সর্বশেষ আপডেট : ২ ঘন্টা আগে
বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ১৩ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET
Fapperman.com DoEscorts

ডিআইজি মিজানের জামিন

ঘুষ লেনদেনের মা’মলায় তিন বছরের কারাদ’ণ্ডপ্রাপ্ত পু’লিশের বরখাস্তকৃত উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানকে ২ মাসের জামিন দিয়েছেন হাই’কোর্ট।

বুধবার (১৩ এপ্রিল) বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাই’কোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আ’দালতে মিজানের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মাহবুব শফিক। দুদকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী খুরশিদ আলম খান।

এর আগে ৬ এপ্রিল ঘুষ লেনদেনের মা’মলায় তিন বছরের কারাদ’ণ্ডপ্রাপ্ত ডিআইজি মিজানুর রহমানের খালাস চেয়ে আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেন হাই’কোর্ট।

গত ৪ এপ্রিল নিম্ন আ’দালতের রায়ের বি’রুদ্ধে হাই’কোর্টে আপিল দায়ের করেন ডিআইজি মিজানুর রহমান। আপিলে তিনি তিন বছরের সাজা থেকে খালাস চেয়েছেন।

গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ঘুষ নেওয়ার কারণে দু’র্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মা’মলায় দুদকের বরখাস্ত পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরকে আট বছর ও পু’লিশের বরখাস্ত উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানকে তিন বছর কারাদ’ণ্ড দেন আ’দালত।

ঢাকার বিশেষ জজ আ’দালত-৪ এর বিচারক শেখ নাজমুল আলম এ রায় দেন। এর মধ্যে ঘুষ লেনদেনের অ’ভিযোগে মিজানকে দ’ণ্ডবিধির ১৬১ ধারায় ও বাছিরকে দ’ণ্ডবিধির ১৬৫(এ) ধারায় তিন বছর করে বিনাশ্রম কারাদ’ণ্ড দেওয়া হয়। অ’পরদিকে মানি লন্ডারিং আইনের ৪ ধারায় বাছিরকে পাঁচ বছর কারাদ’ণ্ড ও ৮০ লাখ টাকা জ’রিমানা করা হয়েছে।

৪০ লাখ টাকার ঘুষ কেলেঙ্কারির অ’ভিযোগে ২০১৯ সালের ১৬ জুলাই দুদকের ঢাকা সমন্বিত জে’লা কার্যালয়-১ এ দুদকের পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্লাহ বাদী হয়ে মা’মলা’টি করেছিলেন। ২০২০ সালের ১৯ জানুয়ারি তাদের বি’রুদ্ধে আ’দালতে চার্জশিট দাখিল করেন দুদকের একই কর্মক’র্তা।

২০১৯ সালের ৯ জুন একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে প্রচারিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ডিআইজি মিজানের বি’রুদ্ধে পরিচালিত দু’র্নীতির অনুসন্ধান থেকে দায়মুক্তি পেতে দুদক পরিচালক বাছিরকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ দিয়েছিলেন ডিআইজি মিজান। ঘুষ লেনদেন সংক্রান্ত কথোপকথন রেকর্ড করে ওই চ্যানেলকে দিয়েছিলেন মিজান। ডিআইজি মিজানও এ বিষয়ে নিজেই গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দেন। অ’বৈধ সম্পদ অর্জনের মা’মলা থেকে বাঁচতে ওই অর্থ ঘুষ দেন বলে ডিআইজি মিজান দাবি করেন।

এ প্রতিবেদন প্রচারিত হওয়ার পর দুদক সংস্থার সচিব মুহাম্ম’দ দিলোয়ার বখতকে প্রধান করে তিন সদস্যের উচ্চ পর্যায়ের ত’দন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটি ২০১৯ সালের ১০ জুন প্রতিবেদন জমা দেয়। প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে পরিচালক বাছিরকে দুদকের তথ্য অ’বৈধভাবে পাচার, চাকরির শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও সর্বোপরি অসদাচরণের অ’ভিযোগে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করে কমিশন।

এরপর ২০১৯ সালের ১৬ জুলাই দুদক পরিচালক ও অনুসন্ধান টিমের দলনেতা শেখ মো. ফানাফিল্লাহ মানি লন্ডারিং আইনে সংস্থার ঢাকা-১ সমন্বিত জে’লা কার্যালয়ে মা’মলা’টি দায়ের করেন। একই বছর ২২ জুলাই এনামুল বাছিরকে গ্রে’প্তার করে দুদকের একটি দল। সেই থেকে তিনি কারাগারে। অ’পরদিকে দু’র্নীতির মা’মলায় গ্রে’প্তার ডিআইজি মিজানকে এ মা’মলায়ও গ্রে’প্তার করা হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: