সর্বশেষ আপডেট : ৭ ঘন্টা আগে
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ৪ আশ্বিন ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET
Fapperman.com DoEscorts

সরকারগুলো সময় নষ্ট করছে, কড়া বার্তা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার

প্রতিটি মুহূর্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনো সরকারেরই এখন আর এই মূল্যবান সময় নষ্ট করা উচিত নয়। কভিড-১৯ মহামারী প্রতিরোধে এরই মধ্যে একটি সুযোগ তারা হারিয়েছেন। এখন আর দেরি নয়। গতকাল বুধবার এ কথা বলেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মহাপরিচালক তেদ্রোস অ্যাধনম গেব্রেইয়েসাস। কম আক্রান্ত দেশগুলোর দুর্বল পদক্ষেপ নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তিনি।

ডব্লিউএইচও মহাপরিচালক বলেছেন, প্রথম সুযোগটি আমরা নষ্ট করেছি। পদক্ষেপ নেয়া উচিত ছিল এক বা দুই মাস আগেই।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে বিভিন্ন দেশের পদক্ষেপের অসন্তোষ প্রকাশ করে বেশ কড়া ভাষায় কথা বলেছেন তেদ্রোস। যেখানে ভাইরাসজনিত এ ছোঁয়াচে রোগে এরই মধ্যে প্রায় ২০ হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। বিশ্বের প্রায় সবকটি দেশ এখন এ রোগে আক্রান্ত।

ডব্লিউএইচওর জরুরি কর্মসূচি বিভাগের প্রধান মাইক রায়ান বলেন, এ আন্তর্জাতিক সংস্থা সাধারণত সদস্য দেশগুলোকে কখনো কড়া ভাষায় কথা বলে না। গতকালের বিবৃতিতে মহাপরিচালকের এ ক্ষোভ ও অসন্তোষ একেবারে বিরল ঘটনা।

মহাপরিচালক আরো বলেন, বিশ্বের সামনে এখনো দ্বিতীয়বারের মতো একটি সুযোগ রয়েছে। ১৫০টি দেশে এখনো আক্রান্তের সংখ্যা একশর কম। তাদের এখনো প্রস্তুতি নেয়ার সময় আছে। যারা লকডাউনের নির্দেশ দিয়েছে তাদের এ রোগটির বিস্তার থামাতে আরো কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার সময় হয়েছে। কতোদিন পর্যন্ত লকডাউন রাখতে হবে সেটি নির্ভর করবে রোগটিকে নির্মূল করতে কোন দেশ কোন ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে সেটির ওপর।

প্রত্যেকটি দেশকে এই মুহূর্তে ছয়টি পদক্ষেপ নেয়ার জোর তাগিদ দিয়েছেন তেদ্রোস।

পদক্ষেপগুলো হলো: স্বাস্থ্যকর্মীর সংখ্যা বাড়ানো, প্রশিক্ষণ প্রদান এবং কর্মে নিয়োজিত করা,সন্দেহভাজন আক্রান্তদের সনাক্ত করতে কৌশল নির্ধারণ করা,টেস্ট কিটের উৎপাদন বাড়ানো এবং সহজলভ্য করা,করোনাভাইরাস আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য প্রস্তুত করা যাবে এমন অবকাঠামো খুঁজে বের করা,সন্দেহভাজনদের কোয়ারেন্টিন করার পরিকল্পনা নির্ধারণ করা,ভাইরাসের বিস্তার রোধে ব্যবস্থা নেয়া।

এ ব্যাপারে ডব্লিউএইচওর জরুরি কর্মসূচি বিভাগের প্রধান মাইক রায়ান বলেন, মহামারীর জন্য এ বিশ্ব প্রস্তুত নয়। দৃষ্টান্তস্বরূপ বলা যায় বৈশ্বিক সরবরাহ চেইন ভেঙে পড়ার কারণে মেডিকেল গ্লভসের সরবরাহ হুমকির মুখে পড়েছে। কারণ গ্লভস তৈরির মূল উপাদান রাবার উৎপাদন করে মাত্র কয়েকটি দেশ।

ডব্লিউএইচওর এপিডেমিওলজিস্ট মারিয়া ভন কারখোভ বলেন, সারা বিশ্বেই স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষা সরঞ্জামের সঙ্কট দেখা দিয়েছে। যারা অসুস্থ নন তাদের মাস্ক ব্যবহারের দরকার নেই। গণহারে মাস্ক ব্যবহার করতে গিয়ে চিকিৎসকদের বঞ্চিত করা যাবে না। এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। স্বাস্থ্যকর্মীদের রক্ষা করাই আমাদের অগ্রাধিক হতে হবে।

ডব্লিউএইচওর জরুরি কর্মসূচি বিভাগের প্রধান রায়ান বলেন, এই মহামারী থেকে যদি একটা কিছু শেখার থাকে সেটা হলো আমাদের জাতীয় ও বৈশ্বিকভাবে শক্তিশালী জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়তে হবে।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: