সর্বশেষ আপডেট : ১৫ ঘন্টা আগে
বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ১৬ আশ্বিন ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET
Fapperman.com DoEscorts

প্রয়োজনীয় কিছুই নেই, তবুও বিশেষায়িত হাসপাতাল ঘোষণা

কোভিট-১৯ সন্দেহ ভাজনদের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি ছাড়াই বগুড়া মোহাম্মাদ আলী হাসপাতালকে বিশেষায়িত হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। ওই হাসপাতালে আইসিইউ (ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট), ডিজিটাল এক্সরে মেশিন নেই।

এছাড়া পর্যাপ্ত অক্সিজেন সিলিন্ডার ও পিপিইর (পার্সনাল প্রটেকশন ইক্যুপমেন্ট) সংকটও রয়েছে। অথচ এসবই আইসোলেশনে থাকা রোগীদের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন বলে সংশ্লিষ্টরা জানায়।

এ কারণে হাসপাতালটি আইসোলেশনের জন্য প্রস্তুত ঘোষণা দেয়ার তিনদিন পেরিয়ে গেলেও সন্দেহভাজন কোনো রোগীকে ভর্তি করানো হয়নি।

করোনাভাইরাস সন্দেহভাজন রোগীদের চিকিৎসার জন্য বগুড়া মোহাম্মাদ আলী হাসপাতালে গত ২৩ মার্চ দুপুর ১টার মধ্যে খালি করা হয়। ওই দিন বিভিন্ন বিভাগে ভর্তি রোগীদের ছাড়পত্র ও অন্য হাসপাতালে স্থানাস্তর করা হয়। এছাড়াও বহিঃর্বিভাগের রোগীদের চিকিৎসা দেয়া বন্ধ করে দেয়া হয়। এরপর ২৪ ও ২৫ মার্চ হাসপাতালটি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করে ২ মিটার পরপর শয্যা বসানো হয়।

ওই সময় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানান, করোনাভাইরাস সন্দেহভাজন রোগীদের ২৬ মার্চ থেকে ভর্তি নেয়া হবে। আইসোলেশনে থাকা রোগীদের চিকিৎসার জন্য চিকিৎসকদের ৩০ সদস্যের একটি প্যানেলও করা হয়েছে। যারা পর্যায়ক্রমে রোগীদের চিকিৎসা দেয়ার পর সেল্ফ কোয়ারেন্টাইনে যাবেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রোববার পর্যন্ত করোনাভাইরাস সন্দেহভাজন কাউকে ভর্তি করানো হয়নি। আইসোলেশনে থাকা রোগীদের চিকিৎসার জন্য শুধু ১২০টি শয্যা তৈরি রাখা হয়েছে এবং চিকিৎসকদের ব্যবহারের জন্য কিছু পিপিই ছাড়া আর কোনো সরঞ্জাম নেই। অক্সিজেনও রয়েছে খুব কম পরিমাণ। সেখানে আইসিইউ ইউনিট, ডিজিটাল এক্সরে মেশিনও নেই। যা এই রোগীর জন্য বিশেষ প্রয়োজন। এছাড়াও কোভিট-১৯ রোগী মোকাবেলার জন্য মাত্র ২ জন চিকিৎসক রয়েছেন। নার্সদের কোভিট-১৯ মোকাবেলায় নেই কোনো প্রশিক্ষণ।

ওই হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ড. নুরুজ্জামান সঞ্চয় জানান, কোভিট-১৯ এর জন্য এ হাসপাতালটিকে জেলার পক্ষ থেকে বিশেষায়িত হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। ৩০ জনের একটি চিকিৎসা প্যানেলও রয়েছে। এদের মধ্যে ২ জনের কোভিট-১৯ এর প্রশিক্ষণ রয়েছে। তারাই অন্য চিকিৎসকদের শিখিয়ে কাজ চালিয়ে নিতে পারবেন। চিকিৎসকরা কেউ যদি ৪৮ ঘণ্টা চিকিৎসা দেন এরপর তিনি ১৪ দিনের সেল্ফ কোয়ারেনটাইনে যাবেন।

তিনি বলেন, হাসপাতালের আইসিইউ, ডিজিটাল এক্সরে মেশিনের অনেক সংকট রয়েছে। পিপিই (একবার ব্যবহারের জন্য) মাত্র ৪০০টি আছে। ওই হাসপাতালে কোভিট-১৯ এর সন্দেহভাজন কোনো রোগী এখনও ভর্তি করানো হয়নি বলে তিনি জানান।

বগুড়া মোহাম্মাদ আলী হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক শফিক আমিন কাজল জানান, হাসপাতালে অক্সিজেন সরবরাহ করার মতো এখন মাত্র ৩০টি সিলিন্ডার রয়েছে। এছাড়া ১৫২ জন সেবিকার মধ্যে কারোরই কোভিট-১৯ এর প্রশিক্ষণ নেই। কোভিট-১৯ এর জন্য ১২০ শয্যা তৈরি থাকলেও রোগীর চাপ থাকলে প্রয়োজনে আরও শয্যা বাড়ানো যাবে।

এদিকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান (শজিমেক) হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ড. ওয়াদুদ জানান, ওই হাসপাতালের ১৪টি শয্যা কোভিট-১৯ এর জন্য প্রস্তুত রাখা হলেও কোভিট-১৯ এ সন্দেহভাজন রোগীদের প্রথমে মোহাম্মাদ আলী হাসপাতালে ভর্তি করানো হবে। প্রস্তুতি হিসেবে প্যাথলজি বিভাগে ২৫ জন অনলাইনে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। এদের মধ্যে চিকিৎসক, সেবিকা ও টেকনিশিয়ান রয়েছে।সূত্র: জাগোনিউজ

 

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: