সর্বশেষ আপডেট : ৮ ঘন্টা আগে
শুক্রবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২১ খ্রীষ্টাব্দ | ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET
Fapperman.com DoEscorts

নগরীতে মা ও বোনকে খুন করলো যুবক

সিলেট শহরতলির শাহপরাণ (রাহ.) থানাধীন খাদিমপাড়ায় সৎ মা ও বোনকে খুন করেছে এক যুবক। ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত ৭ বছর বয়সী অপর এক ভাই। পুলিশ ও এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

নিহতরা হচ্ছেন মুদিদোকানী আবদাল হোসেন বুলবুল খানের স্ত্রী রুবিয়া খান (৩০) ও তার মেয়ে মাহা (৯)। এছাড়াও সিলেট ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আশঙ্কাজনক অবস্থায় আছে শিশু তাহসান ।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে খাদিমপাড়া বিআইডিসি সংলগ্ন বহর আবাসিক এলাকার মীরমহল্লায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। পাষণ্ড আহবাব (২২) মরদেহ দুটি বিছানায় রেখে আগুনও ধরিয়ে ভিতর থেকে সেই কক্ষের দরজা বন্ধ করে দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আহবাব খানকে আটক করেছে।

শাহপরাণ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আনিসুর রহমান শুক্রবার রাতের প্রথম প্রহরে গণমাধ্যমকে জানান, আমাদের থানা পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ দুটি উদ্ধার করেন। আহত তাহসান ও এলাকাবাসীর দেয়া তথ্যমতে রুবিয়া ও মাহাকে ছুরিকাঘাতে খুন করা হয়েছে। আমরা অভিযুক্ত আহবাবকে আটক করেছি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

মরদেহ দুটি প্রাথমিক সুরতহাল শেষে এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হিমাগারে পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করে পরবর্তি পদক্ষেপ নেয়া হবে।

এদিকে মরদেহ দুটিতে যখন আগুনে পুড়ছিল তখন ঘটনাস্থলে যান শাহপরাণ (রহ.) থানার এস আই রিপটন পুরকায়স্থ। তিনি জানান, মরদেহ দুটিতে বিছানায় রেখে আহবাব ভিতর থেকে দরজা আটকে আগুন ধরিয়ে দিয়েছিল। আমরা এলাকার লোকজনের সহায়তায় দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করি। ভিতরে থাকা রুবিয়া ও মাহা’র মরদেহ উদ্ধার করি।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  • 62
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    62
    Shares

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: