সর্বশেষ আপডেট : ৬ ঘন্টা আগে
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ কার্তিক ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET
Fapperman.com DoEscorts

ঝুলিয়ে রাখা হচ্ছে খাদ্য : জানার সুযোগ নেই কে দিচ্ছে, কে নিচ্ছে

দুর্যোগ সহায়তা হিসেবে গরীব-অসহায়দের আধা কেজি চাল দিতে আমাদের দেশে ফটোসেশনের হিড়িক পড়ে যায়। বা একটা সাবান চার-পাঁচজন মিলে বিতরণ করে তা সোস্যাল মিডিয়ায় প্রকাশে ব্যস্ত হয়ে উঠেন সবাই। কিন্তু ব্যতিক্রম চিত্র দেখা যায় জার্মানিতে। সেখানে ফটোসেশন তো দূরে থাক, কে সহায়তা করছে বা কে নিচ্ছে তা জানার সুযোগও কারো থাকে না।

বর্তমানে জার্মানরা কঠিন একটা অবস্থার মধ্যদিয়ে দিন কাটাচ্ছে। প্রতিনিয়ত ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। দেশটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১,১০৭ জনে দাঁড়িয়েছে। আক্রান্ত প্রায় ৮৫ হাজার। দিন দিন সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় লাখ লাখ মানুষের চাকরি হারানোর শঙ্কা দেখা দিয়েছে। ইউরোপীয়ান নেতাদের কপালেও শঙ্কার ভাঁজ পড়েছে। জার্মানির অর্থনীতিতে ধস নামার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

করোনা মহামারিতে পুরো জার্মান জুড়ে চলছে অঘোষিত লক ডাউন। এ অবস্থায় নিম্নবিত্ত ও অবৈধ শ্রমিকরা পড়েছে বিপদে। সরকার থেকে সাহায্যের নিশ্চয়তা প্রদান করা হলেও ‘অবৈধদের’ জন্য তার পুরোটা প্রযোজ্য নয়। তাই বিবেকবান মানুষরা এসেছে অসহায়দের জন্য খাদ্য সহায়তা নিয়ে। এক্ষেত্রে অনেকেই নিজে একটু কম খেয়ে বাড়তিটা রেখে দিচ্ছেন অসহায়দের জন্য।

সচেতন নাগরিকরা নিজের বাসার বাইরে বা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কের পাশের দেয়ালে খাবারের প্যাকেট ঝুলিয়ে দিয়ে চলে যাচ্ছেন। অসহায়দের মধ্যে যার খাদ্যের দরকার সে একটা প্যাকেট নিয়ে খিদে নিবারণ করছে। যার প্রয়োজন সে অতিরিক্ত নিচ্ছে। এখানে কোন ফটোসেশন বা সাংবাদিকের ক্যামেরার প্রয়োজন পড়ে না।

এক্ষেত্রে জার্মানদের অনুভূতি অত্যন্ত মানবিক। তারা মনে করে, কাউকে সহায়তা করতে হলে গোপনেই করতে হয়। প্রকাশ পেলে দানগ্রহণকারী ব্যক্তি হয়তো নিজেকে ছোট ভাবতে শুরু করবেন।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: