সর্বশেষ আপডেট : ৫ মিনিট ৫৪ সেকেন্ড আগে
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ৯ কার্তিক ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET
Fapperman.com DoEscorts

কমলগঞ্জের কাঁঠালকান্দি গ্রামে শশ্মানঘাট দখলের অভিযোগ

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি ::

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে শশ্মানঘাট দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এব্যাপারে কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবরে একটি লিখিত আবেদন করা হয়েছে।

লিখিত অভিযোগে জানা যায়, কমলগঞ্জ উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের কাঁঠালকান্দি গ্রামের দেবনাথ সম্প্রদায়ের লোকেরা শত শত বছর পূর্ব থেকে কাঁঠালকান্দি গ্রামের টিলা জায়গায় শশ্মানঘাট হিসাবে ব্যবহার করে আসছেন। গত ৭ জুলাই হঠাৎ করে কাঁঠালকান্দি গ্রামের বাসিন্দা মৃত আত্তর মিয়ার ছেলে মো: নজরুল ইসলাম শশ্মানঘাট জবরদখল করে বেড়া দিয়ে বৃক্ষ রোপণ করেন। এতে করে কাঁঠালকান্দি গ্রামের দেবনাথ সম্প্রদায়ের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করে।

তাৎক্ষনিক বিষয়টি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো: আব্দুল হান্নানকে বিষয়টি অবগত করেন। এ ব্যাপারে গত ৮ জুলাই কাঁঠালকান্দি গ্রামের উপানন্দ দেবনাথ, পরেশ দেবনাথ, রাজকুমার দেবনাথ, সন্তুষ দেবনাথ, রিংকু দেবনাথসহ একাধিক ব্যক্তির স্বাক্ষরিত লিখিত একটি আবেদন কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকতার বরাবরে প্রদান করা হয়েছে। যার অনুলিপি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, ইসলামপুর ইউপি চেয়ারম্যান, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, কমলগঞ্জ থানা, কমলগঞ্জ প্রেসক্লাব, কমলগঞ্জ উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ ও পুজা উদযাপন পরিষদকে প্রদান করা হয়।

সরজমিন ৯ জুলাই বৃহস্পতিবার বিকালে কাঁঠালকান্দি গ্রামে গিয়ে দেখা যায় শশ্মানঘাট চারিদিক বেড়া দিয়ে বৃক্ষ রোপণ করা হয়েছে। স্থানীয় এলাকাবাসী মো: কালাম আহমদ, আব্দুল রহিম, তাজুদ মিয়া, এরু মিয়া, ছমেদ আলী জানান, দেবনাথ সম্প্রদায়ের পূর্ব পুরুষ ধরে এই জায়গা শশ্মানঘাট হিসাবে ব্যবহার করে আসছেন। কিছুদিন পূর্বে এখানে এক মৃত ব্যক্তিকে সৎকাজ করা হয়েছে। নজরুল ইসলাম কোন কাগজের বলে তিনি এখানে বেড়া দিয়েছেন তা জানা নেই। গ্রামের পরেশ দেবনাথ, বলরাম দেবনাথ, উপানন্দ দেবনাথ জানান, আমাদের পূর্বপুরুষরা কি স্থানকে শশ্মানঘাট হিসাবে ব্যবহার করে আসছি। হঠাৎ করে মো: নজরুল ইসলাম জবরদখল করে বেড়া দিয়ে বৃক্ষ রোপণ করেছেন। আমরা ৩৫/৪০ পরিবারের শব অন্ত্যোটি ক্রিয়ার একমাত্র ভূমি জবর দখল হলে আর বিকল্প কোন জায়গা নেই। আমরা প্রশাসনের শরনাপন্ন হয়েছি।

এবাপারে অভিযুক্ত মো: নজরুল ইসলাম জানান, এটি শশ্মানঘাট নয়, এটি আমার রেকর্ডের জায়গা, তিনি আরও জানান, আমি সরকারের কাছ থেকে যেভাবে নেয়া যায় সেভাবে নিয়েছি। এই মুহুর্তে আপনাকে বলা যাবে না, আপনি কাগজপত্র দেখেন। আবার তিনি বলেন, আমার বাপ দাদার মৌরসী সম্পদ থেকে আমি পেয়েছি।

এ ব্যাপারে কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশেকুল হক (১৩ জুলাই) মুঠোফোনে জানান, একটি আবেদন পাওয়া গেছে, জায়গাটি শশ্মানঘাট হিসাবে ব্যবহার হলে অবশ্যই তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: