সর্বশেষ আপডেট : ৫ ঘন্টা আগে
সোমবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ১১ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET
Fapperman.com DoEscorts

কসাই যখন পুলিশের বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট গায়ে!

পু’লিশের গাড়ি থেকে নেমে একটি বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট গায়ে দিয়ে জনগণকে শান্ত থাকার জন্য হ্যান্ডমাইকে অনুরোধ করছেন এক ব্যক্তি। তাকে দেখে পু’লিশের কর্মক’র্তা বা সদস্য মনে করে ভুল করতে পারেন অনেকেই।

তিনি আসলে পু’লিশ নন, সোর্স। পেশায় তিনি কসাই বা মাংস ব্যবসায়ী। এ কাজের পাশাপাশি স্থানীয় পু’লিশ ফাঁড়ির সোর্স ও মধ্যস্বত্বভোগী হিসেবে কাজ করেন তিনি।

তার নাম মো. জাহাঙ্গীর হোসেন। লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজে’লার উত্তর চরআবাবিল গ্রামে তার বাড়ি। সোমবার বিকালে রায়পুর উপজে’লার উত্তর চরবংশী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সিআইপি বেড়িবাঁধের ওপর দাঁড়িয়ে স্থানীয় জনতাকে শান্ত থাকার জন্য মাইকিং করতে দেখা যায় তাকে।

পু’লিশ না হয়েও পু’লিশের দায়িত্ব পালনে এমন আচরণ জনমনে নানা প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। ফেসবুকে ওই ঘটনার ছবি পোস্ট করে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন অনেকেই।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় গ্রামবাসী জানান, রোববার ইউপি নির্বাচনের পরদিন সোমবার বিকালে দুই সদস্য প্রার্থীর সম’র্থকদের মধ্যে সং’ঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পার্শ্ববর্তী হায়দারগঞ্জ পু’লিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক হাসান জাহাঙ্গীর হোসেন ঘটনাস্থলে যান।

এ সময় পু’লিশের গাড়িতে করে সেখানে যান কসাই জাহাঙ্গীর হোসেন। পু’লিশের একটি বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট গায়ে দিয়ে গাড়ি থেকে বের হন তিনি। হ্যান্ডমাইকে জনতার উদ্দেশে তাদের শান্ত থাকার ঘোষণা দিচ্ছিলেন জাহাঙ্গীর। পু’লিশের ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ জ্যাকেট কী’ভাবে এক সোর্স ব্যবহার করতে পারেন এবং পু’লিশের দায়িত্ব পালন করেন সেই প্রশ্ন রাখেন স্থানীয়রা।

হায়দরগঞ্জ বাজারের কয়েকজন ব্যবসায়ী বলেন, জাহাঙ্গীর চরআবাবিল গ্রামের মৃ’ত ই’মান আলীর ছে’লে। তিনি হায়দারগঞ্জ বাজারের গোশত ব্যবসায়ী। এছাড়া হায়দরগঞ্জ পু’লিশ ফাঁড়ির চিহ্নিত দালাল। মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে দালালি করে থাকে। দালালির বিষয়টি জাহাঙ্গীর নিজেও স্বীকার করেছেন।

জাহাঙ্গীর বলেন, আমি ফাঁড়ির গাড়িতে করেই ঘটনাস্থলে যাই। তাদের দেওয়া বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরে হ্যান্ডমাইকে জনতাকে শান্ত হতে অনুরোধ জানাই। আসলে আমি ছোট মানুষ। তাই বিষয়টি বুঝতে পারিনি। রায়পুর থা’নার ওসি স্যার দেখে আমাকে বকা দিলে আমি তা খুলে ফেলি। এলাকার ছোটখাটো সমস্যা বা সালিশ হলে লোকজনের পক্ষে থা’নায় যাই। পু’লিশ আমাকে এবং আমিও তাদের সহযোগিতা দিয়ে থাকি।

রায়পুর উপজে’লার হায়দারগঞ্জ পু’লিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ হাসান জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, জ্যাকেটটি পরে তিনি ঠিক করেননি। আম’রা বলার পর সঙ্গে সঙ্গে তিনি খুলে ফেলেছেন। এটা একটি ভুল বোঝাবুঝি।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  • 31
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    31
    Shares

Comments are closed.

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: