সর্বশেষ আপডেট : ৩ ঘন্টা আগে
শনিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২১ খ্রীষ্টাব্দ | ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET
Fapperman.com DoEscorts

পুতিনকে উপহার নয়, কূটনৈতিক গুঁতো দিলেন বাইডেন

ন্যাটো জোট। নাম শুনলেই গায়ে ফোসকা পড়ে রাশিয়ার। চিরশত্রু আমেরিকার দোসর ৩০ দেশের এ জোটকে জন্ম থেকেই বাঁকা চোখে দেখে রাশিয়া। তার ওপর ইউক্রেন ইস্যুতে গত কয়েক বছর ধরে সীমান্তে অব্যাহত ন্যাটো মহড়ায় আরও খেপে আছে মস্কো। বুধবার জেনেভা সম্মেলনের প্রথম মুখোমুখি বৈঠকের কূটনৈতিক শিষ্টাচার রক্ষার্থে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে সেই ন্যাটো জোটেরই রোদ-চশমা (সানগ্লাস) উপহার দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। শুধু সানগ্লাস নয়। বিশ্ব রাজনীতিতে ‘লৌহমানব’ খ্যাত পুতিনকে ষাঁড়সদৃশ আমেরিকার জাতীয় স্তন্যপায়ী প্রাণী বাইসনের প্রতিকৃতিও উপহার দেন বাইডেন। ষাঁড়টি প্রতীকী হলেও, গোপন ব্যাখ্যাটি বেশ জীবন্ত হয়ে উঠেছে রুশ মুলুকে। যুক্তরাষ্ট্রের ঠান্ডা মাথার এই দুই উপহারে উসকানির গন্ধ পাচ্ছেন রাজনীতি বিশ্লেষকরাও। কেউ কেউ বলছেন- পুতিনকে উপহার নয়, কূটনৈতিক গুঁতো দিলেন বাইডেন।

যুক্তরাষ্ট্রের র‌্যানডল্ফ কোম্পানি মার্কিন সেনা ও ন্যাটো অংশীদারদের জন্য অভিজাত ঘরানার এভিয়েটর সানগ্লাস তৈরি করে থাকে। সেখান থেকেই রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে একজোড়া সানগ্লাস উপহার দেন বাইডেন। কেন ন্যাটো সদস্যদের ব্যবহৃত সানগ্লাস দিলেন তা নিয়েও জল্পনা-কল্পনার শেষ নেই। বৈঠক পরবর্তী সম্মেলনে বাইডেন তো বলেই ফেলেছেন, ‘রাশিয়া আমাদের শত্রু নয়’। তাহলে কি পুতিনকে ন্যাটো জোটে চাইছেন বাইডেন? রেষারেষি-প্রতিদ্বন্দ্বিতা ভুলে কি হাত মেলাবে দুই শত্রু? নাকি চোখের ওপর প্রচ্ছন্ন হুমকি ঝুলিয়ে দিলেন বাইডেন- ‘বাড়াবাড়ি করলে ন্যাটো আছে।’

বস্তুত রাশিয়াকে শায়েস্তা করতেই ন্যাটোর জন্ম। সোভিয়েত ইউনিয়নের হাত থেকে ইউরোপের দেশগুলোকে নিরাপত্তা দিতে ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগে ন্যাটোর যাত্রা শুরু হয়েছিল। পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর সম্প্রসারণকে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি মনে করে রাশিয়াও। ন্যাটোকে উচিত শিক্ষা দিতে ২০১৬ সালে নতুন একটি বিলে স্বাক্ষর করেছিলেন পুতিন। ওই বিলে বলা হয়, রাশিয়ার ‘স্বাধীন অভ্যন্তরীণ ও পররাষ্ট্রনীতি’ যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্র দেশগুলোর বাধার মুখে ‘পালটা জবাব’ দেওয়ার উদ্যোগ নেবে দেশটি। ২০১৪ সালে ইউক্রেনে লড়াই শুরুর পর থেকে পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্কের অবনতি হয়। ন্যাটোর প্রতি সমালোচনামূলক আরও কয়েকটি দলিলে স্বাক্ষর করেছেন পুতিন। রাশিয়ার ন্যাটোবিদ্বেষী এ মনোভাব গোটা বিশ্বেই পরিচিত। অজানা নয় যুক্তরাষ্ট্রেরও। তা সত্ত্বেও বাইডেনের এ উপহারকে মরার উপর খাঁড়ার ঘা হিসাবে দেখছেন বিশ্ব কূটনীতিকরা। সূত্র: যুগান্তর

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  • 26
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    26
    Shares
নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: