সর্বশেষ আপডেট : ২০ মিনিট ২০ সেকেন্ড আগে
সোমবার, ২ অগাস্ট ২০২১ খ্রীষ্টাব্দ | ১৮ শ্রাবণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET
Fapperman.com DoEscorts

কানাডায় করোনা রোগীর চাপ, ঠাই হচ্ছে হোটেল ও রিসেপশন হলে

কানাডায় প্রতিনিয়তই বাড়ছে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। দেশটির প্রধান চারটি প্রদেশ অন্টারিও, বৃটিশ কলম্বিয়া, আলবার্টা, ও কুইবেকে নাটকীয়ভাবে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। করোনা রোগী বাড়ার কারণে হাসপাতাল, নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে ব্যাপকহারে চাপ পড়ছে। অধিক সংখ্যক রোগীর চিকিৎসা সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে স্বাস্থ্যসেবী ও চিকিৎসকরা।

শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ওয়ার্ল্ডোমিটারের দেয়া তথ্যমতে কানাডায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে ৬ লাখ ৩৫ হাজার ১৩৪ জনে দাড়িয়েছে। এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যুবরণ করেছেন ১৬ হাজার ৫৭৯ জন। আর সুস্থ হয়েছেন ৫ লাখ ৩৮ হাজার ২৬৭ জন।

করোনা নিয়ন্ত্রণে কানাডার বিভিন্ন প্রদেশে কড়াকড়ি নজরদারি চলছে। লোকসংখ্যার দিক থেকে কানাডার বৃহত্তম প্রদেশ অন্টারিওতে প্রতিদিনই প্রচুরসংখ্যক করোনা আক্রান্ত রোগীর খবর পাওয়া যাচ্ছে। গত ২৫ ডিসেম্বর থেকে ক্যুইবেক আবার লকডাউন শুরু হয়েছে।

একমাত্র জরুরি ফার্মেসি, গ্রোসারি ছাড়া সব বন্ধ থাকছে। ক্যুইবেকের জনসাধারণকে বলা হয়েছে, একান্ত জরুরি প্রয়োজন ছাড়া গ্রোসারি স্টোরগুলোতে কেউ যেন একই দিনে বারবার ছোটখাটো আইটেমের জন্য না যান এবং রেস্টুরেন্টগুলো শুধু টেকআউট ও ড্রাইভথ্রো খোলা থাকবে। তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রেতা-বিক্রেতারা মাস্ক পড়ে ও দূরত্ব বজায় রেখে চলতে হবে। পুলিশ, স্বাস্থ্য পরিদর্শকরা কড়াকড়িভাবে নজরদারিতে রয়েছেন। তারপরও উল্লেখযোগ্যহারে বাড়ছে করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা।

কানাডার ক্যুইবেকে সর্বোচ্চ আক্রান্ত হয়েছে। ক্যুইবেকের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ক্রিশ্চিয়ান ডুবে কুইবেকারদের সতর্ক করে দিয়ে বলেন, অনেক হাসপাতালের অবস্থা সামর্থ্যের সক্ষমতা ছাড়িয়ে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছে। হাসপাতাগুলোতে সক্ষমতা ছাড়িয়ে যাওয়ার কারণে হোটেল ও রিসেপশন হলগুলোতে কোভিড রোগীদের জন্য বিশেষ বেড স্থাপন করা হচ্ছে।

ব্রিটিশ কলম্বিয়াতেও আক্রান্তের সংখ্যা প্রতিদিনই বেড়েই চলেছে। সামাজিক দূরত্ব, স্বাস্থ্যবিধি, সরকার কর্তৃক বিভিন্ন বিধিনিষেধ দেওয়া সত্ত্বেও করোনাভাইরাসকে কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণে আসছে না কানাডা।

এদিকে আলবার্টার প্রিমিয়ার জেসন কেনি আজ এক নিউজ কনফারেন্সে বলেছেন, আলবার্টানদের বর্তমান পাবলিক স্বাস্থ্যবিধি আগামী ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত মেনে চলতে হবে।

কানাডার বিভিন্ন শহরে বসবাসরত বাংলাদেশিদের মধ্যেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের খবরে আতঙ্কে রয়েছেন বাংলাদেশিরা।

যুক্তরাজ্যে নতুন ধরন স্ট্রেইন ছড়িয়ে পড়ার পর কানাডাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ যুক্তরাজ্যের সঙ্গে বিমান যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছে। ইতোমধ্যেই যুক্তরাজ্য থেকে সব ধরনের ফ্লাইট কানাডা আসার ওপর নিষেধাজ্ঞা করেছে।

প্রসঙ্গত, করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে ইতোমধ্যে দেশজুড়ে ফাইজারের করোনা টিকার প্রয়োগ শুরু হয়েছে দেশজুড়ে। তবুও করোনা নিয়ন্ত্রণে অনেক ক্ষেত্রেই হিমশিম খেতে হচ্ছে নীতিনির্ধারকদের। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ভ্যাকসিনের পাশাপাশি সামাজিক দূরত্ব ও মাস্ক ব্যবহারের কোনো বিকল্প নেই। সূত্র: প্রবাস জার্নাল

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: