সর্বশেষ আপডেট : ৪ ঘন্টা আগে
শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ খ্রীষ্টাব্দ | ২ আশ্বিন ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET
Fapperman.com DoEscorts

শ্যালিকাকেও ভাগিয়ে বিয়ে করলেন পুলিশ সদস্য!

বিয়ের এক বছরের মধ্যেই ছোটবোনকে ভাগিয়ে নিয়ে বিয়ে করেছেন এক পু’লিশ সদস্য। ঢাকার ধাম’রাইয়ে দুই বোনের এক স্বামী। একই ঘরে একসঙ্গে তাদের বসবাস। স্বামী সোলাই’মান হোসেন পেশায় পু’লিশ কনস্টেবল।

তিনি ঢাকা মেট্রোপু’লিটন পু’লিশের মিরপুর জোনে কনস্টেবল পদে কর্ম’রত। তিনি ধাম’রাই উপজে’লার আমতা ইউনিয়নের কাঁচা রাজা’পুর গ্রামের কৃষক মো. শওকত হোসেনের ছে’লে।

বছরখানেক আগে আনুষ্ঠানিকভাবে বড়বোন হাসনা আক্তারের বিয়ে হয় পু’লিশের ওই কনস্টেবলের সঙ্গে। বিয়ের বছর না পেরুতে হঠাৎ নি’খোঁজ হয়ে যায় ওই পু’লিশ সদস্যের স্ত্রী’র ছোটবোন। মূলত তাকে ওই প্রতারক পু’লিশ সদস্য মো. সোলাই’মান সবার অলক্ষ্যে ভাগিয়ে নিয়ে যায়। এরপর গো’পনে শ্যালিকাকে বিয়ে করে আলাদা বাসায় উঠে ওই পু’লিশ সদস্য। কোথাও তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না।

বড়বোনের স্বামী পু’লিশ সদস্য নিজেকে নির্দোষ বোঝাতে নি’খোঁজ শ্যালিকাকে খোঁজাখুঁজি করতে সহায়তা করে পরিবারের সদস্যদের। খোঁজাখুঁজির ৮ মাসের মা’থায় বৃহস্পতিবার যখন ওই পু’লিশ সদস্যের স্ত্রী’র ছোটবোনকে (শ্যালিকা) পাওয়া যায়, তখন সে ৭ মাসের গর্ভবতী এবং পু’লিশ দুলাভাইয়ের সহধ’র্মিণী। অ’পরদিকে বড়বোনও ৩ মাসের অন্তঃসত্ত্বা।

এ ঘটনায় কাওয়ালীপাড়া বাজার ত’দন্ত কেন্দ্রে লিখিত অ’ভিযোগ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রতারণার শিকার দুই বোনের চাচা মো. আব্দুর রফিক মিয়া। প্রতারক কনস্টেবল সোলাই’মান হোসেন ধাম’রাই উপজে’লার আমতা ইউনিয়নের কাঁচা রাজা’পুর এলাকার মো. শওকত হোসেনের ছে’লে। তার পু’লিশ আইডি নং-ইচ-৯৭১৬১৮২০৯৯ বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।

এলাকাবাসী ও পারিবারিক সূত্র জানায়, গত বছর ৫ লাখ টাকা দেনমোহরে কাবিন রেজিস্ট্রিমূলে ৪ লাখ টাকা নগদ যৌতুক দিয়ে পু’লিশ কনস্টেবল সোলাই’মান হোসেনের সঙ্গে হাসনা আক্তারের বিয়ে হয়। এরপর থেকে সব ঠিকঠাকই চলছিল। তবে ছোটবোন হঠাৎ নি’খোঁজ হয়ে গেলে তার মা’থায় চেপে বসে নানা দুশ্চিন্তার পাহাড়। তাকে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে থা’নায় জিডিও করা হয়। লোক দেখাতে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নি’খোঁজ তরুণীকে খোঁজাখুঁজি করে ওই লম্পট দুলাভাই সোলাই’মান হোসেন। অবশেষে বৃহস্পতিবার রাজধানী ঢাকার মিরপুর এলাকায় খোঁজ মেলে নি’খোঁজ ওই তরুণীর। তবে সে এখন ৭ মাসের গর্ভবতী।

ওই দুই তরুণীর চাচা মো. আব্দুর রফিক মিয়া বলেন, ২০১৬ সালে সোলাই’মান হোসেনের চাকরির জন্য ৪ লাখ টাকা দেই আম’রা। পরে চাকরি হলে গত বছর তার সঙ্গে আমা’র বড় ভাতিজি হাসনা আক্তারের বিয়ে দেই। তাদের সুখের সংসার ছিল। এর মধ্যে ২০২০ সালের ২০ ডিসেম্বর ছোট ভাতিজি নি’খোঁজ হয়। পরে আম’রা কাওয়ালীপাড়া বাজার পু’লিশ ত’দন্ত কেন্দ্রে নিখোঁজ জিডি করি। পু’লিশ ত’দন্তে জানা যায়, আমা’র ছোট ভাতিজি কনস্টেবল সোলাই’মানের সঙ্গেই আছে। এরপর বৃহস্পতিবার তাকে উ’দ্ধার করি।

প্রতারণার শিকার তরুণী (শ্যালিকা) রিহান আক্তার চুমকী’ (নাসির উদ্দিনের মে’য়ে) জানান, আমি আমা’র দুলাভাইয়ের নি’র্মম প্রতারণার শিকার। আমাকে বেড়ানোর কথা বলে আমা’র ইচ্ছার বি’রুদ্ধে জো’র করে বিয়ে করে বোনের সতিন বানিয়েছে। এখন আমি ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। আমি এর বিচার চাই।

অ’ভিযু’ক্ত কনস্টেবল সোলাই’মান হোসেন জানান, বিয়ের পর থেকেই শ্যালিকাকে পছন্দ হয় আমা’র। এছাড়া সেও আমাকে খুব পছন্দ করে। তাই তাকে ভাগিয়ে নিয়ে বিয়ে করি। সে এখন আমা’র বৈধ স্ত্রী’। আমি দুই স্ত্রী’কে নিয়েই সংসার করতে চাই।

কাওয়ালীপাড়া বাজার পু’লিশ ত’দন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. রাসেল মোল্লা বলেন, এ ব্যাপারে থা’নায় জিডি দায়ের হলে নিখোঁজ তরুণীর পরিবারকে ওই তরুণীর অবস্থান জানানো হয়। পরে তারা নিজেরাই কৌশল অবলম্বন করে ওই তরুণীকে উ’দ্ধার করে নিয়ে আসে। বিষয়টি পু’লিশ সদর দপ্তরে দৃষ্টিগোচরে রয়েছে। ওপর মহলের নির্দেশ না পাওযা পর্যন্ত এ ব্যাপারে আমাদের কোনোপ্রকার পদক্ষেপ গ্রহণের সুযোগ একেবারেই নেই। আম’রা নির্দেশনার অ’পেক্ষায় আছি। নির্দেশনা পেলেই এ ব্যাপারে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সূত্র দৈনিক যুগান্তর

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  • 38
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    38
    Shares

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: