সর্বশেষ আপডেট : ৪ মিনিট ০ সেকেন্ড আগে
বুধবার, ৪ অগাস্ট ২০২১ খ্রীষ্টাব্দ | ২০ শ্রাবণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET
Fapperman.com DoEscorts

কওমি মাদ্রাসার কর্তৃত্ব হারাচ্ছে হেফাজত, ভাঙতে পারে বর্তমান কমিটি

যেকোনো সময় ভেঙে দেওয়া হতে পারে হেফাজতে ইস’লাম বাংলাদেশের বর্তমান কমিটি। এদিকে কওমি মাদ্রাসার ওপর থেকে দলটির একক কর্তৃত্ব বন্ধের বিষয়টিও ভাবা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, কওমি মাদ্রাসার পরিচালনার ক্ষেত্রে সব সিদ্ধান্ত নেবে নির্ধারিত বোর্ড ‘আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি’আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ’। মাদ্রাসা পরিচালনায় কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করতে পারবে না হেফাজত।

ভা’রতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে ধারাবাহিক সহিং’সতার পরিপ্রেক্ষিতে হেফাজতে ইস’লামের বি’রুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। দলটির সবচেয়ে আ’লোচিত যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকসহ ইতোমধ্যে অন্তত শীর্ষ নয় জন নেতাকে গ্রে’প্তার করেছে পু’লিশ।

এ অবস্থায় সরকারবিরোধী অবস্থান থেকে সরে এসে উল্টো সরকারের সঙ্গে সমঝোতায় যেতে চাচ্ছে দলটি। তবে দেশজুড়ে সহিং’সতায় জ’ড়িতদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

বর্তমানে চলতে থাকা টানা গ্রে’প্তার অ’ভিযানের মধ্যে সোমবার (১৯ এপ্রিল) রাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কা’মালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন হেফাজতে ইস’লামের কয়েকজন শীর্ষ নেতা। এ সময় তারা দলের নেতাদের গ্রে’প্তার হয়’রানি বন্ধ করার অনুরোধ জানিয়েছেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মাধ্যমে সরকারের সঙ্গে সমঝোতায় যাওয়ার প্রস্তাবও দেওয়া হয়।

বৈঠক সূত্র জানায়, গ্রে’প্তার অ’ভিযান বন্ধের অনুরোধ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হেফাজতের নেতৃবৃন্দকে জানান, কোনো নি’র্দোষ ব্যক্তিকে গ্রে’প্তার করা হচ্ছে না, যারা সহিং’সতায় জ’ড়িত ছিলেন তাদেরকেই গ্রে’প্তার করা হচ্ছে। দলটির পক্ষ থেকে সমঝোতার প্রস্তাব দিলে মন্ত্রীর কোনো আশ্বা’স না পেয়ে ফিরে আসেন তারা।

এদিকে হেফাজত নেতারা পু’লিশের বিশেষ শাখার (এসবি) কর্মক’র্তাদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেছেন। বৈঠকে হেফাজত নেতারা সম্প্রতি নিজেদের সরকারবিরোধী নানা কর্মকা’ণ্ডের বিষয়ে নিজেদের ভুল স্বীকার করলেও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ও চট্টগ্রামের হাটহাজারীর তা’ণ্ডবের কোনো দায় নিতে চাননি। তবে যাই হোক তারা বর্তমান পরিস্থিতি থেকে পরিত্রাণ চেয়েছেন।

সূত্র জানায়, ২০১০ সালে হেফাজতে ইস’লাম একটি অরাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। কিন্তু দলটির সাবেক আমির আল্লামা শাহ আহম’দ শফীর মৃ’ত্যুর পর হেফাজতে ইস’লাম রাজনৈতিক দলের দিকে মোড় নেয়। পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ হেফাজতের কমিটিতে যু’ক্ত হতে থাকেন। যার ফলশ্রুতিতে নতুন নেতৃবৃন্দ সরকারবিরোধী নানা কর্মকা’ণ্ড শুরু করেন।

এ অবস্থায় হেফাজতে ইস’লামের বর্তমান কমিটি যেকোনো সময় ভেঙে দেওয়া হতে পারে। নেতৃত্বে এমন একজন ব্যক্তিকে খোঁজা হচ্ছে যিনি সব মহলে গ্রহণযোগ্য এবং আল্লামা শফীর অনুসারি। অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ বা দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত কেউ হেফাজতে ইস’লামের কমিটিতে থাকতে পারবেন না, তাদের অবশ্যই হেফাজতের পদ ছাড়তে হবে।

এমনকি কওমি মাদ্রসা কিভাবে পরিচালিত হবে তা নির্ধারণ করবে সংশ্লিষ্ট বোর্ড, যেখানে হেফাজতে ইস’লাম কোনো হস্তক্ষেপ করতে পারবেন না। কওমি মাদ্রাসার পরিচালনার সব সিদ্ধান্তই নেবে বোর্ড আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি’আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: