সর্বশেষ আপডেট : ১১ ঘন্টা আগে
রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ খ্রীষ্টাব্দ | ৪ আশ্বিন ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET
Fapperman.com DoEscorts

‘ইভ্যালির সম্পদ-ব্র্যান্ড ভ্যালু ৫৪৪ কোটি, দেনা ৫৪৩ কোটি টাকা’

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নোটিশের প্রথম ধাপের জবাব দিয়েছে দেশীয় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালি। বৃহস্পতিবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে প্রতিষ্ঠানটি যে হিসাব দিয়েছে তাতে কোম্পানির ব্র্যান্ড মূল্য ধরা হয়েছে ৪২৩ কোটি টাকা। ক্রেতাদের কাছে প্রতিষ্ঠানটির দেনার পরিমাণ ৫৪২ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। এর বিপরীতে ৫৪৩ কোটি ৯৯ লাখ টাকার দৃশ্যমান ও অদৃশ্যমান সম্পদ থাকার তথ্য জানিয়েছে ইভ্যালি। যার মধ্যে প্রায় ৪২৩ কোটি টাকা ব্রান্ড ভ্যালু হিসাবে দেখিয়েছে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানটি।

বৃহস্পতিবার ইভ্যালি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে তাদের এই দায় ও সম্পদের তথ্য দিয়েছে। ইভ্যালির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাসেল স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়। গত ১৩ আগষ্ট বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ইভ্যালিকে চিঠি দিয়ে গত ১৫ জুলাই পর্যন্ত কোম্পানির দায় ও সম্পদের তথ্য, গ্রাহকদের কাছে মোট দেনার পরিমান এবং মার্চেন্টদের কাছে দেনার পরিমান ও দেনা পরিশোধের পরিকল্পনা জানানোর নির্দেশ দেয়। তার প্রেক্ষিতে ইভ্যালি এ তথ্য দিয়েছে।

সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, গত ১৫ জুলাই পর্যন্ত তাদের মোট দায় ৫৪৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে কোম্পানির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ রাসেল শেয়ারহোল্ডার হিসেবে কোম্পানিকে ১ কোটি টাকা দিয়েছেন। বাকি ৫৪৩ কোটি টাকা হলো ইভ্যালির চলতি দায়।

জানা গেছে, ইভ্যালির ৫৪৩ কোটি টাকার দেনার বিপরীতে ব্র্যান্ড ভ্যালু দেখানো হয়েছে ৪২২ কোটি ৬২ লাখ টাকা। অদৃশ্য সম্পদ দেখানো হয় ১৫ কোটি ৮২ লাখ টাকা এবং দৃশ্যমান সম্পদের হিসাব দেখানো হয়েছে ১০৫ কোটি ৫৪ লাখ ৫৩ হাজার ৬৪০ টাকা।

চিঠিতে আরও জানানো হয়, আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী ও সাম্প্রতিক সময়ে পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর একই ধরণের ব্যবসায়ের মূল্যায়ণের প্রেক্ষিতে বর্তমানে ইভ্যালির ন্যূনতম ব্রান্ডভ্যালু দাঁড়ায় ৫ হাজার কোটি টাকা। তবে কোম্পানির ব্রান্ডভ্যালু নির্ণয়ের ক্ষেত্রে তারা শুধুমাত্র ব্যয়ের সমপরিমাণ অংশটুকু বিবেচনা করা হয়েছে।

এ বিষয়ে বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষ বলছেন, ইভ্যালির কাছ থেকে আমরা এক ধাপের জবাব পেয়েছি। আরো দুই ধাপের জবাব বাকি আছে। সেটা পেলে আমরা বসে পরবর্তী করণীয় ঠিক করব। বাকি দুই ধাপের জবাবের মধ্যে ২৬ আগস্টের মধ্যে জানাতে হবে গ্রাহকদের কাছে মোট দেনার পরিমাণ। আর আগামী ২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জানাতে হবে মার্চেন্টদের কাছে দায় এবং গ্রাহক ও মার্চেন্টদের দায় পরিশোধের সময়বদ্ধ পরিকল্পনা। সূত্র: বিডি২৪লাইভ

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  • 8
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    8
    Shares
নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: