সর্বশেষ আপডেট : ৬ ঘন্টা আগে
সোমবার, ২ অগাস্ট ২০২১ খ্রীষ্টাব্দ | ১৮ শ্রাবণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET
Fapperman.com DoEscorts

সিলেটে পুলিশের ‘বাঁশ থেরাপি’ ফেল

আ’দালত পাড়ার সামনে পু’লিশ সুপারের কার্যালয় ও বন্দরবাজার পু’লিশ ফাঁড়ি। পাশেই জে’লা প্রশাসকের বাসভবন।

খানিক দূরেই এসপির বাসভবন ও কোতোয়ালি মডেল থা’না। গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার প্রায় হাজার গজের ভেতরেই মানুষের ঢল। সড়কে যান চলাচল ঠেকাতে দেওয়া বাঁশের ব্যারিকেডের উপর দিয়েই চলছে সব বাহন।

করো’না ভাই’রাস থেকে সুরক্ষায় প্রথম দফার ‘কঠোর’ লকডাউন সিলেটে ঢিলেঢালাভাবে কে’টেছে। পুনরায় আরো সাতদিন লকডাউন বাড়ানো হয়েছে। আর এই সাতদিনের লকডাউন কঠোরভাবে মানার কথা থাকলেও সিলেটে ঠিক এর বিপরীত। রাস্তার পাশে মানুষের স্রোত। সড়কে যানজট। এমনই লকডাউন চলছে সিলেটে।

যানবাহন নিয়ন্ত্রণে নগরের প্রবেশদ্বারসহ রাস্তার মোড়ে মোড়ে বাঁশ দিয়ে ব্যারিকেড দিলেও তল্লা’শি চৌকি উঠিয়ে নেওয়া হয়েছে। ফলে ব্যারিকেড মান্য করে চলার বদলে এখন বাঁশের ব্যারিকেড উপড়ে ফেলা হচ্ছে।

আর জে’লা প্রশাসনের অ’ভিযান প্রায় দুপুরের পর বেরোলেও ঘণ্টা দেড়েকের জন্য যেন প্রতীকী’ হিসেবে করা হয়। ফলে লকডাউনেও স্বাস্থ্যবিধি না মেনে চলাচল রেওয়াজ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, নগরের সুরমা মা’র্কেট পয়েন্ট ও কোর্ট পয়েন্ট এলাকায় বাঁশের ব্যারিকেডের একপাশ ভেঙে দিয়ে যানবাহন যাতায়াত করছে। বড় গাড়ির যাতায়াতে বাঁশ চিড়েচ্যাপ্টা হয়ে গেছে। বাঁশের উপর দিয়েই যানবাহন যাতায়াত করছে। সিলেট জে’লা প্রশাসনের বাসভবনের ফট’কের পাশ থেকে ক্বীনব্রিজ মোড় পর্যন্ত যেন জনস্রোত সৃষ্টি হয়েছে। একই অবস্থা নগরের বিভিন্ন পয়েন্টের। যে কারণে সিলেটে লাফিয়ে বাড়ছে করো’না ভাই’রাসের সংক্রমণ। লকডাউনেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে না চলার কারণে পরিণতি আরো ভ’য়াবহ হচ্ছে।

গত এক সপ্তাহে সিলেট জে’লা প্রশাসনের ৫৪টি ভ্রাম্যমাণ আ’দালত পু’লিশের সহায়তায় অ’ভিযান চালিয়েও মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি। মহানগর পু’লিশের ট্রাফিক বিভাগ সাড়ে ৩শ গাড়ির ওপর মা’মলা ও সাড়ে ৪শ গাড়ি জ’ব্দ করলেও যানচলাচল নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি। কাজে আসেনি পু’লিশের বাঁশ থেরাপিও।

সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মক’র্তা ডা. জাহিদুল ইস’লাম বলেন, প্রশাসন চেষ্টা করেও মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না। যে কারণে করো’না ভাই’রাস ভ’য়াবহ আকারে ছড়ানোর আশ’ঙ্কা রয়েছে। তবে প্রশাসন আরো কঠোর হয়ে রাস্তায় মানুষের জটলা দূর করতে পারতো।

এ বিষয়ে সিলেট মহানগর পু’লিশের অ’তিরিক্ত উপ-কমিশনার (মিডিয়া) বিএম আশরাফ উল্ল্যাহ বলেন, সংক্রমব্যাধি আইনে জ’রিমানা করার বিধান পু’লিশের নেই। সেটা সিভিল সার্জন কিংবা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের দেওয়া হয়েছে। যদি পু’লিশ জ’রিমানা করতে পারতো, তাহলে হাজারো পু’লিশ মোড়ে মোড়ে থাকতো। লোকজনকেও আইন মেনে চলতে হতো।
‘এখন বাঁশের ব্যারিকেড আর যাই করেন, মানুষকে আ’ট’কানো দায় হয়ে পড়েছে। জে’লা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরাও স্বল্পসময়ের জন্য অ’ভিযানে বের হন। যে কারণে লকডাউনেও মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। ’

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: