সর্বশেষ আপডেট : ৫ ঘন্টা আগে
বৃহস্পতিবার, ৬ অক্টোবর ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ২১ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET
Fapperman.com DoEscorts

শখের বসে প্রথমবারেই তরমুজ চাষে সফল জুড়ীর খোরশেদ

মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজে’লার লা’ঠিটিলার ডোমাবাড়ি গ্রামের খোরশেদ আলমের ইউটিউব দেখে হলুদ তরমুজ চাষের শখ জাগে। পরীক্ষামূলক ভাবে প্রথমবারের মতো চাষ করেই সফল হয়েছেন তিনি।

জানা যায়, ইউটিউব দেখে উদ্বুদ্ধ হয়ে তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে হলুদ তরমুজের চাষ শুরু করেন। প্রথমবারের চাষেই ভালো ফলন হয়েছে। হলুদ তরমুজ দেখতে আশপাশের এলাকা থেকে মানুষ তার ক্ষেতে ছুটে আসছেন।

অনেকেই আগামীতে এই তরমুজ চাষ করার আগ্রহ প্রকাশ করে খোরশেদ আলমের কাছে থেকে পরাম’র্শ নিচ্ছেন। নতুন এই প্রজাতির তরমুজ দেখতে সুন্দর, আবার স্বাদ ও সুগন্ধিও বেশ। এ কারণে এই তরমুজের চাহিদাও ভাল।

জে’লা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, মৌলভীবাজার জে’লায় ১৬ হেক্টর জমিতে তরমুজের চাষ হয়েছে। তার মধ্যে এক হেক্টর জমিতে এই হলুদ তরমুজের চাষ হয়েছে।

তরমুজ চাষি খোরশেদ আলম বলেন, ইউটিউব দেখে উদ্বুদ্ধ হয়ে আমি ব্যক্তিগত উদ্যোগে এই হলুদ তরমুজের চাষ শুরু করি। ইউটিউবে এই তরমুজের ফলন দেখে খুব শখ জাগলো। তাই চিন্তা করলাম একবার পরীক্ষা করেই দেখি। এরপর সাহস করে বীজ ক্রয় করি। ছয় শতাংশ জায়গায় বীজ বপণ করি। ফলনও ভালো হয়। ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ২১৬টির মতো হলুদ তরমুজ আসে।

তিনি বলেন, এই ফসল চাষ করতে সব মিলিয়ে ব্যয় হয়েছে আট হাজার টাকার মতো। ফল থেকে আয় এসেছে প্রায় ৫০ হাজার টাকার মতো। মাত্র তিন মাসেই এর ফলন পাওয়া যায়। জুড়ী উপজে’লার আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এখানে এর ভালো ফলন হচ্ছে। এই তরমুজ চাষে নিজের পরিবারের চাহিদা মিটিয়ে বাণিজ্যিক ভাবে স্বাবলম্বী হওয়ারও সুযোগ রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, যারা বেকার রয়েছেন তারা এই ফল চাষ করে তাদের বেকারত্ব দূর করতে পারেন। মাত্র তিন মাস সময় সঠিক ভাবে পরিচর্যা করলে এক বিঘা জমিতে পাঁচ লাখ টাকার মতো ফলন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আমি এই ফল চাষ করি আমা’র পারিবারিক চাহিদার জন্য। ফলন হবার পর এর চাহিদা ব্যাপক বেড়ে যায়। যার জন্য অনেককেই ফলটি দেওয়া যায়নি। তবে তিনি আগামীতে এটি বাণিজ্যিক ভাবে চাষ করবো।

উপজে’লা কৃষি কর্মক’র্তা কৃষিবিদ মো. জসিম উদ্দিন বলেন, হলুদ তরমুজ উচ্চ’মূল্যের ফসল। এটি হাইব্রিড জাতীয়। উৎপাদন ব্যবস্থা দেশি তরমুজের মত। হলুদ তরমুজে পুষ্টি উপাদান বেশি। এর ভেতরটা কম্প্রেসড বা ঠাসা থাকে। এটিতে ভিটামিন এ রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ফলটি অনেক মিষ্টি। জুড়ীর মাটি ও আবহাওয়া উপযোগী হওয়ায় ফলটি চাষের সম্ভাবনা অনেক। আগামীতে হলুদ তরমুজ চাষ সম্প্রসারণে কাজ করবে কৃষি বিভাগ।

জে’লা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কাজী লুৎফুল বারী বলেন, ফলটি ভিন্ন রঙের হওয়ায় দেখতে আকর্ষণ করে। স্বাদে খুবই মিষ্টি। দেখলেই খেতে ইচ্ছে করে। উচ্চফলনশীল এ হলুদ তরমুজে ভিটামিন ‘এ’ ও ‘সি’ রয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: