সর্বশেষ আপডেট : ১১ ঘন্টা আগে
সোমবার, ২৯ নভেম্বর ২০২১ খ্রীষ্টাব্দ | ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET
Fapperman.com DoEscorts

নগরজুড়ে পকেটচুরি করেন ভাবির দেবররা!

নগরজুড়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে পকেটমা’র। পাঞ্জাবি পরিহিত রিকশা আরোহী কিংবা বাসযাত্রী অথবা ভিড়ের মধ্যে কাজে ব্যস্ত ব্যক্তিদের পিছু নিচ্ছে তারা।
সুযোগ বুঝে সঙ্গোপনে পকেট থেকে তুলে নিচ্ছে মোবাইল ফোন। বিক্রি করে দিচ্ছে মোবাইল সার্ভিসিংয়ের দোকান অথবা পরিচিতজনের কাছে। দুই পকেটমা’রকে গ্রে’প্তারের পর গোয়েন্দা পু’লিশ জানিয়েছে, চক্রটির প্রধান ‘ভাবি’ হিসেবে পরিচিত এক নারী। তার কাছ থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে রাজধানীতে সক্রিয় শত শত পকেটমা’র।

পাঞ্জাবি কিংবা ঢিলেঢালা পোশাক পরিহিত ব্যক্তি দেখলেই সক্রিয় হয়ে ওঠে পকেটমা’রেরা। চলতি পথে, রিকশা ও বাসে যাত্রার সময় অথবা ভিড়ের মধ্যে ব্যস্ত ব্যক্তির পকেট থেকে তুলে নিচ্ছে মোবাইল ফোন। ভুক্তভোগীরা জানান, খুব সঙ্গোপনে পকেট থেকে মোবাইল সেট তুলে নিয়ে যায় পকেটমা’ররা। টের পেতে পেতে গড়িয়ে যায় অনেক সময়। রিকশা নিয়ে চার থেকে পাঁচশ’ ফিট না যেতেই দেখা যায় মোবাইল নাই। ফোনে কথা বলা কয়েক মিনিট পরেই দেখি পকে’টে মোবাইল নাই।

সম্প্রতি পঁচিশটি করে অ্যান্ড্রয়েড ও ফিচার ফোনসহ দুই পকেটমা’র ধ’রা পড়েছে। রাজধানীর পল্টন এলাকায় ঘুরে ঘুরে মোবাইল চু’রি করে তারা। দু’জনের এই দলটির সিনিয়র সোহেল। অর্থের বিনিময়ে তার জুনিয়র হিসেবে কাজ করে মোশাররফ। পাঞ্জাবি পরিহিত আরোহী দেখলেই রিকশার পেছনে ঝুলে পড়ে সোহেল। রিকশাটির ঠিক পেছনে সাইকেলে চড়ে আড়াল তৈরি করে মোশাররফ। সুযোগ বুঝে পকেট থেকে মোবাইল ফোন তুলে কে’টে পড়ে তারা।

দুই পকেটমা’র জানান, পাঞ্জাবিওয়ালারাই আমাদের মূল টার্গেট, তাদের পকেট বড় থাকে, মোবাইল তুলে নিতেও সুবিদা হয়। সামনে থেকে একজন কথা বলা শুরু করে দিলে পেছন থেকে আম’রা নিয়ে যাই। এরপর ৫০০ বা এ হাজার টাকায় এগুলো গু’লিস্তানে বিক্রি করে দেয়া হয়।

দুই পকেটমা’র আরও জানিয়েছে, চো’রাই সেটগুলো প্রগতি সরণি ও গু’লিস্তানে পাতাল মা’র্কে’টে মোবাইল সার্ভিসিংয়ের দোকানিদের কাছে বেচে দেয়া হয়। আইএমইআই নম্বর বদলে অথবা পার্টস আলাদা করে সেট বিক্রি করে দেয় দোকানিরা।

দুই পকেটমা’রকে জিজ্ঞাসাবাদ করে গোয়েন্দা পু’লিশ জানিয়েছে, ঢাকার সবচেয়ে বড় পকেটমা’র চক্রের প্রধান নাসিমা। নিজের জগতে ‘ভাবি’ হিসেবে পরিচিত তিনি। তার সেকেন্ড ইন কমান্ড গাজীপুরের রুহুল আমিন। এই দু’জনের কাছ থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে রাজধানীতে এলাকাভিত্তিক পকেটমা’রায় জ’ড়িত শত শত সদস্য। প্রতিটি মোবাইল ফোন বিক্রির পর কমিশনের টাকা পাঠিয়ে দেয়াহয় ভাবির কাছে।

ঢাকা মহানগর পু’লিশের উপ কমিশনার, গোয়েন্দা বিভাগ (মতিঝিল) মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘চু’রি করেই যে শেষ হচ্ছে বিষয়টি সেরকম নয়। এই চো’রাই মোবাইলগুলো কয়েকটি হাত ঘুরে সাধারন ক্রেতাদের কাছে চলে যায়। কয়েকজনকে ধ’রা হয়েছে কিন্তু এই চক্রের প্রধানকে এখনও গ্রে’প্তার করা যায়নি।

এসময় তিনি আরও বলেন, ‘কয়েকটি মা’র্কেট কেন্দ্রিক এই চক্রগুলো সক্রিয়। আম’রা বেশকিছু দোকানের নামও পেয়েছি যারা এর সাথে জ’ড়িত। এই মা’র্কেটগুলোর কমিটির সাথেও এবিষয়ে আলোচনা করা হচ্ছে যাতে অ’প’রাধীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা যায়।’

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  • 9
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    9
    Shares

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: