সর্বশেষ আপডেট : ২৮ মিনিট ২৩ সেকেন্ড আগে
রবিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২১ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ বৈশাখ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET
Fapperman.com DoEscorts

আড়াই লাখ ঘুষ দিয়েও মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় আমার নাম নেই!

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজে’লায় মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কমিটি কর্তৃক প্রকাশিত তালিকায় ‘স’ন্দেহ’ ক্যাটাগরিতে নিজের নাম দেখে আত্মহ’ত্যার হু’মকি দিয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা সোহরাব হোসেন হাওলাদার। এ তালিকায় নাম থাকা’টা তাঁর জন্য লজ্জা ও অ’পমানের বলে জানান তিনি।

দ্রুত সময়ের মধ্যে তার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা না হলে তিনি আত্মহ’ত্যার পথ বেছে নেবেন বলে স্থানীয় সংবাদকর্মীদের জানিয়েছেন সোহরাব হোসেন হাওলাদার। তিনি উপজে’লার পূর্ণবতী গ্রামের মৃ’ত ছবেদালী হাওলাদারের ছে’লে। তার গেজেট নম্বর ১৭৬৫।

উপজে’লা নির্বাহী কর্মক’র্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এ উপজে’লায় ৬৮২ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা ভাতাগ্রহণ করছেন। এই ৬৮২ জন বীর মুক্তিযোদ্ধার মধ্যে থেকে ৩৩৬ জনের যাচাই-বাছাই তালিকায় নাম আসে। এই ৩৩৬ বীর মুক্তিযোদ্ধার মধ্যে ২৬৩ জনের যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। তাদের মধ্যে কমিটি কর্তৃক ২৬ জন নামঞ্জুর, ১১৮ জন দ্বিধাবিভক্ত ও ১১৯ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সর্বসম্মতিতে গৃহীত তালিকায় রাখা হয়। ৭৩ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাইয়ে অনুপস্থিত থাকায় কমিটি তাদের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি।

নামঞ্জুর ও স’ন্দেহ তালিকায় থাকা অনেক বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের সন্তানেরা কমিটির বি’রুদ্ধে আর্থিক লেনদেনের অ’ভিযোগ তুলেছেন।

বীর মুক্তিযোদ্ধা সোহরাব হোসেন হাওলাদার বলেন, আমি একজন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে যু’দ্ধে গিয়েছিলাম। আমা’র সমস্ত বৈধ কাগজপত্র আছে। ২০০৯ সাল থেকে আমি ভাতা পাচ্ছি। এখন যাচাই-বাছাইয়ের নামে আমাদের হয়’রানি করা হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, আমা’র কাছ থেকে যাচাই-বাছাইয়ের নাম করে কমিটির এক সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা দুই লাখ ৬০ হাজার টাকা নিয়েছে। আমি অনেক ক’ষ্ট করে এই টাকা জোগাড় করেছি। প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা হয়েও কমিটি কর্তৃক আজ দ্বিধাবিভক্ত সিদ্ধান্তের তালিকায় আমা’র নাম। এটা আমা’র জন্য অ’ত্যন্ত লজ্জা ও দুঃখের। আমা’র বিষয়ে যদি কমিটি নতুন করে দ্রুত সময়ের মধ্যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ না করে তাহলে আমি আত্মহ’ত্যা করব।

এ বিষয়ে উপজে’লা নির্বাহী কর্মক’র্তা ও যাচাই-বাচাই কমিটির সদস্য সচিব এস এম মাহফুজুর রহমান বলেন, অর্থ লেনদেন বা বাণিজ্যের বিষয়টি আমা’র জানা নেই। এ বিষয়ে যদি কেউ সুনির্দিষ্টভাবে আমা’র কাছে অ’ভিযোগ দায়ের করে তাহলে বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখা হবে। এ ছাড়া আম’রা যাচাই-বাছাইয়ের যে তালিকা জামুকা বা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি তার বিষয়ে নতুন করে কোনো নির্দেশনা এলে আম’রা সে মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  • 10
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    10
    Shares

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: