সর্বশেষ আপডেট : ১৭ মিনিট ৫৩ সেকেন্ড আগে
বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০২১ খ্রীষ্টাব্দ | ১৪ শ্রাবণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET
Fapperman.com DoEscorts

সিলেটে ৭২ ঘন্টার পরিবহন ধর্মঘট

সিলেটে পাথর কেয়ারি খুলে দেওয়ার দাবিতে মঙ্গলবার ভোর ৬টা থেকে শুক্রবার (২২, ২৩ ও ২৪ ডিসেম্বর ) ভোর ৬টা পর্যন্ত সকল ধরনের পরিবহন ধর্মঘট শুরু হয়েছে।

এর আগে একই দাবিতে চলতি মাসে ৮ডিসেম্বর ভোর থেকে ৪৮ঘন্টার পণ্যবাহী পরিবহনের ধর্মঘট পালন করে ছিল।

এদিকে সকল পাথর কোয়ারি খুলে দেওয়ার দাবিতে ‘বৃহত্তর সিলেট পাথর সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ’র ডাকা ৭২ ঘণ্টার পরিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহারসহ বিষয়টি সমাধানের লক্ষ্যে সোমবার (২১ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টায় সিলেট জেলা প্রশাসক এম কাজী এমদাদুল ইসলামের আহ্বানে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের কনফারেন্স হলে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

তবে প্রায় ৩ ঘণ্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত বৈঠকে উদ্ভূত পরিস্থিতির কোনো সমাধান না হওয়ায় ধর্মঘটের সিদ্ধান্তে অনড় রয়েছেন ‘বৃহত্তর সিলেট পাথর সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ’ নেতৃবৃন্দ।

এব্যাপারে সিলেট বিভাগীয় ট্রাক-পিকআপ-কাভার্ডভ্যান মালিক ঐক্য পরিষদ ও সিলেট জেলা ট্রাক মালিক গ্রুপের সভাপতি গোলাম হাদী ছয়ফুল জানান,‘সিলেটের জেলা প্রশাসক এম কাজী এমদাদুল ইসলামের ডাকে সোমবার বিকেলে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের কনফারেন্স হলে আমাদের সঙ্গে একটি জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এ বৈঠকে সিলেট জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন পিপিএমসহ জেলা ও পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে আমরা বরাবরের মতো আমাদের ন্যায্য দাবিটাই তুলে ধরেছিলাম যে- ১০ লক্ষাধিক মানুষের জীবন-জীবিকা রক্ষার্থে সিলেটের সকল পাথর কোয়ারি খুলে দেয়া হোক। পরিবেশ বিধ্বংসী বোমামেশিন নয়, শ্রমিকদের মাধ্যমে আমরা পাথর উত্তোলন করতে চাই। এতে সরকারও যেমন লাভবান হবে, তেমনি দু-বেলা দু-মুঠো ভাত খেয়ে ১০ লক্ষাধিক মানুষ বাঁচতে পারবে।

কিন্তু আজকের (সোমবারের) বৈঠকেও প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আমাদের মতামত বা দাবিকে গুরুত্ব দেননি। তাই আমরা আমাদের সিদ্ধান্তে অটল রয়েছি। মঙ্গলবার ভোর ৬ টা থেকে শুক্রবার ভোর ৬টা পর্যন্ত টানা তিনদিন পুরো সিলেট বিভাগে সকল ধরনের পরিবহন ধর্মঘট চলবে। আমরা সকাল থেকেই রাস্তায় নেমে পড়বো আমাদের নায্য দাবি আদায়ে।’

গোলাম হাদী ছয়ফুল জানান, তবে এম্বুলেন্স, বিদেশ যাত্রী, ফায়ার সার্ভিস, সংবাদপত্র ও জরুরি ঔষধ বহনকারী গাড়ি ধর্মঘটের আওতায় থাকবে না।’

উল্লেখ্য, প্রায় এক বছর ধরে সিলেটের চারটি পাথর কোয়ারি বন্ধ রয়েছে। পরিবেশ ধ্বংসরোধে এ সিদ্ধান্ত নেয় স্থানীয় প্রশাসন। তবে পাথর ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কোয়ারি খুলে দিতে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা আছে। কিন্তু তা মানছে না প্রশাসন।

কোয়ারি বন্ধ থাকায় প্রায় ১০ লাখ পাথর ও পরিবহন শ্রমিক কঠিন সংকটের মধ্যে রয়েছেন। এরই প্রেক্ষিতে গত ৮ ও ৯ ডিসেম্বর (৪৮ ঘণ্টার) পণ্য পরিবহন ধর্মঘট কর্মসূচি পালন করে ‘বৃহত্তর সিলেট পাথর সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ’।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  • 31
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    31
    Shares

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: