সর্বশেষ আপডেট : ৪২ মিনিট ১৯ সেকেন্ড আগে
বৃহস্পতিবার, ২০ জানুয়ারী ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ৭ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET
Fapperman.com DoEscorts

ছাতকে সন্তান পরিচয়ে চার কি’শোরকে মেক্সিকো নেওয়ার চেষ্টা প্রবাসীর

নিজের সন্তান পরিচয়ে অ’প্রাপ্তবয়স্ক চার স্কুলছাত্রকে মেক্সিকো নিতে চেয়েছিলেন প্রবাসী ফারুক মিয়া ওরফে কা’মাল মিয়া। সম্প্রতি লাতিন আ’মেরিকার দেশ মেক্সিকোর নাগরিকত্ব পেয়েছেন তিনি। নিজের স্ত্রী’ ও তিন সন্তানের সঙ্গে ওই চার কি’শোরকেও তিনি নিতে চেয়েছিলেন মেক্সিকোতে। এ জন্য স্ত্রী’-সন্তানদের পাসপোর্টের সঙ্গে আসল পরিচয় গো’পন করে ওই চারজনের পাসপোর্টও করতে দিয়েছিলেন। জমা দিয়েছিলেন জালিয়াতি করে নেওয়া নাগরিক সনদ ও জন্মনিবন্ধন। তবে পু’লিশের ত’দন্তে ধ’রা পড়েছে জালিয়াত চক্রের এ কারসাজি।

প্রবাসী ফারুক মিয়া সুনামগঞ্জের ছাতক উপজে’লার কালারুকা ইউনিয়নের বলারপীরপুর গ্রামের বাসিন্দা। তার এ জালিয়াতির ঘটনায় থা’নায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। পাসপোর্টের জন্য আবেদনকারী চার ছাত্রের কাগজপত্র ও ঠিকানা সঠিক না থাকায় চলতি সপ্তাহে জে’লা পু’লিশ সুপার কার্যালয়ে একটি প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। ওই চার কি’শোরের বাড়ি নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী ও বেগমগঞ্জ উপজে’লায়। তবে পাসপোর্ট আবেদনের সঙ্গে তাদের যে নাগরিক সনদ ও জন্মনিবন্ধন দেওয়া হয়েছে সেগুলো নেওয়া হয়েছে ছাতক উপজে’লার কালারুকা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে। পু’লিশের বিশেষ শাখার (এসবি) ত’দন্তে তাদের কাগজপত্র সঠিক নয় বলা হলেও সংশ্নিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান ও সচিব বিষয়টি অস্বীকার করে তাদের কার্যালয় থেকে দেওয়া নাগরিক সনদ ও জন্মনিবন্ধন সঠিক বলে দাবি করেছেন।

ফারুকের স্ত্রী’, তিন সন্তান এবং ওই চার কি’শোরের নামে পাসপোর্ট তৈরির জন্য গত ৬ অক্টোবর সুনামগঞ্জে জে’লা পাসপোর্ট কার্যালয়ে পৃথক আবেদন করা হয়। এসবির ত’দন্তে জালিয়াতির ঘটনা ধ’রা পড়ার পর ওই চারজনকে থা’নায় ডা’কা হয়। সেখানে হাজির হলে তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে আসল নাম-পরিচয় বেরিয়ে আসে। প্রবাসী ফারুক মিয়ার ছে’লে পরিচয়ে তাদের মেক্সিকো পাঠানোর পরিকল্পনা ছিল। এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদেরকে উপজে’লা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আবু সাদাত মো. লাহিন নিজ জিম্মায় ছাড়িয়ে নেন।

জানা গেছে, জালিয়াতির মাধ্যমে কালারুকা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ফারুকের ছে’লে পরিচয়ে তাদের নাগরিক সনদ ও জন্মনিবন্ধন তৈরি করা হয়েছে। তবে বিষয়টি জানা নেই বলে দাবি করেছেন সংশ্নিষ্ট ৬ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য লিটন মিয়া।

ওই চার ছাত্রের একজনের বাবা মহিন উদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, মেপিকো পাঠানোর জন্য ছাতকের ফারুক মিয়ার ছে’লের পরিচয়ে সুনামগঞ্জে পাসপোর্ট করতে দেওয়া হয়েছিল। পাসপোর্ট আবেদন বাতিলের বিষয়টি তিনি জানেন না। মেক্সিকো পাঠাতে ফারুকের সঙ্গে টাকা-পয়সার বিষয়ে কোনো চুক্তি হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।

প্রবাসী ফারুক মিয়ার স্ত্রী’ তাছলিমা বেগম বলেন, তার স্বামী দীর্ঘদিন ঢাকায় ছিলেন। ওই সময়ে ওই চার ছে’লের পরিবারের সঙ্গে খুব ভালো স’ম্পর্ক তৈরি হয়। ওরাও তার স্বামী ও তাকে ছোটবেলা থেকেই বাবা-মা বলে ডাকে।

কালারুকা ইউনিয়ন পরিষদের সচিব পিংকু দাস বলেন, আমাদের কাছে প্রবাসী ফারুক মিয়া ও তার পরিবারের সবার সনদ সঠিক আছে।

কালারুকা ইউপি চেয়ারম্যান অদুদ আলম বলেন, প্রয়োজনীয় তথ্য ও কাগজপত্র জমা দেওয়ার কারণেই ওই চার কি’শোরকে নাগরিক সনদ ও জন্মনিবন্ধন দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে সুনামগঞ্জের পু’লিশ সুপার মিজানুর রহমান বলেন, বিষয়টি তার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দেখবেন।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Comments are closed.

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: