সর্বশেষ আপডেট : ১ ঘন্টা আগে
মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১ খ্রীষ্টাব্দ | ৬ আশ্বিন ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET
Fapperman.com DoEscorts

করোনা : ‘অবশেষে আমরা প্রতিষেধক পেয়ে গেছি’

মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়েছে চীনের প্রাণঘাতী নভেল করোনাভাইরাস। প্রাণঘাতী এ ভাইরাসে সারা বিশ্বে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। এতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪ হাজার ৬শ ৩৩ জনে দাঁড়িয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ২৬ হাজার ৩০০।

আজ শুক্রবার (১৩ মার্চ) পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে, বিশ্বের ১২৪টি দেশ ও অঞ্চলে করোনার প্রকোপ ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এর মাঝেই আশার ঝলক দেখালেন যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানীরা। আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে অবশেষে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক আবিষ্কারে সফল হলেন বলে দাবি করেছেন তারা।

করোনা আতঙ্কে সারা বিশ্বের মানুষের যখন ঘুম হারাম তখনই এই সফলতার ঘোষণা দিলেন পেন্টাগনের অর্থায়নে পরিচালিত কানাডার একটি ওষুধ কোম্পানির বিজ্ঞানীরা।

নিউজ অস্ট্রেলিয়া ও দ্য ক্রনিকলস-এর মত একাধিক আন্তর্জাতিক মিডিয়ার খবরে বলা হয়েছে, মেডিকাগো নামের কানাডিয়ান ওই কোম্পানিটির বিজ্ঞানীরা ‘অবশেষে আমরা প্রতিষেধক পেয়ে গেছি’ বলে উচ্ছ্বসিত ঘোষণা দিয়েছেন। যদি তাদের উদ্ভাবিত এই প্রতিষেধক এফডিএ’র অনুমোদন পায়, তাহলে প্রতি মাসে এক কোটি ডোজ প্রতিষেধক উৎপাদন ও বাজারজাত করণ সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে তারা।

কোভিড-১৯ বা করোনাভাইরাসের জিনম সিকুয়েন্স পাওয়ার মাত্র ২০ দিন পরেই প্রতিষেধক আবিষ্কারে এই সফলতা দেখিয়েছে কোম্পানিটি। প্রতিষেধক আবিষ্কারে তারা স্বতন্ত্র কিছু টেকনোলজি ব্যবহার করেছেন। শিগগিরই তারা এটি এফডিএ অনুমোদনের জন্য জমা দেবেন। অনুমোদন পেলেই বাজারে ছাড়া হবে।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) মেডিকাগোর সিইও ব্রুস ক্লার্ক বলেছেন যে, ‘তাঁর সংস্থা মাসে এক কোটি ডোজ পরিমাণ প্রতিষেধক উৎপাদন করতে পারে। যদি নিয়ন্ত্রক বাঁধাগুলি দূর করা যায় তবে নভেম্বরে এই ভ্যাকসিন বাজারে পাওয়া যাবে।’

এদিকে একই দিনে ইসরাইলের একটি গবেষণা ল্যাবও করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক আবিষ্কারের দাবি করেছে। তবে ক্লার্ক বলছেন, তার কোম্পানির আবিষ্কৃত প্রতিষেধক এরই মধ্যে কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে। এটি আরও নির্ভরযোগ্য এবং সহজে উৎপাদন সম্ভব।

তিনি বলেন, ‘আরও কয়েকজন আছেন যারা দাবি করছেন যে প্রতিষেধক আবিষ্কার করেছেন। এটা ভাল আমরা তাদেরও কোভিড-১৯’র জন্য ভ্যাকসিন বাজারজাত করতে বলব। তবে তারা ভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবহার করেছে। এরমধ্যে কিছু আছে আরএনএ- বা ডিএনএ ভিত্তিক ভ্যাকসিন। এখনও এগুলোর কার্যকারিতা প্রমাণিত হয়নি। আশা করি তারা সফল হবেন।’

ক্লার্কের দল কিভাবে এত তাড়াতাড়ি প্রতিষেধক তৈরিতে সক্ষম হল? এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আমরা মুরগির ডিম নয়, ভ্যাকসিন তৈরিতে প্রোটিনের বায়োরিঅ্যাক্টর হিসাবে গাছ ব্যবহার করে সফল হয়েছি।

ক্লার্ক বলেছিলেন, সাধারণত ভ্যাকসিন তৈরিতে অনেকগুলো ডিমের প্রয়োজন হয়। ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারীরা ডিমগুলিতে ভাইরাসটি ইনজেক্ট করে, যেখানে লালন করে। তবে ডিমের ব্যবহার ব্যয়বহুল, দীর্ঘ সময় নেয় এবং একেবারে নিখুঁত হয় না। অনেক সময় বিস্তৃত পরীক্ষায় ভ্যাকসিনগুলির লক্ষ্যের সঙ্গে মেলে না।

সুতরাং, পরীক্ষার জন্য মেডিকাগো কোনও লাইভ ভাইরাস নিয়ে কাজ করেনি। পরিবর্তে এটি গাছপালা ব্যবহার করেছে। এটা তুলনামূলকভাবে নতুন পদ্ধতি, যা গত দশকে অনেক অগ্রগতি দেখেছে। আমরা অ্যাগ্রোব্যাক্টেরিয়ামে একটি জিনগত ক্রম সন্নিবেশ নিয়ে কাজ করেছি, এটি একটি মাটির ব্যাকটোরিয়া, যা গাছপালা গ্রহণ করে। এ ক্ষেত্রে তামাক জাতীয় গাছের ওপর ব্যাকটেরিয়াটি প্রয়োগ করার পর দেখা গেছে উদ্ভিদটি প্রোটিন উৎপাদন শুরু করেছে, যা পরে ভ্যাকসিন হিসাবে ব্যবহার করা হবে।

তিনি বলেন, এটিই আমাদের মধ্যে পার্থক্য এবং ডিম-ভিত্তিক পদ্ধতিগুলির থেকে আলাদা। আমরা ভাইরাসের চাষ না করেই সরাসরি ভ্যাকসিন বা অ্যান্টিবডি তৈরিতে চলে যাই। এটা অনেক সময় এবং অর্থ সাশ্রয়ী।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: