সর্বশেষ আপডেট : ৩২ মিনিট ১৪ সেকেন্ড আগে
বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১ খ্রীষ্টাব্দ | ৭ আশ্বিন ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET
Fapperman.com DoEscorts

হবিগঞ্জে স্বামীকে বেধে রেখে নববধূকে ধ’র্ষণ, রি’মান্ডে ছাত্রলীগ নেতা

হবিগঞ্জের লাখাই উপজে’লার টিক্কাপুর হাওরে স্বামীকে বেঁধে নববধূকে গণধ’র্ষণের মা’মলায় ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত নেতা সোলায়মান হোসেন রনিসহ (২২) দুইজনকে রি’মান্ডে নিয়েছে পু’লিশ।

সোমবার হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আ’দালতের বিচারক আসমা বেগম এ রি’মান্ড মঞ্জুর করেন। রি’মান্ডে নেওয়া অন্যজন হলেন শুভ মিয়া।

এদিকে এ মা’মলায় আরও ৩ আ’সামিকে গ্রে’প্তার করা হয়েছে। সোমবার তাদেরকে আ’দালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। এ নিয়ে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৬ জনকে গ্রে’প্তার করা হয়েছে।

গ্রে’প্তাররা হলেন- উপজে’লার মুড়াকরি গ্রামের ইকবাল হোসেন ছোট্ট মিয়ার ছে’লে উপজে’লা ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত নেতা সোলায়মান হোসেন রনি (২২), একই গ্রামের রুকু মিয়ার ছে’লে শুভ মিয়া (১৯) ও ইব্রাহীম মিয়ার ছে’লে মিঠু মিয়া (২৩), উপজে’লার মোড়াকরি গ্রামের পাতা মিয়ার ছে’লে হৃদয় মিয়া (২২), বকুল মিয়ার ছে’লে সুজাত মিয়া (২৩) ও মিজান মিয়ার ছে’লে জুয়েল মিয়া (২৫)।

সোমবার নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন হবিগঞ্জের পু’লিশ সুপার এসএম মুরাদ আলি। তিনি জানান, পু’লিশি জিজ্ঞাসাবাদে তিনজনই ধ’র্ষণে জ’ড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। আ’দালতেও তারা স্বীকারোক্তিমূলক জবানব’ন্দি দিবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

তিনি জানান, রোববার দিবাগত রাতে লাখাই থা’না পু’লিশ রাঙ্গামাটি পার্বত্য জে’লার ইস’লামপুর বউবাজারের দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে হৃদয় মিয়া, সুজাত মিয়া ও জুয়েল মিয়াকে গ্রে’প্তার করেছে।

লাখাই থা’নার ওসি মো. সাইদুল ইস’লাম জানান, গ্রে’প্তারকৃতরা পাহাড়ের পাদদেশে বাঁশ ও কাঠের তৈরি একটি ঘরে আত্মগো’পনে ছিলেন। সেখানকার সীমান্ত দিয়ে ভা’রতে পালানোর সময় পু’লিশ তাদের গ্রে’প্তার করে।

বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. হাফিজুল ইস’লাম জানান, গত শুক্রবার মা’মলার ত’দন্তকারী কর্মক’র্তা মহিউদ্দিন আ’সামি রনি ও শুভর ৫ দিন করে রি’মান্ড আবেদন করেন। সোমবার বিচারক শুনানি শেষে তাদের প্রত্যেকের ২ দিন করে রি’মান্ড মঞ্জুর করেন।

উল্লেখ্য, গত ২৫ আগস্ট উপজে’লার মোড়াকরি গ্রামের এক যুবক তার নববিবাহিতা স্ত্রী’কে নিয়ে টিক্কাপুর হাওরে ঘুরতে যান। হাওরের মাঝখানে যাওয়া মাত্রই একই গ্রামের মুছা মিয়ার নেতৃত্বে ৮ যুবক তাদের নৌকায় উঠে দেশীয় অ’স্ত্রের মুখে জি’ম্মি করে। পরে নির্জন স্থানে নিয়ে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রী’কে পালাক্রমে ধ’র্ষণ করে এবং ভিডিও ধারণ করে।

বিষয়টি কাউকে জানালে ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেয়া হবে বলেও হু’মকি দেয়। ঘটনার পর স্বামী-স্ত্রী’ ভ’য়ে বিষয়টি গো’পন রাখেন। গত বুধবার স্ত্রী’র শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতা’লে ভর্তি করেন স্বামী। ঘটনার পর সেই ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেয়ার হু’মকি দিয়ে নববধূর স্বামীর নিকট ৯ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন আ’সামিরা।

অবশেষে তিনি নিরুপায় হয়ে বৃহস্পতিবার (২ সেপ্টেম্বর) হবিগঞ্জ নারী ও শি’শু নি’র্যা’তন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এ একটি মা’মলা করেন। ওই মা’মলায় এখন পর্যন্ত ৬ জনকে গ্রে’প্তার করেছে পু’লিশ ও রেব।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  • 94
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    94
    Shares

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: