সর্বশেষ আপডেট : ১ মিনিট ৩২ সেকেন্ড আগে
বুধবার, ২৮ জুলাই ২০২১ খ্রীষ্টাব্দ | ১৩ শ্রাবণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET
Fapperman.com DoEscorts

নি’র্যা’তনের মুখে পু’লিশের প্রস্তাবে ‘মুচলেকায়’ মুক্তিতে রাজি হন রোজিনা

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একটি কক্ষে প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রোজিনা ইস’লামের ওপর কর্মক’র্তা-কর্মচারীদের শারীরিক ও মানসিক নি’র্যা’তনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাই’রাল রয়েছে। সাত মিনিটের বেশি সময়ের ওই ভিডিওতে রোজিনা ইস’লামের ওপর নি’র্যা’তনের চিত্রও প্রকাশিত হয়। নি’র্যা’তনের একপর্যায়ে একজন পু’লিশ সদস্যের মুচলেকা দেওয়ার প্রস্তাবে রাজি হন রোজিনা।

এদিকে, এই ভিডিওর কিছু খণ্ডিত অংশও অনেকেই প্রচার করছেন। শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবল হাসান চৌধুরী নওফেল সাত মিনিটের ওই ভিডিওর চল্লিশ সেকেন্ডের একটি ক্লিপ ফেসবুকে শেয়ার করেন যে ভিডিওর শিরোনাম দেন ‘ফাইল চু’রির দায় স্বীকার প্রথম আলো সাংবাদিক রোজিনার’। উপমন্ত্রীর প্রচারিত এই ভিডিওতে প্রথম সাত ঘণ্টায় চার হাজারের বেশি লাইক পড়েছে, শেয়ার হয়েছে আট শতাধিক বার এবং কমেন্ট পড়েছে প্রায় এক হাজার। অধিকাংশ কমেন্টেই খণ্ডিত এই ভিডিওর সমালোচনা করা হয়েছে।

বুধবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাই’রাল হওয়া সাত মিনিটের ওই ভিডিওর শুরুতেই দেখা যায় একজন নারী রোজিনা ইস’লামের গলা চেপে ধরেছেন। গলা চেপে ধ’রার কারণের উত্তরে ওই নারী বলেন, ‘আপনি সচিব স্যারকে ফোন দেন।’

জবাবে রোজিনা বলেন, ‘আমা’র ফোন ফেরত দেন’।

পাশে উপস্থিত এক নারী পু’লিশ সদস্য তখন বলে ওঠেন, ‘না- ফোন দেওয়া যাবে না।’

রোজিনা বলেন, ‘সচিব মহোদয় আমাকে চেনেন। আমি শুনতে চাই তিনি আমা’র বিষয়ে কী’ বলেন। তার সাথে বিভিন্ন সংবাদের বিষয়ে আমা’র কথা হয়েছে।’

জবাবে ওই নারী পু’লিশ সদস্য বলেন, ‘তাকে সচিব স্যারের কাছে নেওয়া যাবে না। সে ওখানে গিয়ে সিনক্রিয়েট করবে, একটা অ’সুস্থ মহিলা।’

উপস্থিত নারী রোজিনাকে জিজ্ঞেস করেন, ‘আপনি কী’ করেন? এখানে ঢুকলেন কিভাবে?’ জবাবে রোজিনা বলেন, ‘আমি প্রথম আলোতে কাজ করি।’ এরপর ওই নারী রোজিনাকে প্রথম আলোর সম্পাদককে ফোন করতে বলেন। নারী বলেন, ‘প্রথম আলোর সম্পাদক সচিব স্যারকে ফোন দেবে।’

এ সময় কোনো এক কর্মক’র্তা উপস্থিত হলে ঘটনাস্থলে থাকা একজন পু’লিশ তাকে ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বলেন, এই নারী কিছু কাগজ চু’রি করেছেন এবং ছবি তুলেছেন। তার এগুলো এডিশনাল সেক্রেটারি স্যার ধরেছেন। তখন রোজিনা মিথ্যা তথ্য দেওয়া হচ্ছে বলে এর প্রতিবাদ করেন।

রোজিনা বলেন, ‘আমি স্বাস্থ্য বিট কভা’র করি। প্রথমে আসছি টিকা দিতে। পরে এখানে এসেছি। আমা’র একটা সোর্স আছে, সে কিছু কাগজ দিয়েছে আমাকে। আমি চলে যাচ্ছিলাম। এসময় আমি পু’লিশকে জিজ্ঞেস করেছি পিএস কী’ আছে? বলে নাই। আমি বললাম, তাহলে কি ভেতরে ঢোকা ঠিক হবে? সে বলল আপনি ভেতরে গিয়ে বসেন, অ’সুবিধা নাই।’

এ সময় মহিলা পু’লিশ সদস্য বলেন, ‘পিআইডি কার্ড নিয়ে সে ঢুকছে। এই কার্ড আ’ট’কানোর সাধ্য কারও নেই। ২০০ টাকা দিলে এই কার্ড নীলক্ষেত থেকেও পাওয়া যায়। এই কার্ডের সত্য-মিথ্যা আম’রা যাচাই করতে পারি না।’

রোজিনা ইস’লাম বলেন, ‘আমাকে এই এডিসি ছাড়া সব এডিসি চেনেন। আমি কখনো কারও কোনো ডকুমেন্ট ধরেছি কেউ বলতে পারবে না।’

শারীরিক ও মানসিক নি’র্যা’তনের একপর্যায়ে একজন পু’লিশ সদস্যের প্রস্তাব মেনে নিয়ে মুচলেকা দিতেও সম্মত হন রোজিনা ইস’লাম। এরপরও তাকে আ’ট’কে রাখা হয়, এবং এরপর পু’লিশের কাছে সোপর্দ করে তথ্য চু’রির মা’মলা দেওয়া হয়।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  • 24
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    24
    Shares

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: