সর্বশেষ আপডেট : ১৭ মিনিট ১৮ সেকেন্ড আগে
শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ খ্রীষ্টাব্দ | ৯ আশ্বিন ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET
Fapperman.com DoEscorts

দেশে উপসর্গেই মৃত্যু বেশি

ঈদের আগে লকডাউন শিথিলের সুযোগে ঢাকা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ইস’লামপুরে গ্রামের বাড়ি যান জহিরুল ইস’লাম। কয়েক দিনের মা’থায় জ্বর আসে তার। সঙ্গে সর্দি-কাশি ও গলাব্যথা। করো’নার উপসর্গ থাকলেও পরীক্ষা না করে বাসায় থেকে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন তিনি। একপর্যায়ে শ্বা’সক’ষ্ট অনুভব করতে থাকেন। এরপর স্বজনরা তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতা’লে ভর্তি করেন। পরদিন তিনি মা’রা যান।

স্বজনরা জানান, হাসপাতা’লে ভর্তির পর জহিরুলের করো’না পরীক্ষার জন্য নমুনা দেওয়া হলেও এখনও ফল পাওয়া যায়নি। হাসপাতা’লের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, সার্বিক অবস্থা বিবেচনায় তাদের ধারণা, জহিরুল করো’না আ’ক্রান্ত ছিলেন।

নমুনা পরীক্ষার ফল না পাওয়ায় করো’নায় মৃ’ত্যুর সরকারি তথ্যে জহিরুলের মৃ’ত্যু তালিকাভুক্ত হয়নি। উপসর্গে মৃ’ত্যুর তালিকায় তার নাম স্থান পেয়েছে। জহিরুলের মতো দেশের সরকারি-বেসরকারি হাসপাতা’লে করো’নার উপসর্গ নিয়ে প্রতিদিনই অনেকে মৃ’ত্যুবরণ করছেন। কিন্তু সরকারি মৃ’ত্যুর হিসাবে তাদের নাম আসছে না। সারাদেশে সরকারি-বেসরকারি হাসপাতা’লে এ পর্যন্ত কত মানুষ করো’নার উপসর্গ নিয়ে মৃ’ত্যুবরণ করেছেন তার হিসাবও ঠিকমতো রাখা হচ্ছে না।

হাসপাতা’লে করো’নার উপসর্গ নিয়ে দেশে কত মানুষ মৃ’ত্যুবরণ করেছেন সমকাল তা জানার চেষ্টা করেছে। দেশের ২০ জে’লার সিভিল সার্জন অফিস, জে’লা সদর হাসপাতাল এবং মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতা’লের তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, গত জুলাই মাসেই করো’নার উপসর্গ নিয়ে হাসপাতা’লে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুই হাজার ৩৮৫ জন মৃ’ত্যুবরণ করেছেন। আর একই সময়ে এসব হাসপাতা’লে করো’নায় মৃ’ত্যু হয়েছে এক হাজার ৯০২ জনের। করো’নায় মৃ’ত্যুর তুলনায় উপসর্গ নিয়ে মৃ’ত্যু ২৫ শতাংশ বেশি। ঢাকার বাইরের তিনটি সরকারি হাসপাতা’লে করো’না ইউনিটে দায়িত্ব পালনকারী পাঁচজন চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, উপসর্গ নিয়ে হাসপাতা’লে ভর্তির পর রোগীকে আইসোলেশনে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এরপর নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাবে পাঠানো হয়। রিপোর্ট পেতে চার-পাঁচ দিন সময় লেগে যায়। অনেক রোগী এর আগেই মৃ’ত্যুবরণ করেন। তাদের তথ্য উপসর্গে মৃ’ত্যুর তালিকায় যু’ক্ত করা হয়। কিন্তু রিপোর্ট আসার পর দেখা গেল, ওই রোগী করো’না আ’ক্রান্ত ছিলেন, তখন তার মৃ’ত্যুর তথ্য সংশোধন করা হয় না। আবার নমুনা সংগ্রহের আগে কেউ মৃ’ত্যুবরণ করলে তার নামও উপসর্গে মৃ’ত্যুর তালিকায় রাখা হয়। উপসর্গে মৃ’ত্যুর ৫০ থেকে ৬০ ভাগই করো’না সংক্রমিত বলে এই চিকিৎসকদের ধারণা।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. নজরুল ইস’লাম সমকালকে বলেন, সঠিক তথ্য-উপাত্ত সংরক্ষণ না করা এক ধরনের অবহেলা। স্বাস্থ্য বিভাগ নির্দেশনা দিলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ তা মানতে বাধ্য হতো; কিন্তু সেটি করা হয়নি।

এর দায় স্বাস্থ্য বিভাগেরই।

তিনি বলেন, নমুনা পরীক্ষা না হওয়ায় উপসর্গ নিয়ে থাকা ব্যক্তির সংস্প’র্শে গিয়ে অন্যদের মধ্যে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ছে। এটি উদ্বেগের। দেশে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার পেছনে এটিও অন্যতম কারণ। পাশাপাশি প্রকৃত মৃ’ত্যুর সংখ্যাও আড়ালে থেকে যাচ্ছে।

ঢাকা মহানগরের ১৭টি সরকারি হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ হাসপাতা’লে করো’না রোগীদের চিকিৎসা করা হয়। এর মধ্যে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতা’লে এ পর্যন্ত মৃ’ত্যুবরণ করেছেন ১৫৬ জন। উপসর্গ নিয়ে এ হাসপাতা’লে মৃ’ত্যু হয়েছে আরও ২৯৭ জনের।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতা’লে গত জুলাই মাসে উপসর্গে মৃ’ত্যুর পূর্ণাঙ্গ তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে হাসপাতালটির পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাজমুল হক সমকালকে বলেন, ঢামেকে দিনে গড়ে পাঁচ থেকে সাতজন করে করো’নার উপসর্গ নিয়ে মৃ’ত্যুবরণ করেন। তাদের পরীক্ষা করলে সবার করো’না পজিটিভ হবে, এমন নয়। হার্ট অ্যাটাক, কিডনি জটিলতা, ক্যান্সার, ফুসফুসের অন্য রোগের কারণেও শ্বা’সক’ষ্ট হয়। তাদের বেশিরভাগ রোগীই জটিল অবস্থা নিয়ে আসায় নমুনা পরীক্ষার আগেই চিকিৎসা শুরু করতে হয়। উপসর্গে এসব মৃ’তের মধ্যে ৬০ শতাংশেরই করো’নায় মৃ’ত্যু বলে ধারণা করি।

নমুনা পরীক্ষা দ্রুততম সময়ে হওয়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) করো’না ইউনিটে উপসর্গে মৃ’ত্যু তেমন নেই বলে দাবি করেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নজরুল ইস’লাম খান। তিনি বলেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলে পরীক্ষার সুযোগ কম থাকায় উপসর্গে মৃ’ত্যু থাকতে পারে। তবে বিএসএমএমইউর করো’না ইউনিটে ভর্তি হওয়া সব রোগীর নমুনা পরীক্ষা করা হয়। পুরো জুলাই মাসে উপসর্গে মৃ’ত্যু দু-একজন থাকতে পারে।

ঢাকা বিভাগের ফরিদপুর জে’লায় সম্মিলিত কোনো তথ্য নেই। তবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতা’লে জুলাই মাসে করো’না আ’ক্রান্ত হয়ে ১৫১ এবং উপসর্গ নিয়ে ১৭২ জনের মৃ’ত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতা’লে জুলাই মাসে করো’না সংক্রমিত হয়ে ৯৬ এবং উপসর্গ নিয়ে ৬১ জন প্রা’ণ হারিয়েছেন।

চট্টগ্রাম বিভাগের নোয়াখালীতে করো’নায় আ’ক্রান্ত হয়ে ৪৯ জন, চাঁদপুরে ৪২, লক্ষ্মীপুরে ২৬, কুমিল্লায় ২৩৪ ও খাগড়াছড়িতে ১১ জনের মৃ’ত্যু হয়েছে। এসব জে’লার সিভিল সার্জন কার্যালয় জানিয়েছে, জুলাই মাসে উপসর্গ নিয়ে নোয়াখালীতে ২৫ জন, চাঁদপুরে ১৩০, লক্ষ্মীপুরে ৩০, কুমিল্লায় ২৯৯ ও খাগড়াছড়িতে ২৬ জন প্রা’ণ হারিয়েছেন। অর্থাৎ জুলাই মাসে এই পাঁচ জে’লায় করো’না পজিটিভ হয়ে মা’রা গেছেন মোট ৩৬২ জন। এর বাইরে জে’লাগুলোয় উপসর্গ নিয়ে ৫১০ জন প্রা’ণ হারিয়েছেন।

খুলনা বিভাগের মেহেরপুর সদর হাসপাতা’লে করো’নায় ৭৭ ও উপসর্গে ৭৩ জন, ঝিনাইদহ সদর হাসপাতা’লে করো’নায় আ’ক্রান্ত হয়ে ও উপসর্গে ১০০ জন করে, কুষ্টিয়ার জেনারেল হাসপাতা’লে করো’নায় ৩০৫ ও উপসর্গে ৬০ এবং সাতক্ষীরাতে করো’নায় ১১ ও উপসর্গে ৭৬ জন প্রা’ণ হারিয়েছেন। এই চার জে’লায় জুলাই মাসে করো’নায় সংক্রমিত হয়ে ৪৯৩ এবং উপসর্গ নিয়ে ৩০৯ জন প্রা’ণ হারিয়েছেন। এ ছাড়া খুলনা জে’লার করো’না ডেডিকে’টেড হাসপাতা’লে এ সময়ে ৬৫ জনের মৃ’ত্যুর তথ্য জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

বরিশাল বিভাগের জে’লাগুলোর মধ্যে বরিশালে ৩০ জন, ঝালকাঠিতে ২৯ এবং ভোলায় আটজন করো’না আ’ক্রান্ত হয়ে মা’রা গেছেন। এ ছাড়া বরিশাল শেরেবাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতা’লে উপসর্গ নিয়ে ২৯৪ জন প্রা’ণ হারিয়েছেন। ঝালকাঠিতে ৩৩ ও ভোলায় ২৭ জন উপসর্গ নিয়ে মা’রা গেছেন বলে জানিয়েছে জে’লার সিভিল সার্জন অফিসগুলো। অধিদপ্তরের হিসাবে জুলাই মাসে বরিশাল বিভাগে যেখানে ১৬৩ জন মা’রা গেছেন, সেখানে দুই জে’লা ও এক হাসপাতা’লেই উপসর্গ নিয়ে ৩৫৪ জনের মৃ’ত্যু হয়েছে।

রংপুর বিভাগের দিনাজপুর জে’লায় জুলাই মাসে করো’না আ’ক্রান্ত হয়ে মা’রা গেছেন ৬৮ জন। সিভিল সার্জন অফিসের তথ্যমতে, জুলাই মাসের ১৬ থেকে ৩১ তারিখ পর্যন্ত উপসর্গ নিয়ে প্রা’ণ হারিয়েছেন ৬১ জন। অর্থাৎ জে’লাতে করো’না আ’ক্রান্ত হয়ে মা’রা যাওয়াদের প্রায় সমপরিমাণ মানুষ উপসর্গ নিয়ে মা’রা গেছেন মাসের শেষ ১৬ দিনেই।

সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতা’লে করো’নায় সংক্রমিত হয়ে ১৩ ও উপসর্গ নিয়ে ৩০ এবং হবিগঞ্জে করো’নায় আ’ক্রান্ত হয়ে ১৩ ও উপসর্গ নিয়ে ১০ জনের মৃ’ত্যু হয়েছে। অর্থাৎ, জুলাই মাসে এ দুই জায়গায় করো’নায় ২৬ জন এবং উপসর্গ নিয়ে ৪০ জন প্রা’ণ হারিয়েছেন।

জুলাই মাসে রাজশাহী বিভাগের মধ্যে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতা’লে (রামেক) করো’না আ’ক্রান্ত হয়ে ১৮০ এবং বগুড়াতে ১৭৬ জনের মৃ’ত্যু হয়েছে। এর বাইরে রামেকে করো’নার উপসর্গ নিয়ে ৩২০ ও বগুড়ায় ২৭৮ জন প্রা’ণ হারিয়েছেন। অর্থাৎ, রামেক ও বগুড়ায় জুলাই মাসে করো’নায় মৃ’ত্যু হয়েছে ৩৫৬ জনের। এর বাইরে করো’নার উপসর্গ নিয়ে মা’রা গেছেন আরও ৫৯৮ জন।

ময়মনসিংহ বিভাগের জে’লাগুলোর মধ্যে একমাত্র ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ছাড়া অন্য জে’লাগুলোতে উপসর্গে মৃ’ত্যু নিয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এই হাসপাতা’লে গত জুলাই মাসে করো’না আ’ক্রান্ত হয়ে ১৮৭ এবং উপসর্গ নিয়ে ২৮০ জনের মৃ’ত্যু হয়েছে।

উপসর্গে মৃ’ত্যুর তথ্য সংরক্ষণ হয় না : সমকালের বিভাগীয় অফিস ও জে’লা প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্য অনুযায়ী, বেশিরভাগ জে’লাতেই উপসর্গে মৃ’ত্যুর তথ্য রাখা হয় না। এসব জে’লার সিভিল সার্জন অফিসগুলো জনবল সংকটের কথা বলছে।

অন্যদিকে উপসর্গ নিয়ে যারা মা’রা যাচ্ছেন, তাদের নমুনাও সংগ্রহ করা হচ্ছে না অধিকাংশ জে’লায়। সিভিল সার্জন অফিসগুলো এ ক্ষেত্রে করো’না রোগীর চাপ, ভর্তির কিছুক্ষণের মধ্যে মৃ’ত্যুসহ অনেক কারণ সামনে নিয়ে আসছেন। আবার কিছু জে’লায় উপসর্গে মৃ’ত্যুর একটি অংশের নমুনা পরীক্ষা করা হয়, বাকিদের ক্ষেত্রে নমুনা পরীক্ষা করা হয় না।

রামেক কর্তৃপক্ষ জানায়, করো’না সংক্রমণের শুরুর দিকে উপসর্গ নিয়ে কোনো রোগী মা’রা গেলে তার নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার মাধ্যমে করো’না পজিটিভ বা নেগেটিভ থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করা হতো। কিন্তু এখন আর সেটি করা হয় না।

সিলেটের সিভিল সার্জন কার্যালয় জানিয়েছে, সিলেট বিভাগের প্রধান চিকিৎসাকেন্দ্র ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতা’লে মেডিসিন বিভাগে ভর্তি অনেকের করো’নার উপসর্গ থাকে। ফলে ওসমানীতে উপসর্গ নিয়ে মৃ’ত্যুর সঠিক তথ্য পাওয়া সম্ভব নয়। উপসর্গ নিয়ে কেউ মা’রা গেলে করো’না পরীক্ষা হয় না।

উপসর্গে মৃ’ত্যুর বড় একটি অংশই করো’না আ’ক্রান্ত হয়ে মা’রা যান বলে জানিয়েছেন বেশ কয়েকজন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ। অ’তীতে চীন, ভা’রতসহ অনেক দেশেই করো’নার সংক্রমণ কিছুটা কমে এলে উপসর্গে মৃ’ত্যু হওয়াদের মধ্য থেকে করো’না আ’ক্রান্ত হয়ে মৃ’ত্যু আলাদা করে মোট মৃ’ত্যুর সঙ্গে যোগ করা হয়েছে। তবে উপসর্গে মৃ’ত্যুর হিসাব রাখা না হলে করো’নায় মৃ’ত্যুর তথ্য হালনাগাদ করা বাংলাদেশের জন্য প্রায় অসম্ভব হয়ে যাবে বলে মত দিয়েছেন জনস্বাস্থ্যবিদরা।

সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. শাহাদাত হোসেন  বলেন, উপসর্গে মৃ’ত্যুর ৭০ থেকে ৮০ ভাগই সাধারণত করো’না ‘পজিটিভ’ রোগী থাকে। তবে এমন অনেক রোগী শ্বা’সক’ষ্ট নিয়ে হাসপাতা’লের করো’না আইসোলেশন ইউনিটে আসেন, যারা করো’না আ’ক্রান্ত নন। হার্ট অ্যাটাক, অ্যাজমাসহ অনেক কারণেই রোগীর শ্বা’সক’ষ্ট হতে পারে। এমন রোগীদের অনেকেই আইসোলেশন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃ’ত্যুবরণ করেন। এমন রোগীর পরিমাণ ২০ থেকে ৩০ শতাংশ হতে পারে।

পরীক্ষা-নিরীক্ষার আগে যারা মা’রা যান তাদের মৃ’ত্যুর হিসাব করো’নায় অন্তর্ভুক্ত করা হয় না বলে স্বীকার করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি সমকালকে বলেন, উপসর্গ নিয়ে মৃ’ত্যুবরণ করা সবাই করো’না সংক্রমিত নন। তবে কেউ কেউ থাকতে পারেন।

মন্ত্রীর ভাষ্য, উপসর্গ নিয়ে কেউ হাসপাতা’লে গেলে তাকে আইসোলেশন ওয়ার্ডে রাখা হয়। সেখান থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষায় পজিটিভ এলে তাকে করো’না ইউনিটে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়। আর করো’নার নেগেটিভ হলে অন্যত্র স্থা’নান্তর করা হয়। আবার পরীক্ষা-নিরীক্ষার আগেই কেউ কেউ মৃ’ত্যুবরণ করেন। তখন তাদের মৃ’ত্যুর হিসাব করো’নায় অন্তর্ভুক্ত করা হয় না।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  • 54
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    54
    Shares

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: