সর্বশেষ আপডেট : ৪ ঘন্টা আগে
সোমবার, ৩ অক্টোবর ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ১৮ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET
Fapperman.com DoEscorts

সুনামগঞ্জে গ্রামবাসীর চেষ্টায় রক্ষা পেল ২ হাজার একর জমির বোরো ধান

সুনামগঞ্জের ধ’র্মপাশা উপজে’লার একটি হাওরে ফসল রক্ষা বাঁধের পানিনিষ্কাশন যন্ত্র মেরামত করে প্রায় দুই হাজার একর জমির বোরো ধান রক্ষা করেছেন স্থানীয় লোকজন। শুক্রবার দিবাগত রাত একটার পর উপজে’লার চন্দ্র সোনার থাল হাওরের কা’টাখালী ফসল রক্ষা বাঁধসংলগ্ন পানিনিষ্কাশনের যন্ত্রটিতে ফাটল ধরলে গ্রামবাসী মিলে বস্তা বস্তা মাটি ও বালু ফেলে তা সংস্কার করেন।

উপজে’লা প্রশাসন ও এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন উপজে’লার চন্দ্র সোনার থাল হাওরের কা’টাখালী ফসল রক্ষা বাঁধের কাছে একটি পানিনিষ্কাশন যন্ত্র আছে। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না করায় সেটিতে ফাটল ধরে। শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে স্থানীয় কাউনাই নদের পানি ধীরে ধীরে এই ফাটল দিয়ে হাওরে ঢুকতে শুরু করে। একসময় পানির চাপ বাড়তে থাকে।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের মোকাররম হোসেন দ্রুত ধ’র্মপাশার ইউএনও মো. মুনতাসির হাসানকে বিষয়টি ফোন করে জানান। রাত সোয়া একটার দিকে সেখানে উপস্থিত হন ইউএনও। রাত সাড়ে তিনটা পর্যন্ত সুখাইড় রাজা’পুর দক্ষিণ ইউনিয়নের রাজা’পুর নয়াহাটি, মুক্তারপুর ও গাজীনগর গ্রামের শতাধিক লোক সেখানে বস্তাভর্তি মাটি ফেলে হাওরে পানি প্রবেশ আ’ট’কাতে পারেন।

সুখাইড় রাজা’পুর দক্ষিণ ইউনিয়নের রাজা’পুর গ্রামের বাসিন্দা নাদিম কবীর বলেন, ‘ঘটনাটি জানার সঙ্গে সঙ্গে ম’সজিদে ম’সজিদে মাইকিং করে হাওরের ফসল রক্ষায় কৃষকসহ সব শ্রেণি–পেশার লোকজনকে সেখানে আসার জন্য বলা হয়। ইউএনও স্যারের উপস্থিতিতে রাত সাড়ে তিনটা পর্যন্ত শতাধিক লোককে নিয়ে কাজ করে আম’রা নদীর পানি হাওরে যাতে না ঢুকতে পারে, সে জন্য মাটি ও বালুর বস্তা ফেলেছি।’

সুখাইড় রাজা’পুর দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মোকাররম হোসেন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বাঁধের এই যন্ত্র সংস্কার করা হচ্ছিল না। এ অবস্থায় ম’রিচা ধরে এটির একাংশে ফাটল দেখা দেয়। ইউএনওর তৎপরতায় ও স্থানীয় গ্রামবাসীর চেষ্টায় এখানকার বড় বিল, চাতল ও বাইরবন হাওরের প্রায় দুই হাজার একর জমির বোরো ধানডুবির হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের সুনামগঞ্জ কার্যালয়ের উপসহকারী প্রকৌশলী ও উপজে’লা কাবিটা প্রকল্প বাস্তবায়ন ও পর্যবেক্ষণ কমিটির সদস্যসচিব মো. ইম’রান হোসেন বলেন, পানিনিষ্কাশন যন্ত্রটির একাংশে ম’রিচা ধরে এটিতে ফাটল ধরে যাওয়ায় ফাটলকৃত স্থান দিয়ে নদীর পানি ধীরে ধীরে হাওরে ঢুকছিল। স্থানটি দিয়ে যাতে হাওরে পানি ঢুকতে না পারে, সে জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

উপজে’লা নির্বাহী কর্মক’র্তা (ইউএনও) মো. মুনতাসির হাসান বলেন, এ উপজে’লার মানুষজন হাওরের একমাত্র বোরো ফসলের ওপর নির্ভরশীল। তাই হাওরের বোরো ফসল রক্ষায় উপজে’লা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব রকম প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: