সর্বশেষ আপডেট : ২৬ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড আগে
সোমবার, ২ অগাস্ট ২০২১ খ্রীষ্টাব্দ | ১৮ শ্রাবণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET
Fapperman.com DoEscorts

ভা’রতে ম’সজিদ হয়ে উঠছে করো’না হাসপাতাল, সেবা নিচ্ছে সব ধ’র্মের মানুষ

বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম জনগোষ্ঠীর দেশ ভা’রতে সংখ্যালঘু মু’সলিম নি’পীড়নের অ’ভিযোগ রয়েছে বহু বছর ধরে। গুজরাটের দাঙ্গা, কা’শ্মীরের বিশেষ ম’র্যাদা লোপ, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন পাসের পর গত বছর দিল্লির দাঙ্গাতেও বড় ভুক্তভোগী ধ’রা হয় মু’সলিম’দের। তবে ইস’লাম যে শান্তি ধ’র্ম, তা আবারও প্রমাণ করছেন ভা’রতীয় মু’সলিম’রা। করো’না রোগীদের জন্য ম’সজিদের দরজা খুলে দিয়েছেন তারা। সেগুলো হয়ে উঠছে একেকটি অস্থায়ী হাসপাতাল, যেখানে চিকিৎসা নিচ্ছেন সব ধ’র্ম-বর্ণের মানুষ।

ভা’রতে গত মঙ্গলবারও তিন লক্ষাধিক নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে, মা’রা গেছে আড়াই হাজারেরও বেশি। ইতোমধ্যে করো’নায় দুই লাখ প্রা’ণহানির ভ’য়ঙ্কর মাইলফলক পেরিয়ে গেছে দেশটি। সেখানকার হাসপাতালগুলোতে তিলধারণের জায়গা নেই। এ পরিস্থিতি আরও খা’রাপ করে তুলেছে অক্সিজেনের চরম সংকট।

এমন অবস্থায় ভা’রতের বেশ কয়েকটি বড় বড় ম’সজিদ করো’নার চিকিৎসাকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এগুলোর মধ্যে গুজরাটের ভাদোদারা শহরের জাহাঙ্গীরপুরা ম’সজিদের নাম উল্লেখযোগ্য। এটিকে সম্প্রতি ৫০ শয্যার হাসপাতা’লে রূপান্তর করা হয়েছে।

হাসপাতালটির ট্রাস্টি ইরফান শেখ আরব নিউজকে বলেন, শহরের করো’না পরিস্থিতি ভালো নয়, মানুষ হাসপাতা’লে শয্যা পাচ্ছে না। তাই তাদের স্বস্তি দিতে আম’রা ম’সজিদ খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

তিনি বলেন, ম’সজিদ খুলে দেয়ার কয়েক দিনের মধ্যে ৫০ শয্যাই পূরণ হয়ে যায়। সুতরাং বুঝতেই পারছেন, হাসপাতালগুলো কী’ পরিমাণ চাপে রয়েছে।

ইরফান জানান, অক্সিজেন পেতে তাদের সমস্যা হচ্ছে। তবে পর্যাপ্ত অক্সিজেন সরবরাহ পেলে ম’সজিদে আরও ৫০টি শয্যা বসানো সম্ভব।

নরেন্দ্র মোদির জন্মস্থান গুজরাট ভা’রতের মধ্যে অন্যতম সর্বোচ্চ করো’নায় আ’ক্রান্ত রাজ্য। মঙ্গলবারও সেখানে দেড় হাজার নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে, মা’রা গেছে অন্তত ১৫০ জন।

জাহাঙ্গীরপুরার মতো সেখানকার দারুল উলুম ম’সজিদকেও করো’না হাসপাতা’লে রূপান্তর করা হয়েছে। এতে শয্যা রয়েছে ১৪২টি। সেখানে ২০ জন নার্স ও তিনজন চিকিৎসক সার্বক্ষণিক করো’না রোগীদের সেবা দিয়ে চলেছেন।

ম’সজিদটির পরিচালনা কমিটির সদস্য আশফাক মালেক তন্দলজা বলেন, আম’রা এক হাজার শয্যার হাসপাতাল বানাতে পারি, তবে অক্সিজেন সরবরাহ কম।

এসব ম’সজিদ মু’সলিমপ্রধান এলাকায় হলেও সেখানে চিকিৎসা নিতে আসছেন সব ধ’র্মের মানুষই।

এ বিষয়ে ইরফান শেখ বলেন, আমাদের কেন্দ্রে ৫০ শয্যার ১৫টিতেই অমু’সলিম রয়েছেন। আম’রা মানবতার সেবা করি, ধ’র্মের নয়।

অথচ ২০০২ সালে হিন্দু-মু’সলিম দাঙ্গায় সবচেয়ে ভ’য়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়া অন্যতম শহর এই ভাদোদারা। এটিসহ গুজরাটের বিভিন্ন শহরে কয়েকদিন ধরে চলেছিল সেই দাঙ্গা। এতে প্রা’ণ হারান কয়েক হাজার মানুষ, যাদের বেশিরভাগই মু’সলিম।

ইরফান বলেন, মানবতা কোনও ধ’র্ম বোঝে না। সাধারণ মানুষ একে অ’পরকে বোঝে এবং শান্তিতে থাকতে চায়।

সূত্র: আরব নিউজ

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  • 5
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    5
    Shares
নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: