সর্বশেষ আপডেট : ২৬ মিনিট ৪৬ সেকেন্ড আগে
সোমবার, ২৯ নভেম্বর ২০২১ খ্রীষ্টাব্দ | ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET
Fapperman.com DoEscorts

সিলেটের মেয়র আরিফুল হকের বি’রুদ্ধে জায়গা দখলের অ’ভিযোগ, লন্ডনে সংবাদ সম্মেলন

সিলেট কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হকের বি’রুদ্ধে প্রবাসীর জায়গা দখলের অ’ভিযোগ উঠেছে। ১৬ জুলাই মেয়র আরিফুল হক বেশ ঢাকঢোল পিটিয়ে সিলেটে ৮ কোটি টাকা মূল্যের জায়গা উ’দ্ধারের সেই শো ডাউনের বি’রুদ্ধে এবার লণ্ডনে সেই জায়গার মালিকানা দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভূক্তভোগী ভাইবোন। এই জায়গার প্রকৃত মালিকা দাবি করা ভাই আনিসুল হক ও বোন আবিদা সুলতানা দাবি করছেন যে জায়গা তাদের দখলে, যেখানে তাদের মা’র্কেট ছিলো, যে জায়গা নিয়ে মা’মলা চলমান সে জায়গা কিভাবে দখল নিলেন মেয়র!

সোমবার লণ্ডন সময়, রাত ৮.৩০ মিনিয়ে পূব লণ্ডনে একটি রেষ্টুরেন্টে সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেন, সিলেট নগরীর সোবহানীঘাট এলাকায় আমাদের পরিবারের ২৪ শতক জমি রয়েছে। ১৯৮২ সাল থেকে ক্রয় সূত্রে আম’রা এই জমি ভোগদখল করে আসছি। জমির মূল মালিক ছিলেন নরেশ দত্ত সে’নাপতি। কাষ্টঘর এলাকার রজনী ভূষণ চৌধুরী ও রসময় চৌধুরী এই জমি ক্রয় করে ভিটা নির্মাণ করে তাতে বসবাস করেন। পরবর্তীতে রসময় চৌধুরী তার অংশ রজনী চৌধুরীর নিকট বিক্রি করে দেন। রজনী চৌধুরীর মৃ’ত্যুর পর পুরো জমির মালিক হন রনধীর চৌধুরী।

১৯৫৬ ইংরেজির ভূমি জ’রিপে ভুলবশত এই জমিটি সিলেট পৌরসভা’র নামে রেকর্ডভূক্ত হয়ে পড়ে। কিন্ত জমিটিতে ভোগদখল থাকা অবস্থাায় হঠাৎ করে লোকমুখে বিষয়টি স’ম্পর্কে জানতে পারেন রনধীর চৌধুরী। এরপর তিনি সিলেট সদর মুনসেফি ১ম আ’দালতে ১৯৬৮ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি পৌরসভা’র বি’রুদ্ধে স্বত্ত্ব মা’মলা দায়ের করেন। পৌরসভা এ বিষয়ে লিখিত জবাব দিয়ে জমিটি নিজেদের বলে দাবি করলেও প্রমাণের অভাবে মা’মলাতে হেরে যায়। মা’মলায় বাদী রনধীর চৌধুরী বিবাদী পৌরসভা’র বি’রুদ্ধে খরচসহ ডিক্রি লাভ করেন।

এরপর রনধীর চৌধুরী এই জমির মধ্যে ১২ শতক গুল মো. এবং আরও ১২ শতক আব্দুর রহিমের কাছে বিক্রি করেন। ১৯৮২ সালে এই দুজনের কাছ থেকে তাদের মালিকানাধীন ২৪ শতক ভূমি ক্রয় করেন আমা’র বাবা আরকান আলী।

আনিসুল হক আরো বলেন, জমি ক্রয় করে আমা’র পরিবার যথানিয়মে ভোগদখল করতে থাকেন। মালিকানার কাগজপত্র দিয়ে পৌরসভা’র অনুমতিক্রমেই এই জমিতে দোকানকোঠা নির্মাণ করা হয়। দোকানকোঠায় বিদ্যুৎ সংযোগও নেওয়া হয়। আমাদের মালিক মেনেই ২০২০ সালের ২৭ জুলাই সিলেট সিটি কর্পোরেশন থেকে হোল্ডিং বিবরণী (হোল্ডিং নং ২৩১০/২) প্রেরণের জন্য মেয়র স্বাক্ষরিত নোটিশ প্রদান করা হয়। আম’রা যথাযথ নিয়মে হোল্ডি ট্যাক্স প্রদান করি।

আবিদা সুলতানা আরো বলেন, সপরিবারে প্রবাসে থাকার কারণে স্বাভাবিকভাবেই আম’রা সবসময় জমির খোঁজখবর রাখতে পারি না। এ কারণে সর্বশেষ নামজারিকালে এই জমিটি আমাদের নামে নামজারি হয়নি। নামজারি না হওয়ায় ২০০২ সালে আমাদের পরিবারের পক্ষে হাসনা বেগম বাদী হয়ে ২০০২ সালে সিলেট জজ কোর্টে একটি মা’মলা করেন। যা এখনো আ’দালতে বিচারাধীন আছে।

অ’বাক করার বিষয় হচ্ছে, আ’দালতে বিচারাধীন ও আম’রা ভোগদখলে থাকা অবস্থায় কোনো ধরনের নোটিশ প্রদান ছাড়াই গত ১৫ আগস্ট সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর নেতৃত্বে সিটি করপোরেশনের কর্মীরা এসে জো’রপূর্বক আমাদের জমি দখল করে নেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন আবিদা সুলতানার স্বামী সাঈফ আহমেদ বলেন, ফিল্মি স্টাইলে অ’ভিযান চালিয়ে মেয়র আমা’র স্ত্রী’ ও শ্যালকের ঘরবাড়িসহ সব স্থাপনা ভেঙে ফেলেন। ফোনে মেয়রকে আ’দালতে মা’মলা চলমান থাকার কথা জানানো হলেও মামনীয় মেয়র কোনো কথা না শুনেই স্থাপনা ভেঙে দিয়ে জমিটি দখল করে নেন। আ’দালতের রায়ের মাধ্যমে তিনি জমির দখল নিয়েছেন বলে দাবি করলেও এর পক্ষে কোন কাগজপত্র প্রদর্শণ করেননি। তথ্য অধিকার আইনে আম’রা মেয়রের কাছে কাগজপত্র দাবি করলেও তিনি তা দিতে অস্বীকার করেন। আমাদের প্রশ্ন হলো, আ’দালতে বিচারাধিন থাকা অবস্থায় কাগজ সরবরাহ করতে না পারলেও কোন যু’ক্তিতে তিনি বিচারাধিন জমির জো’রদখল নেন?

(এই সংবাদের সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়রের বক্তব্য নেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি বক্তব্য দিলে সেটা পরবর্তী সংবাদে সংযু’ক্ত হবে)

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  • 74
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    74
    Shares

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: