সর্বশেষ আপডেট : ৫ মিনিট ২৫ সেকেন্ড আগে
রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ২২ চৈত্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

করোনাভাইরাস: গোমূত্র পান করে হাসপাতালে ভর্তি

বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাস সংক্রমণ থেকে বাঁচতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের এক বাসিন্দা গোমূত্র পান করে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। যদিও ঝাড়গ্রাম শহরের বাসিন্দা শিবু গরাই গোমূত্র পান করে বড় ভুল করেছেন বলে স্বীকার করেছেন।

আনন্দবাজারপত্রিকার খবরে এমন তথ্য জানা গেছে। কাজেই অন্য কেউ যেন গোমূত্র পান না করেন, তিনি সেই অনুরোধ জানিয়েছেন।

পত্রিকাটি জানিয়েছে, কয়েক দিন আগে বন্ধুদের সঙ্গে মায়াপুর নামের এক এলাকায় বেড়াতে গিয়ে ফেরার সময় ১৮০ রুপি দিয়ে গোমূত্রের শিশি কিনে এনেছিলেন তিনি।

স্ত্রী ও দুই ছেলে নিয়ে সংসারে একমাত্র উপার্জনকারী তিনি। বাড়িতেই কাপড়ের দোকান চালান এই ব্যবসায়ী। সবার মতো তিনিও প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস আতঙ্কে ভুগছিলেন।

কাজে অসুস্থ হয়ে পড়লে সংসার ও ব্যবসার কী হবে এই উদ্বেগে ওই গো-আরক কিনে এনেছিলেন।

কাজেই কোভিড-১৯ রোগে ধরে অসুস্থ হয়ে পড়লে সংসার ও দোকানের কী হবে, সেই ভেবেই গোমূত্র কিনে আনেন তিনি। বিক্রেতা আশ্বাস দিয়েছিল, এক-দুই ছিপি গো-আরক নিয়মিত পান করলে করোনাভাইরাস সংক্রমণসহ নানা ধরনের শারীরিক অসুস্থতা থেকে মুক্তি পাবেন। কাটবে রক্তের দোষও।

ভাইরাসের উদ্বেগ কাটাতে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এক ছিপি গো-আরক পান করেন তিনি। তার পরই অস্বস্তিবোধ করতে শুরু করেন ৪২ বছর বয়সী শিবু। তার বুক ও গলায় জ্বলুনি শুরু হয়।

স্বজনরা তাকে নিয়ে যান ঝাড়গ্রাম জেলা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের জরুরি বিভাগে। অবস্থা দেখে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে ভর্তি করে নেয়।

হাসপাতাল থেকে শিবু বলেন, খুব ভুল করেছি। অন্ধবিশ্বাসে ভেবেছিলাম, গোমূত্র প্রতিষেধকে কাজ করবে। অসুস্থ হয়ে বুঝেছি কী ভুল করেছি। করোনা ঠেকাতে গোমূত্র পান করে আমার মতো ভুল যেন আর কেউ না করে।




এ বিভাগের অন্যান্য খবর




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: