সর্বশেষ আপডেট : ৪ ঘন্টা আগে
মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ খ্রীষ্টাব্দ | ১৩ আশ্বিন ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET
Fapperman.com DoEscorts

যে শহরে এখনো হানা দেয়নি করোনা

করোনাভাইরাস যখন গোটা বিশ্বকে গ্রাস করে ফেলেছে, একের পর এক লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে মৃত্যুর মিছিল, তখন এই বিশ্বেই এমন একটি শহর আছে যেখানে করোনা এখনো পৌঁছতে পারেনি। ইতালির পর করোনায় সবচেয়ে বেশি মারা গেছে স্পেনে। এই দেশেরই দক্ষিণের শহর জাহারা দে লা সিয়েরাতে এখন পর্যন্ত একজনও করোনা রোগী শনাক্ত হয়নি।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৪ মার্চ দক্ষিণ স্পেনের শহর জাহারা দে লা সিয়েরা করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধ করতে বিশ্ব থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। এই শহরটির ইতিহাস বলছে, শত্রুদের থেকে আত্মরক্ষার জন্য সবসময়ই বিখ্যাত এই শহর।

এখানকার মেয়র সান্টিয়াগো গ্যালোইস ১৪ মার্চ সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যে তিনি এই শহরের পাঁচটি প্রবেশ পথ বন্ধ করবেন। সেদিনই প্রবেশ দ্বারগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়। সেখানে প্রশাসনিক তৎপরতায় শহরের প্রতিটি বাড়িতে প্রয়োজনীয় জিনিস পৌঁছে দেওয়ার জন্য দুজন নারীকে নিয়োগ করা হয়েছে। ফলে মানুষ আর রাস্তায় অযথা ভিড় করছেন না।

শহরের মোট পাঁচটি প্রবেশ ও বেরোনোর রাস্তার মধ্যে চারটি পুরোপুরি বন্ধ রাখা হয়েছে। একটি মাত্র রাস্তায় কিছু নির্দিষ্ট লোককে রাখা হয়েছে, যারা বাইরে থেকে কোনো যানবাহন এলে, শহরে সেটি ঢোকানোর আগে জীবাণুমুক্ত করার সব রকম ব্যবস্থা নিচ্ছে। সমস্ত ট্রেন জল এবং ব্লিচিং স্প্রে করে জীবাণুমুক্ত করে তারপরে যানবাহনটি সাবান জলে ভরা একটি জায়গার মধ্যে দিয়ে পাঠানো শহরের ভেতরে।

খুব প্রয়োজনীয় জিনিসভর্তি গাড়ি ছাড়া শহরে কোনো কিছুই ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। প্রতি সোমবার ও বৃহস্পতিবার ১০ সদস্যের একটি দল শহরজুড়ে স্যানিটাইজেশনের কাজ করছে। সুত্র : আমাদের সময়

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: