সর্বশেষ আপডেট : ৭ ঘন্টা আগে
রবিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২১ খ্রীষ্টাব্দ | ২ কার্তিক ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET
Fapperman.com DoEscorts

এবার মাহির সাথে ডিভোর্স নিয়ে ফেসবুক স্ট্যাটাসে মুখ খুললেন সিলেটের অ’পু

সারাদেশে বিভিন্ন ইস্যুর মধ্যেও যেটি নিয়ে তুমুল আলোচনা সেটি হলো চিত্রনায়িকা মাহির সাথে সিলেটের ব্যবসায়ী যুবক পারভেজ মাহমুদ অ’পুর বিবাহ বিচ্ছেদ। গতকাল শনিবার দিবাগত মধ্যরাতেই মাহি স্ট্যাটাসের মাধ্যমে বিচ্ছেদের বিষয়ে তার ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে নিশ্চিত করেন। তবে বিভিন্ন গনমাধ্যমে তার স্বামী সিলেটের অ’পুর বক্তব্য বিচ্ছিন্নভাবে আসে। এবার তিনি নিজেই তার আইডিতে এব্যাপারে বিস্তারিত লিখেন।

পাঠকদের জন্য তার স্ট্যাটাসটি হুবুহু তুলে ধ’রা হলো-

একটি স’ম্পর্ক গড়তে গেলে যেসব গুণ থাকে সেগুলো হলো সততা, ওয়াদা, বিশ্বস্ততা, বন্ধুত্ব, দায়িত্ব নেওয়ার ক্ষমতা, বোঝার ক্ষমতা, স্বচ্ছতা ও ভালোবাসা , নিজস্ব বিশ্বা’স ইত্যাদি , এবং স’ম্পর্ক হওয়ার পর সেটা পরিবর্তিত হতেই পারে। আম’রা বেঁচে আছি স’ম্পর্কে নিয়ে স’ম্পর্কের বন্ধনে ব’ন্দি হয়ে।আবার স’ম্পর্ক কখনো শেষ ও হয় না শুধু পরিবর্তিত হয় । বিচ্ছেদ যেকোনও স’ম্পর্কে যেকোনও সময় আসতে পারে। যেকোন বিচ্ছেদই ক’ষ্টদায়ক। কিন্তু প্রত্যেক মানুষের নিজের মতো করে বাঁ’চার স্বাধীনতা রয়েছে। আর এতে করে তিনি/তারা নিজের মতো করে ভালো থাকতেই পারেন। স’ম্পর্কগুলো স্থায়ী হোক এমনটাই সবাই চায় কিন্তু বাস্তুবিক তা হয় না। দেখা যায়, সারাজীবন দুজন পাশাপাশি থাকার পর মৃ’ত্যু এসে একজনকে নিয়ে যায়, বা দুজন এর মতের মিল ও বিশ্বা’স আলাদা হলে তখন একসাথে থাকার চেয়ে আলাদা থাকতে চাই। এতে দোষ এর কিছু তো নাই ই বরং এটা উভ’য়ের জন্য ভালো। আমাদের বাঙালি সমাজ এখনও সেভাবে প্রাপ্তবয়স্ক হয়নি।

তাই তো ডিভোর্স কথাটা শুনলেই অনেকেরই কান ভোঁ-ভোঁ করে ওঠে। এই কারণেই ডিভোর্সির দিকে কপাল কুঁচকে তাকানোটাই এই সমাজের একটা অভ্যেস হয়ে দাঁড়িয়েছে।স’ম্পর্ক তৈরী করার মতন, স’ম্পর্ক থেকে বের হয়ে আসাও খুব স্বাভাবিক। মানুষের জীবনে অনুভূতির সংকোচন, সম্প্রসারণ হতেই পারে। একসাথে থাকতে না চাওয়ার কারণে জন্মাতে পারে। ভাল না লাগতে পারে। বিশেষ কোন কারণে আলাদা হওয়ার ইচ্ছা হতে পারে। আবার কেউ কেউ মানিয়ে নিয়েও বেঁচে থাকে। দুজন মানুষের ভেতর অভ্যন্তরীন বনিবনা না হলে, একসাথে থেকে তিক্ততা বাড়ানোর কোন মানেই হয় না। তারচেয়ে, দুজন মানুষ আলাদা হয়ে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের জায়গাটুকু বাঁচিয়ে রাখার দৃশ্যই সুন্দর। যেকোনও বিচ্ছেদই ক’ষ্টদায়ক। কিন্তু কোনও স’ম্পর্কই হয়তো পুরোপুরি শেষ হয় না, সময়ের সঙ্গে বদল আসে দুজনের বোঝাপড়ায়।

আসলে ডিভোর্সের পর স’ম্পর্কের নাম বদলে যায় শুধু। একে অ’পরের কথা শেষ হয় যায় না ,কেউ কারো শত্রু হয়ে যায় না বন্ধুত্বও শেষ হয়ে যায় না। অনেক চাওয়া পাওয়া অনেক ভালোবাসা, আকাঙ্খার ফসলে বৈবাহিক সম্বন্ধ গড়ে উঠে তার ভাঙনকালে যন্ত্র’না হওয়া অবশ্যম্ভাবী। কিন্তু তার মানে এই নয় যে আপনার জীবন সেখানেই শেষ হয়ে গেল বা শেষ হয়ে গেলো এমনও নয় প্রাক্তন এর প্রতি থাকবেই তীব্র বিদ্বেষ! ডিভোর্স সত্ত্বেও প্রাক্তনের প্রতি সম্মান ধরে রাখা সম্ভব। আর এই সম্মানটা মনের মধ্যে পোষণ করেই নিজেদের ম’র্যাদা অটুট রেখে আম’রা সামনের দিকে এগিয়ে যাব। আর আশা করছি আমাদের পরিচিত-পরিজনেরা, শুভাকাংখিরা আমাদের এই সিদ্ধান্ত-কে পজিটিভভাবে গ্রহণ করে আমাদের সাথে সাথে থাকবেন। আর একটা অনুরোধ করতে চাই আদর্শিক পার্থক্য বা নিজের ব্যক্তিগত পছন্দ অ’পছন্দের কারণে গালিগালাজ তথা নেতিবাচক মানসিকতা থেকে নিজেকে মুক্ত রাখু’ন। এখনো কিছু মানুষ আছে যারা মূল্যবোধ,দায়বদ্ধতা, শ্রদ্ধা এবং বিশ্বা’স এই শব্দগুলোর মানে বুঝে। তাই সবার প্রতি অনুরোধ, নিজের আ’পত্তি বা ক্ষোভ যৌক্তিক এবং শোভনীয় ভাষায় তুলে ধরুন।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  • 5
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    5
    Shares
নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: