সর্বশেষ আপডেট : ২ মিনিট ৪৬ সেকেন্ড আগে
শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ২১ চৈত্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

সিপিবির সিলেট বিভাগীয় জনসভা অনুষ্ঠিত

ভাত ও ভোটের নিশ্চয়তার জন্য ‘গদি বদলের’সাথে সাথে
‘ব্যবস্থা বদলের’ লড়াইকেও জোরদার করতে হবে
— কমরেড মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম

”গণতন্ত্রহীনতা ও লুটপাট রুখো। গদি-নীতি-ব্যবস্থা বদলাও। স্বদেশ বাঁচাও।” শ্লোগানকে সামনে রেখে দেশরক্ষা অভিযাত্রা উপলক্ষ্যে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সিলেট বিভাগীয় জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে পার্টির কেন্দ্রীয় সভাপতি সংগ্রামী জননেতা কমরেড মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম উক্ত কথাগুলো বলেন।
তিনি বলেন, “আমরা বাংলাদেশকে স্বৈরাচারের হাত থেকে রক্ষার আন্দোলনে অবতীর্ণ হচ্ছি। তাই কর্মসূচি নিয়ে জনগণের সামনে এসেছি। আমরা একদিন পাকিস্তান সরকারের হাত থেকে দেশ রক্ষা করতে সংগ্রামে নেমেছিলাম, আপনারাও নেমেছিলেন জান বাজি রেখে। পাকিস্তানি সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে সর্বাত্মক প্রতিরোধ গড়ে তুলে সবাই মিলে দেশকে মুক্ত করেছি। কিন্তু আজকের দেশ কি ১৭ কোটি মানুষের জন্য মুক্ত? না, সবার জন্য মুক্ত হয়নি। দেশ আজ দুইভাগে বিভক্ত। একদিকে এক শতাংশ লুটেরা ধনিকগোষ্ঠী, অন্যদিকে ৯৯ শতাংশ শ্রমিক-কৃষক-মেহনতি মানুষ। আমাদের সংগ্রাম হচ্ছে- ৯৯ ভাগ মানুষকে দেশের ৯৯ শতাংশ সম্পদের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার। কিছু সংখ্যক লোক ৯৯ ভাগ মানুষের সম্পদ লুটেপুটে খাবে, সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলবে, এটা মেনে নেব না। সাধারণ মানুষ শোষিত হচ্ছে, বৈষম্যের শিকার হচ্ছে প্রতিনিয়ত। দেশের আইন-কানুন, সুযোগ-সুবিধা সবকিছুই গরিবদের বিরুদ্ধে। প্রশ্ন করি, গরিব-মেহনতি মানুষরা কি সব সময় অধিকার বঞ্চিতই থাকবে?”

দেশব্যাপী কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে গতকাল ২৩ ফেব্রæয়ারি রোববার বিকেল ৩ টায় সিপিবি সিলেট বিভাগীয় সমন্বয় কমিটির আয়োজনে অনুষ্ঠিত বিভাগীয় জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্টির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক কমরেড শাহ আলম, প্রেসিডিয়াম মেম্বার অনিরুদ্ধ দাস অঞ্জন, আব্দুল­াহ কাফি রতন, কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যতম সম্পাদক জলি তালুকদার।
সিলেট নগরীর ক্বীন ব্রিজ পয়েন্টে অনুষ্ঠিত এ জনসভায় সভাপতিত্ব করেন সিলেট বিভাগীয় সমন্বয় কমিটির সমন্বয়ক কমরেড আনোয়ার হোসেন সুমন। প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি ছাড়াও বক্তব্য রাখেন সিপিবি সুনামগঞ্জ জেলা কমিটির সভাপতি কমরেড চিত্ত রঞ্জন তালুকদার, মৌলভীবাজার জেলা কমিটির সভাপতি মকবুল হোসেন, হবিগঞ্জ জেলা কমিটির সভাপতি হাবিবুর রহমান, সিলেট জেলা কমিটির সভাপতি হাবিবুল ইসলাম খোকা, সিপিবি ঢাকা কমিটির সাধারণ সম্পাদক সাজেদুল হক রুবেল। সঞ্চালনা করেন সিপিবি মৌলভীবাজার জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক কমরেড নিলিমেশ ঘোষ বলু ও ছাত্র ইউনিয়ন সিলেট জেলা সংসদের সাধারণ সম্পাদক নাবিল এইচ।

মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, ক্ষমতাসীনরা এখন একত্রিত হয়েছে লুটপাটে। বঙ্গবন্ধুর নাম ভাঙ্গিয়ে লুটপাটের রাজত্ব কায়েম করা হয়েছে। ক্ষমতাসীনরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলে মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষের শক্তির সাথে হাত মিলিয়ে দেশকে অন্ধকারের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। পাঠ্যপুস্তকে সাম্প্রদায়িকতার বীজ বুনছে। সরকারি দলের লোকজন সিন্ডিকেট করে জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়ে সাধারণ মানুষের পকেট কেটে হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাট করে নিয়ে জুয়া খেলছে। এদের রুখতে হলে বাম কমিউনিস্টদের একত্রিত হতে হবে। সবাইকে এক কাতারে আসতে হবে। একইসঙ্গে গ্রামে- গ্রামে, সারা দেশে স্থানীয় ও জাতীয় দাবিতে জোরদার আন্দোলন গড়ে তোলার কর্মিসূচি গ্রহণ করতে হবে। তিনি বলেন, ৫০ বছর যাবত আওয়ামী লীগ-বিএনপির অপশাসনের সাথে সাথে দেশের মানুষ সামরিক শাসনও দেখেছে। আওয়ামী লীগ-বিএনপি দু’টোই বুর্জোয়া লুটেরা দল। এদের হাতে মুক্তিযুদ্ধের অর্জন নিরাপদ নয়। এদের দ্বারা গরিব-মেহনতি মানুষের মুক্তি আসবে না। তিনি বলেন, শোষণ ও বৈষম্যের যাতাকলে পিষ্ট হয়েও কঠোর পরিশ্রম করে দেশের অস্তিত্বকে টিকিয়ে রেখেছে কামলা, কিষাণ, মুটে, মজুর, মেহনতি মানুষ ও মধ্যবিত্ত জনগণ। নানা সমস্যার মধ্যেও গ্রামের কৃষক-ক্ষেতমজুর কৃষি উৎপাদন অব্যাহত রেখেছেন। এর ফলে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে। অথচ তাদের বঞ্চনার শেষ নেই। কৃষকরা বঞ্চিত হচ্ছে ফসলের ন্যায্য মূল্য থেকে। ক্ষেতমজুরদের সারা বছরের কাজের কোনো সংস্থান নেই। সরকারি আমলা-কর্মচারিদের বেতন বাড়লেও শ্রমিকের জন্য জাতীয় ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ হয়নি। শ্রমিকরা গার্মেন্টে কাজ করে দেশের আয় বাড়াচ্ছে। অথচ মানুষ হিসেবে বেঁচে থাকার মতো মজুরি পাচ্ছে না তারা। শ্রমিক-কৃষক-ক্ষেতমজুরের সন্তানেরা দেশে কাজ না পেয়ে বিদেশে গিয়ে অমানবিক কাজে বাধ্য হচ্ছে। তাদের পাঠানো টাকায় সরকার উন্নয়নের গল্প ফেঁদে বাহবা নিচ্ছে।

কমরেড সেলিম আরো বলেন, ব্যাংকগুলো থেকে অবাধে টাকা লোপাট হচ্ছে। লক্ষ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করে সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকে জমা রাখছে, মালয়েশিয়ায় সেকেন্ড হোম বানাচ্ছে। বিদেশে সম্পদ পাচার বন্ধ করার জন্য একাত্তর সালে অস্ত্র হাতে নিয়ে মুক্তিসংগ্রাম করা যদি ন্যায়সঙ্গত হয়ে থাকে, বাংলার সম্পদ বাংলায় রাখার জন্য একইভাবে মুক্তিসংগ্রামের নতুন অধ্যায় রচনা করা সমস্ত জনগণের কাছে একটা আশু কর্তব্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। এজন্য শুধু গদির বদল হলেই চলবে না; গদি বদলের সাথে সাথে ব্যবস্থা বদলের লড়াইকেও জোরদার করতে হবে। বুর্জোয়া দ্বি-দলীয় মেরুকরণের বিপরীতে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ধারায় দেশকে পরিচালিত করতে বাম বিকল্প গড়ে তুলে শোষক শ্রেণির বিপরীতে শোষিত শ্রেণির শাসন ব্যবস্থা কায়েম করতে হবে। জনগণের অধিকার জনগণকে ফিরিয়ে দিতে একটি সুখি সমৃদ্ধশালী বৈষম্যহীন সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে সবাইকে একযোগে সংগ্রামে ঝাপিয়ে পড়তে হবে। জনগণকে সাথে নিয়ে গণজোয়ার সৃষ্টি করতে হবে। এছাড়া মুক্তির আর কোনো বিকল্প নেই।

কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক কমরেড শাহ আলম বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে মানুষের জীবন আজ দিশেহারা। পেয়াঁজ-রসুনসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। কিন্তু সাধারণ মানুষের আয় সেই তুলনায় বাড়ছে না। পল্লী রেশনিং এর ব্যবস্থা নেই, ন্যায্য মূল্যের দোকান নেই। গরিব মানুষের জন্য বরাদ্দকৃত টাকা তাদের হাতে পৌঁছায় না। গ্যাস-বিদ্যুৎ-গাড়ীভাড়া বার বার বাড়ানো হচ্ছে। জনগণ দু’বেলা ঠিকমতো খাবার পায় না, অসুখে চিকিৎসা পায় না; অথচ উন্নয়নের ফাঁকা বুলি নিয়মিত আওড়ানো হচ্ছে। তিনি বলেন, “কিন্তু কাদের উন্নয়ন হয়েছে? আজকে বৈষম্যের উন্নয়ন হয়েছে। শোষণের উন্নয়ন চলছে। আজ লুটপাটের উন্নয়ন চলছে। এমন উন্নয়ন আমরা চাই না।”

তিনি বলেন, শাসকগোষ্ঠী আজ দেশের মানুষকে ভয় পায়, ভোটকে ভয় পায়। তাই তারা রাতের আধারে ভোট ডাকাতি করে, সন্ত্রাসী লেলিয়ে দেয়, ভোটকেন্দ্র দখল করে। এভাবেই তারা ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী করতে চায়। কিন্তু জনগণ তা আর হতে দেবে না। গণতন্ত্রহীনতা, দ্রব্যমূল্যের ক্রমবর্ধমান উর্ধ্বগতি, সীমাহীন দুর্নীতি, লুটপাট ও দুঃশাসনের প্রতিবাদে এবং জনগণের ভোটাধিকারসহ গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে আনার দাবিতে সিপিবি দেশব্যাপী “দেশরক্ষা অভিযাত্রা” কর্মসূচি পালন করছে। প্রতিটি বিভাগে এ কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। সিপিবির ডাকে জনগণ সাড়া দিচ্ছে। ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও ময়মনসিংহে বিশাল বিশাল জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে- যা ইতোপূর্বে দেখা যায়নি। অন্যান্য বিভাগেও হবে। আগামীতে আরো কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে। লুটপাটের বিরুদ্ধে লড়াই গড়ে তুলতে হবে। শিক্ষার লড়াই, স্বাস্থ্যের লড়াই, বৈষম্যের বিরুদ্ধে অধিকার আদায়ের লড়াই ঐক্যবদ্ধভাবে গড়ে তুলতে হবে।

কমরেড শাহ আলম আরো বলেন, দেশের উন্নয়নের মূল কারিগর শ্রমিক-কৃষকদের অবস্থাও শোচনীয় পর্যায়ে। কথায় কথায় শ্রমিক ছাটাই-হয়রানি। মালিকদের নিয়মিত শোষণের শিকার শ্রমিকরা তাদের ন্যায্য মজুরি থেকে বঞ্চিত। চা-শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি বর্তমানে মাত্র একশত দুই টাকা। এ মজুরি দিয়ে চা-শ্রমিকরা মানবেতর জীবনযাপন করছে এবং তাদের স্বাস্থ্য-শিক্ষার ব্যাপারে মালিকপক্ষ একেবারেই উদাসীন। এমন অবস্থার অবসান করতেই হবে। শ্রমিকদেরকেও এগিয়ে আসতে হবে। দেশে লুটপাটতন্ত্রের অর্থনৈতিক-সামাজিক ব্যবস্থা বহাল রেখে সাধারণ মানুষের স্বার্থ রক্ষা করা যাবে না। আওয়ামী-বিএনপি লুটেরা ধনিক শ্রেণির স্বার্থরক্ষাকারী দল। এ দু’টি দলকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠা দ্বি-দলীয় ধারার বাইরে বিকল্প বাম শক্তি-সমাবেশ গড়ে তোলাই আজ সময়ের দাবি।

জনসভায় অন্য বক্তারা বলেন, গণতন্ত্রহীনতা ও বিচারহীনতার কারণে সারাদেশে এক ভয়াবহ অবস্থা বিরাজ করছে। সর্বস্তরের মানুষ আজ নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছে। রেলে-বাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গার্মেন্টসে কোথাও কোনো নিরাপত্তা নেই। নারী ধর্ষণ হচ্ছে অহরহ। শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংসপ্রাপ্ত। যুবকদের চাকরি নেই। বাস-রেল দুর্ঘটনায় প্রতি বছর শত শত যাত্রী মৃত্যুবরণ করছে। কিন্তু দুর্ঘটনার জন্য দায়িদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক কোনো শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না। স্বাধীনভাবে কথা বলারও অধিকার নেই। গণপরিবহন হিসেবে রেলের বিপুল জনপ্রিয়তা থাকা সত্বেও এখন পর্যন্ত সিলেট অঞ্চলে রেলের উন্নয়নে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই। সিলেট-ঢাকা ও সিলেট-চট্টগ্রাম রুটে ভাঙ্গাচোরা ট্রেন, সংস্কারবিহীন ঝুকিপূর্ণ দুর্বল রেললাইন ও রেলব্রিজের কারণে এ রুটে ট্রেন দুর্ঘটনা এখন নিয়মিত ঘটছে। দীর্ঘদিন যাবত এ রুটে নতুন কোনো ট্রেন দেওয়া হয় নাই। উপরন্তু সিলেট-চট্টগ্রাম রুটের একটি ট্রেন ইতোমধ্যে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সিলেট-ময়মনসিংহ রুটে ট্রেন চালু এবং ছাতক থেকে সুনামগঞ্জ নতুন রেল লাইন নির্মাণের জোর দাবি থাকা সত্বেও এ যাবত তা করা হয়নি। ঢাকা-সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করার কাজ এখনও শুরু হয়নি। সিলেট এম এ জি ওসমানী হাসাপাতালে প্রয়োজনের তুলনায় স্বল্প বেড নিয়ে নোংরা দুর্গন্ধময় পরিবেশে চলছে স্বাস্থ্যসেবা। তার উপরে পেয়িং বেডের নামে চলে স্বাস্থ্যবাণিজ্য। প্রতিশ্রæতি সত্বেও সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজকে বিশ^বিদ্যালয়ে রূপান্তর করা হয়নি। সিলেটের বিমানবন্দরটিও বহু যুগ ধরে শুধু নামেই আন্তর্জাতিক। এমন অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেতে হলে মেহনতি মানুষের রাজত্ব কায়েম করতে হবে। জনগণকে সাথে নিয়ে আন্দোলন-সংগ্রাম গড়ে তুলতে হবে।
জনসভার শুরুতে উদীচী সিলেট ও সাংস্কৃতিক ইউনিয়ন, সিলেট এর শিল্পীরা গণসঙ্গীত পরিবেশন করেন। জনসভা সমাপ্তির পর সিপিবির নেতা-কর্মিরা একটি বিশাল মিছিল বের করেন। মিছিলটি সুরমা পয়েন্ট, কোর্ট পয়েন্ট, জিন্দাবাজার, চৌহাট্টা হয়ে আম্বরখানা পয়েন্টে ঘুরে সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এসে শেষ হয়। বিজ্ঞপ্তি




এ বিভাগের অন্যান্য খবর




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: