সর্বশেষ আপডেট : ৫৬ মিনিট ৪৮ সেকেন্ড আগে
বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ খ্রীষ্টাব্দ | ৮ আশ্বিন ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET
Fapperman.com DoEscorts

দিল্লির পর উত্তপ্ত মেঘালয়, শিলংয়ে কারফিউ

সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনকে (সিএএ) কেন্দ্র করে সাম্প্রদায়িক সংঘাতের পর কিছুটা স্বাভাবিক হচ্ছে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি। রাস্তাঘাট এখনো ফাঁকা হলেও খুলতে শুরু করেছে বিভিন্ন অফিস-আদালত।

তবে সিএএকে কেন্দ্র করেই এবার উত্তপ্ত হতে শুরু করেছে দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মেঘালয়। শনিবার সেখানে খাসি ছাত্র সংগঠন কেএসইউ ও অজাতিভুক্ত সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘর্ষে দুজন নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। এ নিয়ে রাজ্যের প্রধান শহর শিলংসহ বিভিন্ন অঞ্চলে শুরু হয়েছে উত্তেজনা।

পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কায় অন্তত ছয় জেলায় বন্ধ রয়েছে ইন্টারনেট ও এসএমএস পরিষেবা। কারফিউ জারি করা হয়েছে শিলংয়ে।

দিল্লির পরিস্থিতি সম্পর্কে আনন্দবাজার পত্রিকা জানায়, চারদিন ধরে তা-বের রেশ এখনো রয়েছে গেছে শহরের উত্তর-পূর্বাংশের বিভিন্ন এলাকায়। চারদিকের পরিবেশ থমথমে। দু-একটি দোকানপাট খুললেও, রাস্তাঘাট এখনো বেশ ফাঁকা। প্রয়োজন ছাড়া এখনো বাড়ির বাইরে পা রাখার সাহস করছেন না সাধারণ মানুষ। তবে অফিস-আদালত খুলেছে। নতুন করে সংঘর্ষ না দেখা দিলেও, এখনো বেশকিছু জায়গায় ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে। নিষিদ্ধ রয়েছে সব রকমের জমায়েত। রাস্তার মোড়ে মোড়ে টহল দিচ্ছে পুলিশ ও আধা সামরিক বাহিনী। ধ্বংসাবশেষ পরিষ্কার করতে ক্রেন এবং বুলডোজার নামানো হয়েছে। আগামী কয়েক দিনে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে বলে আশাবাদী প্রশাসন। এ সংঘাতে এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪২ জনে। ১২৩টি এফআইআর দায়ের করেছে পুলিশ, গ্রেপ্তার করা হয়েছে অন্তত ৬৩০ জনকে।

এর মধ্যেই দিল্লিতে সংঘর্ষের সময় পুলিশের নিষ্ক্রিয় ভূমিকা নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছিল, তা আরও তীব্র হয়েছে। দেখা গেছে, সংঘর্ষের সাহায্য চেয়ে রাজ্য পুলিশের কাছে অন্তত ১৩ হাজার ২০০ ফোন এসেছে। কিন্তু পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। পুলিশ কন্ট্রোল রুমের ফোন কল লগ খতিয়ে দেখে এনডিটিভি বলছে, ২৩ ফেব্রুয়ারি বিক্ষোভের প্রথম দিন সন্ধ্যাতেই ৭শ ফোন গিয়েছিল পুলিশের কাছে। ২৪ তারিখে একধাক্কায় তা বেড়ে দাঁড়ায় ৩৫শ-তে। পরদিন ৭৫শ ফোন পায় পুলিশ। ওইদিন রাত থেকেই এলাকা পরিদর্শনে বের হন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল। কিন্তু তার পরও যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি, তার প্রমাণ ২৬ ফেব্রুয়ারি ১৫শ ফোন পায় পুলিশ। কিন্তু এসব সাহায্য ও অভিযোগের আবেদনের অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কোনো ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: