সর্বশেষ আপডেট : ২৫ মিনিট ৫০ সেকেন্ড আগে
মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই ২০২১ খ্রীষ্টাব্দ | ১২ শ্রাবণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET
Fapperman.com DoEscorts

হবিগঞ্জে বান্ধবীর বিয়েতে এসে গণধর্ষণের শিকার কিশোরী

ঢাকায় গার্মেন্টে কাজ করা বাগেরহাটের এক কি’শোরী কর্মী হবিগঞ্জের লাখাই উপজে’লার নোয়াগাঁও গ্রামে বান্ধবীর বিয়েতে এসে গণধ’র্ষণের শিকার হয়েছেন। পরে ধ’র্ষণকারীরা ঘটনা ধামাচাপা দিতে ‘আত্মহ’ত্যার চেষ্টা’র নাট’ক সাজাতে ভিকটিমকে ঘরের সিলিংয়ে ঝুলিয়ে রাখে। এ ঘটনার ভিকটিম থা’নায় অ’ভিযোগ দিলে জ’ড়িত তিনজনকে আ’ট’ক করেছে পু’লিশ। এর মাঝে দুই নারী আ’দালতে ১৬৪ ধারায় জবানব’ন্দিতে এই ঘটনা স্বীকার করেছে।

পু’লিশ সূত্রে জানা যায়, বাগেরহাটের শ্ম’রণখোলা উপজে’লার কোন্তাকা’টা গ্রামের ১৯ বছর বয়সী এক নারী গার্মেন্টস কর্মী ঢাকার একটি গার্মেন্টস এ হবিগঞ্জের লাখাই উপজে’লার নোয়াগাঁও গ্রামের দেলোয়ার হোসেন দিলুর মে’য়ে কোহিনুর আক্তারের সাথে চাকরি করত। একসাথে চাকরি করার সুবাধে তাদের মাঝে ঘনিষ্ঠ স’ম্পর্ক হয়। সম্প্রতি ভিকটিম কোহিনুরের বিয়ে ঠিক করার সময় তার বাড়িতে বেড়াতে আসে। এ সময় কোহিনুরের আত্মীয় ওই গ্রামের মনা মিয়ার ছে’লে শিপন মিয়ার সাথে পরিচয় হয়। এক পর্যায়ে তাদের মাঝে প্রে’মের স’ম্পর্ক গড়ে ওঠে।

এদিকে গত ১২ মা’র্চ ছিল কোহিনুরের বিয়ে। ভিকটিম কোহিনুরের বিয়েতে অংশ নেয়ার জন্য ঢাকা থেকে আসে। ওই দিন সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ভিকটিমের সাথে দেখা করে শিপন মিয়া কোহিনুরের পাশের আশরাফ উদ্দিন এর ঘরে নিয়ে যায়। সেখানে শিপন মিয়া ও তার আরও ৩ সহযোগী মিলে ভিকটিমকে ধ’র্ষণ করে। ধ’র্ষণ শেষে ভিকটিমকে সবাই মিলে ওই ঘরের শিলিংয়ে ঝুলিয়ে রাখে যাতে তার মৃ’ত্যু হলে সবাই বুঝতে পারে সে আত্মহ’ত্যা করেছে। ধ’র্ষণকারীরা পরে দরজা বন্ধ করে পালিয়ে যায়।

পরে ওই বাড়ীর লোকজন ঘরের দরজা খুলে ভিতরে প্রবেশ করে ভিকটিমকে ঝুলে থাকতে দেখে তাকে নামিয়ে আনে এবং বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা করায়। কিন্তু তারা ধ’র্ষণের বিষয়টি লুকিয়ে রেখে আত্মহ’ত্যার চেষ্টা করতে গিয়ে অ’সুস্থ বলে চিকিৎসা করায় এবং মূল ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করে। এভাবে তিনদিন পর গত ১৫ মা’র্চ তারা ভিকটিমকে তার বড় বোনের কাছে হস্তান্তর করে।

ভিকটিম বোনকে পেয়ে সাহস ফিরে পায় এবং ঘটনা বোনকে খুলে বলে। পরে ১৫ মা’র্চ ভিকটিমকে হবিগঞ্জ আধুনিক জে’লা সদর হাসপাতা’লে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসা শেষে বৃহস্পতিবার ভিকটিম ও তার বোন লাখাই থা’নায় গিয়ে ধ’র্ষণ মা’মলা দায়ের করে। ওই দিন রাতেই অ’ভিযোগ পেয়ে লাখাই থা’না পু’লিশ নোয়াগাঁও গ্রামে অ’ভিযান পরিচালনা করে আশরাফ উদ্দিন এর স্ত্রী’ আফিয়া বেগম, মকবুল হোসেন এর ছে’লে দেলোয়ার হোসেন দিলু ও দেলোয়ার হোসেন দিলুর স্ত্রী’ রাবেয়া খাতুনকে গ্রে’প্তার করে।

শুক্রবার দুপুরে আফিয়া বেগম ও রাবেয়া খাতুনকে হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিনা বেগম এর আ’দালতে নিয়ে আসলে তারা ১৬৪ ধারায় জবানব’ন্দিতে ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার কথা স্বীকার করে। একই আ’দালত শুক্রবার বিকেলে ভিকটিমের ২২ ধারায় জবানব’ন্দি রেকর্ড করে।

লাখাই থা’নার ওসি ত’দন্ত মহিউদ্দিন জানান, গার্মেন্ট’কর্মীর সাথে প্রে’মের স’ম্পর্ক গড়ে তুলে শিপন মিয়া ও তার তিন সহযোগী মিলে তাকে ধ’র্ষণ করে ঘরের শিলিংয়ে ঝুলিয়ে রাখে। তবে ভিকটিম এর মৃ’ত্যু না হওয়ায় প্রকৃত র’হস্য উদঘাটন সম্ভব হয়েছে। যারা এই ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করে তাদেরকে গ্রে’প্তার করা হয়েছে। এর মাঝে দুইজন আ’দালতে ১৬৪ ধারায় জবানব’ন্দি দিয়ে ধামাচাপা দেয়ার কথা স্বীকার করেছে। আম’রা মূল আ’সামিদেরকে ধরতে অ’ভিযান অব্যাহত রেখেছি।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: