সর্বশেষ আপডেট : ১ ঘন্টা আগে
মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১ খ্রীষ্টাব্দ | ১১ কার্তিক ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET
Fapperman.com DoEscorts

বাইকে আগুন: সার্জেন্টের দোষ আছে কিনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে

করো’না মহামা’রির আগে শওকত আলীর স্যানিটারি পণ্যের দোকান ছিল। আয়ও ছিল বেশ ভালো। ব্যবসা দিয়েই চলছিল তার সংসার। কিন্তু করো’নার ভ’য়াল গ্রাসে ব্যবসা বন্ধ করতে বাধ্য হন শওকত আলী। গত দেড় বছর ধরে ব্যবসা বন্ধ তার।

এ অবস্থায় সম্প্রতি জীবন-জীবিকার তাগিদে একটি মোটরসাইকেল নিয়ে রাস্তায় নামেন। দেড় বছর ধরে রাইড শেয়ারিং অ্যাপে মোটরসাইকেল চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছিলেন শওকত আলী। কিন্তু সোমবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে সেই জীবিকা নির্বাহের একমাত্র সম্বলটিতে বির’ক্ত হয়ে নিজেই আ’গুন ধরিয়ে দেন। রাজধানীর বাড্ডা লিংক রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনার ভিডিওটিতে দেখা যায়, ওই মোটরসাইকেলচালক মা’মলা সংক্রান্ত কোনো বিষয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছিলেন। পাশাপাশি তিনি নিজের মোটরসাইকেলে পেট্রল ঢেলে আ’গুন ধরিয়ে দেন। এসময় আশপাশের লোকজন আ’গুন নেভানোর চেষ্টা করলেও তিনি তাদের বাধা দেন।

বাড্ডা থা’না সূত্রে জানা যায়, রাজধানীর কেরানীগঞ্জে ওই মোটরসাইকেলচালক শওকত আলীর স্যানিটারি পণ্যের একটি দোকান ছিল। সেটা দেড় বছর ধরে বন্ধ। সম্প্রতি একটি মোটরসাইকেল কিনে দু-তিন মাস ধরে রাইড শেয়ারিং অ্যাপে যাত্রী আনা নেওয়া করতেন। তবে বর্তমানের এই পেশায় বির’ক্তও ছিলেন।

থা’না সূত্রে আরও জানা যায়, বাড্ডা লিংক রোড এলাকায় দায়িত্বরত এক ট্রাফিক সার্জেন্ট শওকতের কাছে মোটরসাইকেলের কাগজপত্র দেখতে চান। এতে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে নিজেই আ’গুন ধরিয়ে দেন মোটরসাইকেলটিতে। ফলে মোটরসাইকেলটি পু’ড়ে ছাই হয়ে যায়।

এ বিষয়ে সোমবার দুপুরে ঢাকা মেট্রোপলিটন পু’লিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপ-পু’লিশ কমিশনার (ডিসি) মো. ফারুক হোসেন বলেন, বাড্ডা থা’না এলাকায় এক মোটরসাইকেল চালককে থামান দায়িত্বরত ট্রাফিক পু’লিশ সার্জেন্ট। কাগজপত্র ঠিক আছে কি না তা দেখতে চান। তখন ওই চালক কাগজপত্র না দিয়ে ক্ষিপ্ত আচরণ করেন। পরে তিনি নিজেই নিজের মোটরসাইকেলে আ’গুন ধরিয়ে দেন। প্রাথমিকভাবে তাকে মানসিকভাবে অ’সুস্থ বলে মনে হচ্ছে। তবে এ ঘটনায় কর্তব্যরত সার্জেন্টের দোষ আছে কি না সে বিষয়টি আম’রা খতিয়ে দেখছি।

ওই মোটরসাইকেলচালক এখন কোথায় আছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ওই ব্যক্তি এখন আমাদের বাড্ডা থা’নায় আছেন। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। হঠাৎ করে কেন তিনি মোটরসাইকেলে আ’গুন ধরিয়ে দিলেন, তার নাশকতার কোনো মানসিকতা ছিল কি না সে বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এ বিষয়ে পু’লিশের কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার আছে কি না এমন প্রশ্নে ফারুক হোসেন বলেন, আসলে তিনি নিজেই নিজের মোটরসাইকেলে আ’গুন ধরিয়ে দিয়েছেন। এখন যদি তার মানসিক অবস্থা বিকারগ্রস্ত হয় সে ক্ষেত্রে আইনগত কোনো ব্যবস্থা নেওয়া যায় কি না আম’রা খতিয়ে দেখছি। আম’রা হয়তো তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ছেড়ে দিতে পারি।

এদিকে গুলশান ট্রাফিক বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মো. রবিউল ইস’লাম বলেন, ঘটনাটি যেখানে ঘটেছে সেখানে সকালে যেন কোনো মোটরসাইকেল না দাঁড়ায়, এমন নির্দেশনা ছিল দায়িত্বরত ট্রাফিক সদস্যদের প্রতি। ঘটনাস্থলে রাইড শেয়ারিংয়ের (পাঠাও) একটি মোটরসাইকেল দাঁড়ালে ট্রাফিক পু’লিশের সদস্যরা চালকের কাছে কাগজপত্র দেখতে চান। কিন্তু ওই চালক তা না দেখিয়ে উল্টো রেগে গিয়ে নিজের বাইকে আ’গুন ধরিয়ে দেন।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  • 33
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    33
    Shares

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: