সর্বশেষ আপডেট : ২ মিনিট ১২ সেকেন্ড আগে
সোমবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ১১ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET
Fapperman.com DoEscorts

এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে গৃহবধূ গণধর্ষণ : ‘গলাটিপে’ ধরা হয়েছে মামলার!

সিলেট এমসি কলেজে স্বামীকে আ’ট’কে রেখে গৃহবধূকে গণধ’র্ষণ মা’মলা কার্যক্রম কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। গত বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি মা’মলা’টি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থা’নান্তরের সিদ্ধান্ত নেয় চাঞ্চল্যকর ও লোমহর্ষক মা’মলার জে’লা মনিটরিং কমিটি। কিন্তু, দীর্ঘ এক বছর অ’তিবাহিত হলেও এর কোনো অগ্রগতি নেই।

করো’নাকালীন লকডাউনের পর নারী ও শি’শু নি’র্যা’তন দমন ট্রাইব্যুনালে মা’মলার ধার্য তারিখ থাকলেও কোনো আ’সামিকে আ’দালতে আনা হচ্ছে না। ফলে মা’মলার ভবিষ্যৎ নিয়ে বাদীপক্ষের মধ্যে সংশয় দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।

বাদীপক্ষের আইনজীবী প্যানেলের প্রধান এডভোকেট শহীদুজ্জামান চৌধুরী জানিয়েছেন, গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে মা’মলা’টি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে প্রেরণ করতে জে’লা চাঞ্চল্যকর ও লোমহর্ষক মা’মলার মনিটরিং কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। অথচ, এক বছর পেরিয়ে গেলেও এর কোনো অগ্রগতি নেই। মা’মলাকে ‘গলা’টিপে শ্বা’সরোধ’ করা হচ্ছে। অ’তীতে কোনো মা’মলা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে যেতে এতো দীর্ঘ সময় অ’তিবাহিত হওয়ার কোনো নজির নেই। সর্বশেষ কোন পর্যায়ে রয়েছে তাও জানা সম্ভব হচ্ছে না। বিষয়টি নিয়ে এক ধরনের ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। এখন আ’সামিদেরকেও আর আ’দালতে আনা হয় না। গতকালও (সোমবার) মা’মলার ধার্য তারিখ ছিল। কিন্তু কোনো আ’সামিকে আনা হয়নি আ’দালতে।

সিলেটের নারী ও শি’শু নি’র্যা’তন দমন ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট রাশিদা সাঈদা খানম জানান, গত বছর গণধ’র্ষণের মা’মলার অ’ভিযোগ গঠন করা হয়েছে। এখনো চাঁদাবাজি ও অ’স্ত্র আইনের মা’মলার অ’ভিযোগ গঠন করা বাকি রয়েছে। এই মা’মলার অ’ভিযোগ গঠন করার পরে মা’মলা দুটির বিচার কার্যক্রম একসাথে চলবে। তবে, কবে নাগাদ অ’ভিযোগ গঠন করা হতে পারে- এর নির্দিষ্ট কোনো দিন-তারিখ তিনি জানাতে পারেননি।

এ বিষয়ে মা’মলার সিলেট জে’লা মনিটরিং কমিটির সদস্যসচিব ও গোয়াইনঘাট সার্কেলের অ’তিরিক্ত পু’লিশ সুপার প্রভাস কুমা’র সিংহ জানিয়েছেন, মা’মলা’টি ভুলবশত দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে প্রেরণের কথা লেখা হয়েছিল। ওই সভায় মূলত মা’মলা’টির বিচার কার্যক্রম দ্রুত নিষ্পত্তির জন্যে আলোচনা হয়। যাতে আলামত ঠিকভাবে সংরক্ষণ করা হয়, সাক্ষীদেরকে যথাসময়ে আ’দালতে হাজির করা হয়। প্রয়োজনীয় আইনগত সহযোগিতা প্রদান করতে সভায় অংশগ্রহণকারীরা আলোচনা করেন। পরবর্তী সভায় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে প্রেরণের কথা সংশোধন করা হয়েছে। দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে প্রেরণের প্রয়োজন নেই। যেহেতু এখানে আলাদাভাবে নারী ও শি’শু নি’র্যা’তন দমন ট্রাইব্যুনাল রয়েছে। এই ট্রাইব্যুনালেই মা’মলার বিচার কার্যক্রম নিষ্পত্তি হবে। ওই সভা’র পরে এই কমিটি মা’মলা’টির ব্যাপারে আর কোনো আলোচনা করেনি। তবে, এটি একটি আ’লোচিত ও চাঞ্চল্যকর মা’মলা। যাতে দ্রুততম সময়ে মা’মলার কার্যক্রম নিষ্পত্তি করে, ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা যায়- এজন্যে সংশ্লিষ্টদের সাথে আম’রা আলোচনা করতে পারি।

বাদীপক্ষ সূত্র জানায়, গত বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি সিলেটের তৎকালীন জে’লা প্রশাসক এম কাজী এম’দাদুল ইস’লামের সভাপতিত্বে চাঞ্চল্যকর ও লোমহর্ষক মা’মলার জে’লা মনিটরিং কমিটির সভায় এমসি কলেজের হোস্টেলে গৃহবধূকে গণধ’র্ষণ মা’মলা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে প্রেরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর ইতোমধ্যে এক বছর পেরিয়ে গেছে। কিন্তু এ বিষয়ে আর কোনো অগ্রগতি নেই। জে’লা মনিটরিং কমিটির সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আদৌ পৌঁছেছে কিনা এ বিষয়েও কারো নিকট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। বাদীপক্ষের আইনজীবীগণ বিষয়টির সর্বশেষ তথ্য জানতে অনেক চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন।

গতকাল সোমবার সিলেটের নারী ও শি’শু নি’র্যা’তন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মোহিতুল হক চৌধুরীর আ’দালতে মা’মলার ধার্য তারিখ ছিল।
কিন্তু, কোনো আ’সামিকে আ’দালতে আনা হয়নি। লকডাউনের পর আ’দালতের কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চললেও কোনও ধার্য তারিখে আ’সামিদেরকে নিয়ে আসা হয়নি। বর্তমানে মা’মলার কার্যক্রম কার্যত অচল হয়ে পড়েছে বলে বাদীপক্ষের আইনজীবী প্যানেলের প্রধান অ্যাডভোকেট শহীদুজ্জামান চৌধুরী জানিয়েছেন।

সূত্র জানায়, গত বছরের ১৭ জানুয়ারি রোববার সিলেটের নারী ও শি’শু নি’র্যা’তন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মোহিতুল হক চৌধুরীর আ’দালতে সকল আ’সামির উপস্থিতিতে অ’পহ’রণ, গণধ’র্ষণ ও গণধ’র্ষণে সহায়তার অ’ভিযোগে নারী ও শি’শু নি’র্যা’তন দমন আইনে অ’ভিযোগ গঠন করা হয়।

অ’ভিযোগ গঠনের পর ২৭ জানুয়ারি মা’মলার সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য্য করেছিলেন আ’দালত। কিন্তু, বাদীপক্ষ উচ্চ আ’দালতে একসাথে একই আ’দালতে মা’মলা দুটি চালানোর আবেদন করে। আবেদনটি সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত সাক্ষীরা সাক্ষ্য দিতে যাননি। ওইদিন সিলেটের নারী ও শি’শু নি’র্যা’তন দমন ট্রাইব্যুনালে প্রথম সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ থাকার পরও ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিতে যাননি মা’মলার বাদীসহ পাঁচ সাক্ষী। এরপর ৭ ফেব্রুয়ারি পুনরায় সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ ধার্য করেন আ’দালত। ওইদিন গ্রে’প্তারী পরোয়ানামূলে মা’মলার বাদীকে সাক্ষ্য দেয়ার জন্য আ’দালতে ধরে নিয়ে আসে পু’লিশ। ওইদিন উচ্চ আ’দালত শুনানি শেষে আদেশ দেন। তাৎক্ষণিকভাবে উচ্চ আ’দালতের আদেশের কপি সরবরাহ করা হলে সাক্ষ্য গ্রহণ না করে বাদীকে ছেড়ে দেয়া হয়।

এদিকে, গেল বছরের ২৪ জানুয়ারি আ’দালতে দুটি মা’মলার বিচারকাজ একসঙ্গে শুরু করার আবেদন করেছিলেন বাদীপক্ষ। শুনানি শেষে বিচারক আবেদনটি খারিজ করে দেন। এরপর বাদীপক্ষ মা’মলা দুটির বিচার কার্যক্রম একই আ’দালতে সম্পন্নের জন্য চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে উচ্চ আ’দালতে একটি ফৌজদারি বিবিধ মা’মলা করেন। ফৌজধারি বিবিধ মা’মলা নম্বর -৮৯৫২/২০২১। ওই বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি হাই’কোর্টের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের ভা’র্চ্যুয়াল বেঞ্চ এ মা’মলার শুনানি করেন। শুনানি শেষে আ’দালত মা’মলা দুটির বিচার কার্যক্রম একসাথে একই আ’দালতে সম্পন্নের আদেশ দেন।

আ’লোচিত এই গণধ’র্ষণের ঘটনায় সিলেটের বালাগঞ্জ উপজে’লার চান্দাইপাড়ার তাহিদ মিয়ার পুত্র সাইফুর রহমান (২৮), হবিগঞ্জ জে’লার সদর উপজে’লার বাগুনীপাড়ার শাহ জাহাঙ্গির মিয়ার পুত্র শাহ মো. মাহবুবুর রহমান রনি (২৫), দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজে’লার উমেদনগরের মৃ’ত রফিকুল ইস’লামের পুত্র তারেকুল ইস’লাম তারেক (২৮), জকিগঞ্জের আটগ্রামের মৃ’ত অমলেন্দু লস্কর ওরফে কানু লস্করের পুত্র অর্জুন লস্কর (২৬), দিরাই উপজে’লার বড়নগদীপুরের দেলোয়ার হোসেনের পুত্র রবিউল ইস’লাম (২৫), কানাইঘাট উপজে’লার লামা দলইকান্দির (গাছবাড়ী) সালিক আহম’দের পুত্র মাহফুজুর রহমান মাসুম (২৫), সিলেট নগরীর গো’লাপবাগ আবাসিক এলাকার (বাসা নং-৭৬) মৃ’ত সোনা মিয়ার পুত্র আইনুদ্দিন ওরফে আইনুল (২৬) ও বিয়ানীবাজার উপজে’লার নটেশ্বর গ্রামের মৃ’ত ফয়জুল ইস’লামের পুত্র মিজবাউল ইস’লাম রাজনকে (২৭) অ’ভিযু’ক্ত করে দ’ন্ডবিধির ৩৪২/৩২৩/৩৭৯/৩৮৫/৩৪ ধারা তৎসহ নারী ও শি’শু নি’র্যা’তন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী, ২০০৩)এর /৭/৯/(৩) ৩০ ধারায় অ’ভিযোগপত্র গত ২০২০ সালের ৩ ডিসেম্বর আ’দালতে জমা দেয় পু’লিশ। এতে ৫২ জনকে সাক্ষী রাখা হয়। ঘটনার ২ মাস ৮ দিন পর ১৭ পৃষ্ঠার অ’ভিযোগপত্রটি আ’দালতে জমা দেয়া হয়।

গ্রে’প্তারকৃত এই ৮ আ’সামির সকলেই অকপটে আ’দালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানব’ন্দি দেয়। ৮ আ’সামির মধ্যে, সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান রনি, তারেকুল ইস’লাম তারেক ও অর্জুন লস্কর, মিজবাহুল ইস’লাম রাজন ও আইনুদ্দিন ওরফে আইনুল ১৯ বছর বয়সী ওই নববধূকে সরাসরি ধ’র্ষণ করে। রবিউল ইস’লাম ও মাহফুজুর রহমান মাসুম ধ’র্ষণে সহযোগিতা করে। ৮ আসামীর সকলেই ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিল। বর্তমানে ৮ আ’সামি সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে আ’ট’ক রয়েছে।

এদিকে, গণধ’র্ষণের ঘটনার আগে অ’স্ত্র মা’মলার অ’ভিযোগপত্র আগে জমা দেয় পু’লিশ। ঘটনার ১ মাস ২৭ দিন পর ২২ নভেম্বর অ’ভিযোগপত্রটি জমা দেয়া হয়। ছাত্রাবাস থেকে অ’স্ত্র উ’দ্ধারের ঘটনায় ছাত্রলীগ নেতা সাইফুর রহমান ও শাহ মাহবুবুর রহমান রনিকে আ’সামি করে ১৮৭৮ সালের অ’স্ত্র আইনের ১৯/১৯এ ধারায় অ’ভিযোগপত্রটি জমা দেয়া হয়।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বিকেলে দক্ষিণ সুরমা’র জৈনপুরের ২৪ বছর বয়সী এক যুবক তার ১৯ বছর বয়সী নববিবাহিতা স্ত্রী’কে নিয়ে প্রাইভেট’কারযোগে এমসি কলেজ ক্যাম্পাসে ঘুরতে যান। এর আগে শাহপরান (রহ.) মাজারও ঘুরে আসেন তারা। সন্ধ্যার পরে এমসি কলেজের প্রধান ফট’কের সামনে তারা থামেন। এ সময় কয়েক জন যুবক ওই স্বামী ও তার স্ত্রী’কে ঘিরে ধরে। এক পর্যায়ে প্রাইভেট’কারসহ তাদেরকে জো’রপূর্বক জি’ম্মি করে কলেজের ছাত্রাবাসের অভ্যন্তরে নিয়ে যায়। এরপর স্বামীকে আ’ট’কে রেখে ছাত্রাবাসের ৭নং ব্লকের ৫ম তলা বিল্ডিংয়ের সামনে প্রাইভেট’কারের মধ্যেই গৃহবধূকে ধ’র্ষণ করে। তারা দম্পতির সাথে থাকা টাকা, স্বর্ণের চেইন ও কানের দুল ছিনিয়ে নিয়ে যায়। আ’ট’কে রাখে তাদের প্রাইভেট কারও। ছাত্রাবাস থেকে টিলাগড় পয়েন্টে এসে যুবকটি পু’লিশে ফোন দেন। পু’লিশ আসতে বেশ সময়ক্ষেপণ করার সুযোগ পেয়ে ধ’র্ষকরা পালিয়ে যায়। পরে পু’লিশ নির্যাতিতাকে ওসমানী হাসপাতা’লের ওসিসিতে ভর্তি করে। ঐ রাতেই নির্যাতিতার স্বামী মাইদুল ইস’লাম বাদী হয়ে ৬ জনের নাম উল্লেখ করে অ’জ্ঞাতনামা আরো ৩-৪ জনকে আসামী করে শাহপরান (রহ:) থা’নায় মা’মলা করেন। শাহপরান (রহ:) থা’নার মা’মলা নং- ২১। তারিখ-২৬/০৯/২০২১।

দেশের অন্যতম পুরনো বিদ্যাপীঠ এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে গৃহবধূকে গণধ’র্ষণের ঘটনায় দেশব্যাপী তুমূল আ’ন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। এর প্রেক্ষিতে সরকার ধ’র্ষণের সাজার আইনের পরিবর্তন করে মৃ’ত্যুদ’ন্ডের ঘোষণা দেয়। ২০২০ সালের ১৭ নভেম্বর ধ’র্ষণের শা’স্তি মৃ’ত্যুদ’ন্ডের বিধান করে জাতীয় সংসদে ‘নারী ও শি’শু নি’র্যা’তন দমন (সংশোধন) বিল ২০২০ পাশ হয়।

গৃহবধূ ধ’র্ষণের ঘটনায় কলেজের অধ্যক্ষ সালেহ আহমেদ ও হোস্টেল সুপার জীবন কৃষ্ণ আচার্যের বি’রুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন হাই’কোর্ট। এদিকে, ধ’র্ষণের ঘটনায় কলেজ কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনায় কোনো ঘাটতি ছিল কিনা, তা খতিয়ে দেখতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ও ত’দন্ত কমিটি গঠন করেছিল।

গণধ’র্ষণের ঘটনায় দেশব্যাপী নিন্দার ঝড় ওঠে। সিলেটসহ সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে ধ’র্ষণবিরোধী তীব্র আ’ন্দোলন। ঘটনার পর এমসি কলেজের ছাত্র সাইফুর রহমান, মাহবুবুর রহমান রনি, মাহফুজুর রহমান মাসুম ও রবিউল হাসানকে কলেজ কর্তৃপক্ষ স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করে। এরপর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ও এই ৪ জনের ছাত্রত্ব ও সার্টিফিকেট বাতিল করে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: