fbpx

সর্বশেষ আপডেট : ৫ ঘন্টা আগে
মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET
Fapperman.com DoEscorts

ত্রাণ দেবার কথা বলে বাড়িতে ডেকে নিয়ে ধ’র্ষ’ণ!

প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের প্রভাবের কারণে কর্মহীন হয়ে পড়া এক দিনমজুরের মেয়েকে ধ’র্ষণের অভিযোগ উঠেছে আনোয়ার খান নামে এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে। বরগুনার তালতলীতে খাদ্য সহায়তার তালিকায় ওই পরিবারের নাম অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলে তাকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করা হয় বলে জানা গেছে।

জানা যায়, বরগুনার তালতলীতে করোনা ভাইরাসের কারণে বেকার হয়ে খাদ্য সংঙ্কটে পড়ে দিনমজুর ওই পরিবার। এই সুযোগ নিয়ে খাদ্য সহায়তার তালিকাভুক্ত করার কথা বলে স্থানীয় ইউপি সদস্য আনোয়ার খান দিনমজুর ওই পরিবারের মেয়েকে নিজ বাড়িতে ডেকে নেন। পরে একা পেয়ে জোরপূর্বক তাকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, করোনা ভাইরাসের কারণে খাদ্য সংঙ্কটে পড়ার বিষয়টি স্থানীয় ইউপি সদস্যকে গত ৬ এপ্রিল (সোমবার) জানান ভুক্তোভোগী ওই নারীর বাবা। এর প্রেক্ষিতে তার মেয়েকে ভোটার আইডি কার্ড নিয়ে আসতে বলেন তিনি। পরেরদিন ৭ এপ্রিল (মঙ্গলবার) বিকেল ৫টার দিকে ওই দিনমজুরের বিবাহিত মেয়ে ইউপি সদস্যর বাড়িতে যান।

এ সময় একা পেয়ে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন ইউপি সদস্য আনোয়ার খান। এ সময় ওই মেয়ের স্বামী ইউপি সদস্যের বাড়িতে গিয়ে ঘটনাটি দেখে ফেলেন। এই ঘটনা কাউকে বললে খুন করার হুমকি দেওয়া হয়। পরে বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে ভুক্তভোগী দিনমজুর পরিবারকে থানায় মামলা করলে এলাকা ছাড়ার হুমকি দেওয়া হয়।

পরের দিন ওই ভুক্তোভোগীর স্বামীকে ইউপি সদস্য তুলে নিয়ে যান বলে অভিযোগ উঠে। আজ বুধবার পর্যন্ত তার স্বামীর কোনো খোঁজখবর পাওয়া যায়নি। আর ওই দিনমজুর পরিবারটিকে ইউপি সদস্যের লোকজন অবরুদ্ধ করে রেখেছেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এদিকে ইউপি সদস্যের এমন কর্মকাণ্ডে হতবাক এলাকাবাসী। বিচারের দাবি করেন স্থানীয় সচেতন মহল।

অভিযুক্ত আনোয়ার খান তালতলী উপজেলার শারিকখালী ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের সদস্য ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি।

ভুক্তোভোগীর বাবা অভিযোগ করে বলেন, আমি দিনমজুরের কাজ করি। এই করোনা ভাইরাসের কারণে আমি অসহায় দিনযাপন করছি। এর ভিতরে আমার মেয়ে তার স্বামীকে নিয়ে বেড়াতে আসেন বাড়িতে। আমার সংসার চালাতে খুব কষ্ট হয়। স্থানীয় মেম্বার আনোয়ার খানের কাছে গেলে সে আমার মেয়েকে তার ভোটার আইডি কার্ড নিয়ে তার বাড়িতে যেতে বলেন। পরে বিকেলের দিকে তার বাড়িতে আমার মেয়ে গেলে বাড়িতে কেউ না থাকায় জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এই ঘটনায় মামলা করলে এলাকা ছাড়ার হুমকি দেন তিনি।

এবিষয়ে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য আনোয়ার খান বলেন, আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছে। এগুলো সব মিথ্যা। এই মেয়ে যাকে স্বামী হিসেবে পরিচয় দেয় সে আসল স্বামী না। এছাড়া তাকে তুলে আনা হয়নি। বরং ছেলের পরিবারের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান মিয়া বলেন, এবিষয়ে এখনও কোনো অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) সেলিম মিঞা বলেন, খাদ্য সহায়তা দেওয়ার কথা বলে ধর্ষণ বিষয়টি খুব দুঃখজনক। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সূত্র: নিউজ টোয়েন্টিফোর

 

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: