সর্বশেষ আপডেট : ৫ ঘন্টা আগে
বুধবার, ৪ অগাস্ট ২০২১ খ্রীষ্টাব্দ | ২০ শ্রাবণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET
Fapperman.com DoEscorts

ওরা বলেছে রোজিনাকে মাটির নিচে পুঁতে ফেলবে: ছোট বোন

আপনি অনেক নিউজ করেছেন অনেক লেখালেখি করেছেন আপনাকে এখন মাটিতে পুঁতে ফেলব। সোমবার (১৭ মে) প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রোজিনা ইস’লামকে সচিবালয়ে আ’ট’কিয়ে রেখে এভাবে মে’রে ফেলার হু’মকি দেওয়া হয় বলে অ’ভিযোগ করেন তার ছোট বোন সাবিনা ইয়াসমিন জুলি।

সোমবার (১৭ মে) রাতে বোনের সঙ্গে দেখা করে রাজধানীর শাহবাগ থা’নায় তিনি সাংবাদিকদের সাবিনা ইয়াসমিন জুলি এসব কথা বলেন।

সাবিনা ইয়াসমিন জুলি বলেন, রোজিনা ইস’লাম আমা’র বড় বোন। আমি প্রথম জানতাম না কি হয়েছে। পরে থা’নায় এসে আপার সঙ্গে কথা বলে সব শুনেছি। বোন আজকে টিকা নিয়েছে সে খুব অ’সুস্থ। এখন দেখলাম তার গায়ে অনেক জ্বর। টিকা নেওয়ার পর সচিবালয়ে যায়। সেখানে তার সঙ্গে সোর্সের দেখা করতে। দেখা হওয়ার পর সোর্স আমা’র বোনকে কিছু ডকুমেন্ট দেয়।

তিনি বলেন, ডকুমেন্ট পাওয়ার পর তখন তিনি স্বাস্থ্য সচিবের রুমে যাওয়ার জন্য বাইরে অ’পেক্ষমাণ কনস্টেবল মিজানকে জিজ্ঞেস করে ভিতরে কেউ আছে কি-না। তখন মিজান বোনকে বলে ভেতরে কেউ নেই, আপনি ভেতরে গিয়ে বসেন। তখন আমা’র বোন বলে আমি ভেতর যাব না, আমি তথ্য নিতে এসেছিলাম। তারপর মিজান বলে, আপনি রুমের ভেতর বসেন। স্যার এখনি চলে আসবেন। এই কথা বলে মিজান আমা’র বোনকে রুমের ভেতরে বাসায়।

রোজিনা ইস’লামের ছোট বোন বলেন, কক্ষে বসে আপা একটি পত্রিকা পড়ছিলেন। তখন কনস্টেবল মিজানসহ আরও কয়েকজন আপার ব্যাগ কেড়ে নেয়। তখন তারা বোনকে হু’মকি দিয়ে বলে এতদিন অনেক নিউজ ও লেখালেখি করেছেন আপনাকে মাটির মধ্যে পুঁতে ফেলব। পরে বোনকে ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা সচিবালয়ে আ’ট’কে রাখা হয়।

তিনি বলেন, আমা’র বোন পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য সচিবালয়ে গিয়েছিল। কিন্তু তাকে অনেক হয়’রানি করা হয়েছে। কনস্টেবল মিজানসহ ছয়-সাত জন আপাকে ঘিরে রাখে। মিজান তাকে মা’রতে গিয়েছিল। পরে তারা আমা’র আপার কাছ থেকে মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়। পরে তারা বোনের ব্যাগের মধ্যে কিছু কাগজ ঢুকিয়ে দিয়ে তার বি’রুদ্ধে মিথ্যা অ’পপ্রচার করছে।

কোন পর্যায়ে সাংবাদিক রোজিনা ইস’লামের ব্যাগের ভেতরে কাগজ ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে সাবিনা ইয়াসমিন জুলি বলেন, এত কিছু আমি বলতে পারব না। যেহেতু আমি সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে জড়িত নই। ব্যাগের মধ্যে কাগজ ঢুকিয়ে দিয়ে তারা বলে আম’রা দেখে নেব।

সাবিনা ইয়াসমিন জুলি আরও বলেন, স্বাস্থ্য খাতের কিছু অনিয়ম নিয়ে প্রতিবেদন করার পর থেকে বোনকে বিভিন্নভাবে হু’মকি দেওয়া হচ্ছিল। তবে এখন বোনের শারীরিক অবস্থা ভালো না। আমা’র বোনের চিকিৎসার প্রয়োজন। তাকে যদি এখন চিকিৎসা দেওয়া না হয় তাহলে তার শরীরটা আরও খা’রাপ হয়ে যাবে। আম’রা খুবই উৎকণ্ঠার মধ্যে আছি।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: