সর্বশেষ আপডেট : ৮ মিনিট ৫২ সেকেন্ড আগে
মঙ্গলবার, ৩ অগাস্ট ২০২১ খ্রীষ্টাব্দ | ১৯ শ্রাবণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET
Fapperman.com DoEscorts

শুধু ঢাকার মানুষ পাবে ফাইজারের টিকা

যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ফাইজার ও জার্মান জৈবপ্রযুক্তি কোম্পানি বায়োএনটেকের তৈরি ১ লাখ ৬২০ ডোজ করোনার টিকা ‘ফাইজার’ দেশে আসছে ৩০ মে রবিবার। টিকার বৈশ্বিক উদ্যোগ কোভ্যাক্স (কভিড-১৯ ভ্যাকসিনস গ্লোবাল অ্যাকসেস ফ্যাসিলিটি) বাংলাদেশকে বিনামূল্যে এই টিকা দিচ্ছে। মোট জনসংখ্যার ২০ শতাংশকে বিনামূল্যে টিকা দেওয়ার কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ প্রথম দফায় এই টিকা পেতে যাচ্ছে।

প্রথম ডোজের জন্য নিবন্ধিত মানুষ অগ্রাধিকারভিত্তিতে ফাইজারের টিকা পাবেন। তবে এটি সীমাবদ্ধ রাখা হচ্ছে কেবল ঢাকার জন্য। কারণ এই টিকা সংরক্ষণে যে মাইনাস তাপমাত্রার কোল্ড চেইন দরকার, তা কেবল ঢাকাতেই রয়েছে। ফলে এই টিকা ঢাকার নিবন্ধিত ব্যক্তিদের দেওয়া হবে। প্রথম ডোজ নেওয়ার তিন সপ্তাহ পর এসব মানুষই এই টিকার দ্বিতীয় ডোজ পাবেন।

এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ তথ্য কর্মকর্তা মো. মাইদুল ইসলাম প্রধান গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে বলেন, জাতিসংঘের টিকা জোট কোভ্যাক্স থেকে করোনা টিকার প্রথম চালান আসছে রবিবার (৩০ মে) রাত ১১টা ২০ মিনিটে কাতার এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে। প্রথম চালানে আসবে ফাইজারের ১ লাখ ৬২০ ডোজ টিকা।

এর আগে অবশ্য স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছিলেন, আগামী ২ জুন ফাইজারের অন্তত ১ লাখ ৬ হাজার ডোজ করোনার টিকা বাংলাদেশে আসছে। ন্যায্যতার ভিত্তিতে ‘কোভ্যাক্স’-এর মাধ্যমে এ টিকা দেওয়া হচ্ছে বাংলাদেশকে।

দেশে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ‘কভিশিল্ড’ টিকার মজুদ একেবারে শেষের দিকে। গতকাল পর্যন্ত মজুদ ছিল ২ লাখ ৫৮ হাজার ৬৬৮ ডোজ। এ টিকা দিয়ে খুব বেশি হলে পাঁচ দিন টিকাদান কর্মসূচি চালাতে পারবে সরকার।

মজুদ শেষ হয়ে গেলে টিকাদান কর্মসূচি বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। কারণ যারা অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার প্রথম ডোজ নিয়েছেন, তাদের অন্য কোম্পানির ভ্যাকসিন দিয়ে দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার সুযোগ নেই। সে ক্ষেত্রে ১৪ লাখ ৩৯ হাজার ৯৪২ জন দ্বিতীয় ডোজ টিকা পাচ্ছেন না। পরবর্তী টিকার চালান না আসা পর্যন্ত প্রথম ডোজ নিয়েছেন এমন টিকাগ্রহীতাদের ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করতে এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে অধিদপ্তর। এমন অবস্থায় ফাইজারের টিকা আসার খবরে দেশে টিকাদান কর্মসূচি অব্যাহত রাখতে কিছুটা হলেও আশা দেখা দিল।

এ ছাড়া গতকাল চীনের সিনোফার্ম থেকে দেড় কোটি টিকা কেনার প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে সরকার। সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় চীন থেকে সরকারি পর্যায়ে সরাসরি ওই টিকা কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। আগামী জুন থেকে প্রতি মাসে ৫০ লাখ করে তিন মাসে এই টিকা দেশে আসার কথা। এর বাইরে বাংলাদেশকে সিনোফার্মের আরও ৬ লাখ টিকা উপহার হিসেবে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে চীন। এর আগে ১২ মে প্রথম দফায় বাংলাদেশকে ৫ লাখ টিকা উপহার দেয় দেশটি।

সরকার বিভিন্ন দেশ ও উৎস থেকে টিকা পেতে জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। তারা জানান, এসব উদ্যোগের মধ্যে এখন পর্যন্ত করোনার টিকার বৈশ্বিক উদ্যোগ কোভ্যাক্স থেকে ফাইজারের টিকা পাওয়ার ব্যাপারে নিশ্চয়তা মিলেছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য থেকেও অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা পেতে চেষ্টা করছে সরকার। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র টিকা দিতে সম্মত হয়েছে। তবে ঠিক কী পরিমাণ টিকা দেবে, তা জানায়নি। পাশাপাশি ভারত থেকেও চুক্তির টিকা পেতে জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার। চুক্তির টিকা দিতে না পারলেও ভারতকে উপহার হিসেবে টিকা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সরকার।

এসব উদ্যোগের ব্যাপারে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মুখপাত্র ও রোগতত্ত্ব বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য থেকে করোনার দ্বিতীয় ডোজের টিকা (কভিশিল্ড) সংগ্রহের জন্য চেষ্টা করছে সরকার। তাদের কাছে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার যে বাড়তি টিকার মজুদ রয়েছে, তা বিভিন্নভাবে সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব ব্যাপারে আলোচনা চলছে। আমরা আশাবাদী, কোনো না কোনোভাবে এ উৎসগুলো থেকে চাহিদা মোতাবেক টিকা সংগ্রহ করতে পারব। কিন্তু তারপরও হয়তো ১৫ লাখের কাছাকাছি মানুষের দ্বিতীয় ডোজের টিকা পেতে বিলম্ব হবে। আশা করা যায়, আগামী ১২ থেকে ১৬ সপ্তাহের মধ্যেই টিকা পেয়ে যাবেন তারা।

চলতি বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি দেশে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়। অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার উদ্ভাবিত ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে উৎপাদিত টিকা কিনতে গত নভেম্বরে বাংলাদেশ সরকার, ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো ফার্মার মধ্যে ত্রিপক্ষীয় চুক্তি হয়। অগ্রিম অর্থও পরিশোধ করে বাংলাদেশ। চুক্তি অনুসারে তিন কোটি ডোজের প্রতি মাসে ৫০ লাখ ডোজ করে বাংলাদেশের পাওয়ার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত কেবল ৭০ লাখ ডোজ টিকা এসেছে। ভারত সরকার টিকা রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দিলে সরবরাহ বন্ধ করে দেয় সেরাম। এতে বাধার মুখে পড়ে দেশের টিকাদান কর্মসূচি। এরপর টিকার জন্য বিভিন্ন উৎসের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করে বাংলাদেশ। অক্সফোর্ডের পর চীনের সিনোফার্ম আর রাশিয়ার স্পুৎনিক-ভি টিকার জরুরি প্রয়োগের অনুমোদন দেয় ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।

ফাইজারের টিকা শুধু ঢাকায় দেওয়া হবে : স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, ইতিমধ্যেই যারা টিকার জন্য নিবন্ধন করেছেন, ফাইজার টিকা তাদের দেওয়া হবে। অনেক নিবন্ধন করা আছে। প্রথম ডোজ টিকা আমরা বন্ধ করে দিয়েছি। যারা প্রথম ডোজ নেওয়ার জন্য নিবন্ধন করেছিল, কিন্তু টিকা না থাকায় টিকা নিতে পারেননি, তারাই অগ্রাধিকার পাবেন। এর জন্য আলাদা কোনো বিতরণ পরিকল্পনা করা হবে না। তবে এই টিকা শুধু ঢাকার মধ্যেই দেওয়া হবে। কারণ এই টিকা সংরক্ষণ ও পরিবহনে আলাদা কোল্ড চেইন লাগে। ঢাকার বাইরে পরিবহন করা সম্ভব নয়। তা ছাড়া টিকার পরিমাণও খুব বেশি না, মাত্র এক লাখ ডোজ। তাই ঢাকাতেই সীমাবদ্ধ রাখব। টিকা আসবে ১ লাখ ৬২০ ডোজ।

এই বিশেষজ্ঞ কর্মকর্তা জানান, এই টিকা মাইনাস ৭০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় রাখতে হয়। এই তাপমাত্রার কোল্ড চেইন ঢাকায় আছে। দুই ডোজ দিতে হয়। প্রথম ডোজের তিন সপ্তাহ পর দ্বিতীয় ডোজ নিতে হয়। এই টিকা বাংলাদেশ বিনামূল্যে কোভ্যাক্স থেকে পাচ্ছে। মোট জনসংখ্যার ২০ শতাংশ মানুষকে কোভ্যাক্স বিনামূল্যে টিকা দেবে। এর বেশি নিতে চাইলে টাকা দিয়ে কিনতে হবে। বাংলাদেশ কেনার জন্য আবেদন করে রেখেছে।

এই কর্মকর্তা বলেন, যেহেতু টিকার পরিমাণ কম, তাই ঠিক পরীক্ষামূলকভাবে কিছু করা হবে বললে ভুল হবে। তবে আমরা অবশ্যই প্রাথমিকভাবে কিছু মানুষকে আগে দেব ও কিছুদিন দেখব। তারপর সবাইকে দেওয়া হবে। এটা আমরা সব সময় করে থাকি। যেমন চীনের সিনোফার্ম প্রথমে কিছু দেওয়া হয়েছে। এখন এক সপ্তাহ তাদের দেখব। পরে পুরোটা দেওয়া হবে। ফাইজারের ক্ষেত্রেও এ রকম হবে।

আসার কত দিনের মধ্যে টিকা দেওয়া শুরু হবে, জানতে চাইলে এই বিশেষজ্ঞ কর্মকর্তা বলেন, আসার পর টিকা দেওয়া শুরু হতে একটু সময় লাগবে। কারণ এই টিকার সঙ্গে কিছু ডায়োলেন্ট লাগে। টিকাকে ডায়োলেট (প্রসারিত) করতে হয়। ডায়োলেন্ট যদি সঙ্গে সঙ্গে আসে, তাহলে আমরা সঙ্গে সঙ্গেই টিকা দেওয়া শুরু করতে পারব। আর ডায়োলেন্ট আসতে দেরি হলে টিকা শুরু করতেও সময় লাগবে। এটার সিরিঞ্জ আসতে হবে। কারণ এই সিরিঞ্জ অন্য টিকার চেয়ে ভিন্ন। এসব আনুষঙ্গিক জিনিসপত্র কোভ্যাক্স দেবে এবং টিকার সঙ্গেই পাঠানোর কথা।

জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন পেল ফাইজারের টিকা : ফাইজারের টিকাদান নিশ্চিত করতে গতকাল যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানি ফাইজার ও জার্মান জৈবপ্রযুক্তি কোম্পানি বায়োএনটেকের তৈরি করা করোনার টিকা বাংলাদেশে জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর। গতকাল অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমানের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই অনুমোদনের কথা জানানো হয়। এ নিয়ে বাংলাদেশ করোনার মোট চারটি টিকা অনুমোদন পেল। এর আগে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে তৈরি অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার কভিশিল্ড, রাশিয়ার তৈরি স্পুৎরিক-ভি এবং চীনের সিনোফার্মের তৈরি টিকার অনুমোদন দিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ফাইজারের টিকা ১২ বছর এবং তদূর্ধ্ব বয়সের ব্যক্তিদের জন্য প্রযোজ্য। টিকাটি দুই ডোজের। প্রথম ডোজ নেওয়ার ৩ থেকে ৪ সপ্তাহ পর দ্বিতীয় ডোজ নিতে হবে। ভ্যাকসিনটি মাইনাস ৯০ থেকে মাইনাস ৬০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করতে হয়। তবে ৫ দিন ২ থেকে ৮ ডিগ্রি তাপমাত্রায় এবং ২ ঘণ্টা ৩০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় টিকাটির গুণাগুণ ঠিক থাকে।

জুন থেকে আসবে চীনের কেনা টিকা : চীনের সিনোফার্ম থেকে প্রতি ডোজ ১০ ডলার দরে দেড় কোটি ডোজ করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন কেনার প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে সরকার। গতকাল সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় চীন থেকে সরকারি পর্যায়ে সরাসরি টিকা কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। সভাপতিত্ব করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে টিকাসংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য জানান অর্থ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব শাহিদা আক্তার।

শাহিদা আক্তার সাংবাদিকদের বলেন, জনস্বাস্থ্য সংরক্ষণ ও করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে টিকাদান অব্যাহত রাখতে চীনা প্রতিষ্ঠান সিনোফার্ম থেকে গণচীনের তৈরি সার্স কোভ-২ ভ্যাকসিন কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এই কর্মকর্তা জানান, দেড় কোটি ডোজ টিকার মোট দাম পড়বে ১৫ কোটি ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ হয় ১ হাজার ২৬৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা। প্রতি ডোজের দাম পড়বে ১০ ডলার ।

সিনোফার্ম প্রতি মাসে ৫০ লাখ করে জুন, জুলাই ও আগস্ট মাসে বাংলাদেশকে ১ কোটি ৫০ লাখ ডোজ টিকা সরবরাহ করবে জানিয়ে অতিরিক্ত সচিব শাহিদা বলেন, এই কেনাকাটায় আমাদের দেশীয় কোনো প্রতিষ্ঠান নেই। সরাসরি চীন সরকারের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের এই ক্রয় চুক্তি হচ্ছে।

কী পরিমাণ মজুদ আছে টিকা : সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে বাংলাদেশের কেনা ৩ কোটি ডোজ টিকা জুনের মধ্যে সরবরাহ করার কথা ছিল। কিন্তু ভারত রপ্তানি বন্ধ রাখায় বাংলাদেশ এ পর্যন্ত ৭০ লাখ ডোজ হাতে পেয়েছে। ফলে টিকাদান কর্মসূচি চালিয়ে নিতে এখন নতুন উৎস থেকে টিকা আনতে হচ্ছে সরকারকে। এর অংশ হিসেবে সিনোফার্মের বিবিআইবিপি-করভি (ইইওইচ-ঈড়ৎঠ) এবং রাশিয়ার তৈরি স্পুৎনিক-ভি টিকা বাংলাদেশে জরুরি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয় এপ্রিলের শেষে এবং মে মাসের শুরুতে। ১২ মে সিনোফার্মের টিকার ৫ লাখ ডোজ বাংলাদেশে এসে পৌঁছায়, যা চীন সরকার উপহার হিসেবে পাঠিয়েছে। আরও ৬ লাখ ডোজ টিকা চীন উপহার হিসেবে দেবে বলে জানিয়েছে। চীন থেকে আসা প্রথম চালানের টিকা ঢাকার চার মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের দেওয়া শুরু হয়েছে ২৫ মে। দেশের অন্যান্য মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদেরও এই টিকা দেওয়া হবে। কভিশিল্ডের মতো সিনোফার্মের টিকাও নিতে হবে দুই ডোজ করে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: