিম্নমানের মেয়াদোত্তীর্ণ এসব মহিষের মাংস গরুর মাংস হয়ে যায়।

তিনি বলেন, কোম্পানি থেকে আসে। মাংস ব্যবসায়ীরা ২৫০ টাকা কেজিদরে কেনে। পরে হোটেলে দেয়ার সময় র’ক্ত ও চর্বি মিশিয়ে ৫৫০ টাকা করে বিক্রি করা হয়। বিশেষ করে নিউমা’র্কেট, পলা’শী, কা’ম’রাঙ্গীরচর, হাজারীবাগ ও নবাবগঞ্জ বাজারে বিক্রি করা হয়। এসবের ডিলার কাপ্তান বাজারের সাইদ মাহাজন। তার কাছ থেকেই বর্তমানে এসব এলাকার জন্য মাংস আনা হয়।

প্রা’ণিসম্পদ অধিদফতর বলছে, নতুন নীতি অনুযায়ী এখন আর কেউ মাংস আম’দানি করতে পারবে না।

প্রা’ণিসম্পদ অধিদফতরের মহাপরিচালক ডা. মনজুর মোহাম্ম’দ শাহ’জাদা বলেন, ‘গত মাসেই আম’দানি-রফতানির বাণিজ্য নীতি অনুমোদন হলো। তারপর থেকেই অনেক দরখাস্তই আমা’র দফতরে এসেছে। কিন্তু একটিতেও এ ধরনের মাংস আম’দানির অনুমতি দেইনি।’

খাবার অযোগ্য এসব মাংস মানবস্বাস্থ্যের জন্য যেমন ক্ষতিকর, তেমনি মিথ্যা গরুর মাংস বলে অধিক লাভবান হচ্ছে অসাধুচক্র।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: