সর্বশেষ আপডেট : ২ ঘন্টা আগে
রবিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২১ খ্রীষ্টাব্দ | ৯ কার্তিক ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET
Fapperman.com DoEscorts

ক্বাবাঘরের খেদমতে আহমেদের ৪০ বছর!

কাজের সন্ধানে ২৩ বছর বয়সে সৌদি আরব গিয়েছিলেন আহমেদ খান কান্দাল। ১৯৮৩ সালে দেশ ছাড়া আহমেদ খান তখন ভাবেননি যে চার দশক তিনি সৌদি আরবে কাটিয়ে দেবেন। পা’কিস্তানের মান্দি বাহাউদ্দিনের এই বাসিন্দা কাবা শরিফে পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কাজ করছেন।

আহমেদ খান প্রাথমিকভাবে তার বাবা-মাকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে তিনি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বাড়ি ফিরবেন। কিন্তু ম’ক্কা এবং গ্র্যান্ড ম’সজিদের সেবা তাকে ব্যস্ত রেখেছে। তার বাবা-মা’ও গত হয়েছেন। খবর আরব নিউজের

কাবার খেদমতেই জীবনের এতগুলো বছর কে’টে গেছে। এখন আহমেদ খানের বয়স ৬১ বছর। তিনি গ্র্যান্ড ম’সজিদের পরিচ্ছন্নতা কাজের তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি কাবার দ্বিতীয় ও তৃতীয় সম্প্রসারণ প্রকল্পের সাক্ষী। তিনি সেই স্মৃ’তিচারণ করেন। আহমেদ খান আরব নিউজকে বলেন, ‘যেহেতু আমি প্রায় ৪০ বছর আগে সৌদি আরবে এসেছি। আমা’র সব সময় মনে হয়েছে যে পরিবারের মধ্যেই রয়েছে। কখনো বিচ্ছিন্ন মনে হয়নি।’

তিনি বলেন, ‘যখনই আমি নতুন কারো সাথে দেখা করি, তারা আমাকে বলে যে আমি কতটা ভাগ্যবান যে, আমি গ্র্যান্ড ম’সজিদের সেবা করতে এবং সেখানে নামাজ আদায় করতে পেরেছি। আমি সর্বদা পবিত্র কাবার কাছে ছিলাম এবং এটি একটি মহান সম্মান যা শুধু আল্লাহর সাথে একটি বিশেষ স’ম্পর্কযু’ক্ত ব্যক্তিই পেতে পারে। চার দশক ধরে এই কাজ করতে পেরে আমি ধন্য।’

তিনি উল্লেখ করেছিলেন যে তিনি প্রয়াত বাদশাহ ফাহাদ বিন আবদুল আজিজের শাসনামলে সৌদি আরবে এসেছিলেন। আহমেদ খান বলেন, ‘আমি বাইরের আঙ্গিনা পরিষ্কারের কাজ করেছি এবং প্রায় চার বছর পর গ্র্যান্ড ম’সজিদের দ্বিতীয় সৌদি সম্প্রসারণ ঘটেছে। আমি সাক্ষী ছিলাম কিভাবে মু’সলমানরা তাদের আচার অনুষ্ঠান আরও আরাম’দায়কভাবে করতে শুরু করে।’

পা’কিস্তানি কর্মী প্রয়াত বাদশাহ ফাহাদের শাসনামলে কাবা পুনরুদ্ধারের প্রত্যক্ষ করেন এবং বলেন এটি তার জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এবং সুন্দর সময়। তিনি বিশ্বা’স করেন যে আল্লাহ তাকে প্রয়াত বাদশাহ আব্দুল্লাহর শাসনামলে তৃতীয় সৌদি সম্প্রসারণ সহ অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনার সাক্ষী হতে বেছে নিয়েছিলেন।

আহমেদ খানের দুই ছে’লে ও এক মেয়ে রয়েছে। তার এক ছে’লে গ্র্যান্ড ম’সজিদের বৈদ্যুতিক বিভাগে কাজ করেন এবং অন্য ছে’লে তার বোনের সাথে পা’কিস্তানে থাকেন। তিনি জো’র দিয়ে বলেন যে তার ইচ্ছা যেন এখানেই তার মৃ’ত্যু হয় এবং দাফন করা হয়।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  • 157
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    157
    Shares

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: