সর্বশেষ আপডেট : ১ ঘন্টা আগে
মঙ্গলবার, ২৮ জুন ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ১৪ আষাঢ় ১৪২৯ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET
Fapperman.com DoEscorts

করোনার বুস্টার ডোজ রোববার বা সোমবার শুরু

করো’নাভাই’রাসের ট্রায়াল বুস্টার ডোজ টিকা দেওয়ার কার্যক্রম আগামী রোববার বা সোমবার থেকে শুরু হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

শুক্রবার সন্ধ্যায় মানিকগঞ্জে এক অনুষ্ঠানে স্থানীয় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা জানান।

মানিকগঞ্জ সদর উপজে’লার গড়পাড়া এলাকায় শুভ্র সেন্টারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী’, মহান বিজয় দিবস ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

করো’না টিকার প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজের পর বুস্টার ডোজ নিতে হয়।কারণ নতুন গবেষণা বলছে, আমাদের শরীর যাতে করো’নাভাই’রাসে আ’ক্রান্ত না হয়, অ্যান্টিবডির মাধ্যমে তা নিশ্চিত করে টিকা। তবে টিকা নিলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অ্যান্টিবডির কার্যকারিতা কমতে থাকে।

প্রথম ডোজ নেওয়ার তিন মাস পর করো’নার বি’রুদ্ধে টিকার কার্যকারিতা কমতে শুরু করে। আর দ্বিতীয় ডোজের ছয় মাস পর তা অনেকটাই কমে যায়। কার্যকারিতা কমে যাওয়ার কারণে ছয় মাস পর করো’নায় আ’ক্রান্ত হওয়ার ঝুঁ’কি বেড়ে যায় আগের চেয়ে ১৫ গুণ। ফলে এক বা দুই ডোজ টিকা অধিকাংশ ব্যক্তিকে গুরুতর অ’সুস্থতা থেকে সুরক্ষা দিলেও সংক্রমণ ঝুঁ’কি থাকে। তাই বুস্টার ডোজ নিতে হবে। তাছাড়া নতুন ধরন অমিক্রনের কারণে বুস্টার ডোজ জরুরি হয়ে পড়েছে।

বুস্টার ডোজ দেওয়ার বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ‘প্রথমে সম্মুখসারির চিকিৎসক, নার্স, সরকারি কর্মক’র্তা-কর্মচারী, গণমাধ্যমকর্মী এবং বয়স্কদের এই বুস্টার ডোজের আওতায় আনা হবে।’

জাহিদ মালেক আরও জানান, দেশের প্রায় ৭ কোটি মানুষকে করো’নাভাই’রাসের প্রথম ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে এবং প্রায় সাড়ে ৪ কোটি মানুষকে দ্বিতীয় ডোজ টিকা দেওয়া সম্পন্ন হয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী বুস্টার ডোজ দেওয়ার জন্য অনুমোদন দিয়েছেন। বুস্টার ডোজ দেওয়ার যাবতীয় কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সুরক্ষা অ্যাপ আপডেটের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। বুস্টার ডোজ দেওয়ার তালিকা তৈরি করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, দেশে ভ্যাকসিনের কোনো অভাব নেই। দেশে এখন ৭ লাখ ফাইজার ভ্যাকসিনের টিকা হাতে আছে। আগামী মাসে আরও দুই কোটি টিকা আসবে। সব ভ্যাকসিন মিলিয়ে দেশে এখন পৌনে ৫ কোটি ভ্যাকসিন রয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।

দেশে করো’নাভাই’রাসের প্রথম সংক্রমণ ধ’রা পড়েছিল গত বছরের ৮ মা’র্চ। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গত বছরের ১৮ মা’র্চ দেশে প্রথম মৃ’ত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেই বছর সর্বোচ্চ মৃ’ত্যু হয়েছিল ৬৪ জনের।

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় চলতি বছর জুন থেকে রোগীর সংখ্যা হু-হু করে বাড়তে থাকে। ২৮ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জনের করো’না শনাক্ত হয়েছিল।

চলতি বছরের গত ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে করো’নায় মৃ’তের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৫ ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃ’ত্যু হয়, যা মহামা’রির মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃ’ত্যু।

বেশকিছু দিন ২ শতাধিক মৃ’ত্যু হয়। এরপর গত ১৩ আগস্ট মৃ’ত্যুর সংখ্যা ২০০ এর নিচে নামা শুরু করে। দীর্ঘদিন শতাধিক থাকার পর গত ২৮ আগস্ট মৃ’ত্যু ১০০ এর নিচে নেমে আসে।

২০২০ সালের এপ্রিলের পর চলতি বছরের ১৯ নভেম্বর প্রথম করো’নাভাই’রাস মহামা’রিতে মৃ’ত্যুহীন দিন পার করে বাংলাদেশ।সর্বশেষ দ্বিতীয়বারের মতো গেল বৃহস্পতিবার (৯ ডিসেম্বর) মৃ’ত্যুশূন্য দিন পার করেছে দেশ।

এবার ভাই’রাসটির আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্ট ‘ওমিক্রন’ সংক্রমণ শুরু হয়েছে। বাংলাদেশে ইতোমধ্যেই দুইজন শনাক্ত হয়েছেন। তারা দুজনই জিম্বাবুয়েফেরত জাতীয় নারী ক্রিকেট দলের সদস্য। আ’ক্রান্ত দুই নারী ক্রিকেটার সুস্থ আছেন।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Comments are closed.

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: