সর্বশেষ আপডেট : ২৩ মিনিট ৩০ সেকেন্ড আগে
শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১ খ্রীষ্টাব্দ | ১ কার্তিক ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET
Fapperman.com DoEscorts

ফিলি’স্তিনে খাদ্য-পানি সংকট, ত্রাণের ট্রাক আ’ট’কে দিল ইস’রাইল

টানা নবম দিনের মতো গাজা উপত্যকায় বর্বরোচিত হা’মলা অব্যাহত রেখেছে ইস’রাইল। দখলদারদের গো’লা ও মিসাইল গুড়িয়ে দিয়েছে নিরপরাধ ফিলি’স্তিনিদের বাড়িঘর।

আশ্রয়হীন হয়ে গাজায় জাতিসংঘ পরিচালিত স্কুলগুলোতে ঠাঁই নিয়েছেন হাজার হাজার ফিলি’স্তিনি। ৫৮টি স্কুলে ৪৭ হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের সহায়তা সংস্থা।

সেখানে জরুরি সেবা, খাদ্য, পানির সংকট দেখা দিয়েছে। তাদের জন্য ত্রাণসহায়তা জরুরি হয়ে পড়েছে।

আর এমন পরিস্থিতিতেও ফিলি’স্তিনের জন্য পাঠানো ত্রাণসহায়তা আ’ট’কে দিয়েছে ইস’রাইল।

ম’র্টার হা’মলায় নিজেদের এক সে’নার সামান্য আ’হত হওয়ার অযুহাতে গাজায় প্রবেশের সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছে ইস’রায়েলি বাহিনী। তাই বিভিন্ন দেশ ও সংস্থার পাঠানো ত্রাণবাহী ট্রাকের বহর আর ঢুকতে পারছে না।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার ত্রাণ নেওয়ার জন্য সাময়িকভাবে কারেম আবু সালেম সীমান্ত খুলে দিয়েছিল ইস’রায়েলি কো–অর্ডিনেটর অব গভর্নমেন্ট অ্যাক্টিভিটিজ ইন দ্য টেরিটোরিজ (কোগাট)। এরপর সেখান দিয়ে ত্রাণবাহী ট্রাক ঢুকতে শুরু করে। কিছুক্ষণ পরেই ম’র্টার হা’মলায় এক ইস’রায়েলি সে’না সামান্য আ’হত হওয়ার কথা জানিয়ে সীমান্ত বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়।

এক বিবৃতিতে কোগাট বলেছেন, ‘কারেম সালেম ক্রসিংয়ের দিকে ম’র্টার বো’মা হা’মলার পর বাকি ট্রাকগুলোর প্রবেশ বন্ধের সিদ্ধান্ত হয়েছে।’

এমন খবরে অসহায় ফিলি’স্তিনিদের উৎকণ্ঠা ওষ্ঠাগত। কারণ কারেম আবু সালেম সীমান্ত দিয়ে ফিলি’স্তিনে বেশিরভাগ পণ্য আসে।

এ বিষয়ে নরওয়েজিয়ান রিফুজি কাউন্সিলের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক মিডিয়া উপদেষ্টা কার্ল স্কেমব্রি আলজাজিরাকে বলের, কারেম আবু সালেম ও বেইত হ্যানুন ক্রসিং বন্ধ রাখা হলে গাজার ‘দম বন্ধ হওয়ার’ অবস্থা হবে। এদে জরুরি মানবিক সহায়তা ব্যাহত হবে। সীমান্তগুলো খোলা রাখা খুবই দরকার।

জাতিসংঘের সহায়তা সংস্থা মঙ্গলবার জানিয়েছে, গাজা উপত্যকায় ইস’রায়েলি হা’মলায় প্রায় ৪৫০টি ভবন ধ্বংস বা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে ৫২ হাজারের বেশি ফিলি’স্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

চলমান সংকটের মধ্যে মা হয়েছেন গাজার সুহের আল-আরবিদ নামের এক নারী। ইস’রাইলি হা’মলায় তিনি আজ বাস্তুচ্যুত।

নবজাতকের দিয়ে চেয়ে অঝোরে কেঁদে আলজাজিরাকে আর্তি জানালেন, ‘আমাদের খাবার, পোশাক, লেপকাঁথা ও দুধ প্রয়োজন। কিছুই নেই আমাদের। আমি আমা’র সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়াচ্ছি। কিন্তু এরপরও সে ক্ষুধার্ত থাকে। ফলে সে ক্ষুধায় কা’ন্না করে।’

উম্মে জামাল নামে আরো এক বাস্তুচ্যুত ফিলি’স্তিনি নারী বলেন, ‘বো’মাবর্ষণের দুঃস্মৃ’তি ভোলাতে শি’শুদের জন্য খেলনা ও অন্যান্য জিনিসপত্র প্রয়োজন। কিন্তু ভ’য়ে বাড়িতে যেতে পারছি না।’

ইস’রাইলের ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান হা’মলায় নি’হতের সংখ্যা বেড়ে ২৩৩ জনে দাঁড়িয়েছে। এদের মধ্যে ৬১টি শি’শু ও ৩৬ জন নারী রয়েছেন। আ’হতের সংখ্যা দেড় হাজার ছাড়িয়েছে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: